সূর্যের তীব্র তাপে একটি বিশাল গ্রহাণু ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবী যখন এই ধ্বংসাবশেষের মেঘের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করবে, তখন আকাশে উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে। ইতোমধ্যে ২৮২টি উল্কাবৃষ্টির একটি গুচ্ছ শনাক্ত করা হয়েছে।
গবেষকদের ধারণা, এই উল্কাবৃষ্টি মহাকাশের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হচ্ছে। পাথুরে ধ্বংসাবশেষের এই স্তূপটি আসলে একটি মৃতপ্রায় গ্রহাণু বা রক কমেটের অবশিষ্টাংশ। সূর্যের খুব কাছে চলে যাওয়ায় গ্রহাণুটি ভেঙে টুকরো হয়ে গেছে।
নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানী প্যাট্রিক বলে, এই আবিষ্কারটি ব বাকি অংশ পড়ুন...
দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীরা মনে করে আসছে, আমাদের ছায়াপথ আকাশের ঠিক মাঝখানে আছে একটি বিশাল ব্ল্যাকহোল। কিন্তু নতুন এক গবেষণা এই পুরোনো ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। গবেষণায় বলা হচ্ছে, আকাশের কেন্দ্রে ব্ল্যাকহোলের বদলে ঘন ডার্ক ম্যাটারের একটি কোর থাকতে পারে।
গবেষকদের মতে, এই ডার্ক ম্যাটারের ঘন অংশই গ্যালাক্সির কেন্দ্রের আশেপাশে থাকা নক্ষত্রগুলোর অস্বাভাবিক দ্রুত গতিতে ঘোরার কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, পুরো আকাশ যেভাবে ঘোরে, সেটাও এই ডার্ক ম্যাটার কোর দিয়েই ব্যাখ্যা করা সম্ভব।
এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ম বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গভীর সমুদ্রে ১৫টি ও অগভীর সমুদ্রে ১১টি মিলে মোট ২৬টি ব্লক আছে বঙ্গোপসাগরে। এর মধ্যে ২০১০ সালে গভীর সমুদ্রে দুটি ব্লকে কাজ নেয় কনোকো ফিলিপস। তারা দ্বিমাত্রিক জরিপ চালালেও পরে গ্যাসের দাম বাড়ানোর দাবি পূরণ না হওয়ায় বাকি অংশ পড়ুন...
আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ভারত একতরফাভাবে নদীশাসন করছে। ফারাক্কার ভয়াবহ প্রভাবের কথা আমরা জানি। তিস্তা বা ফেনী নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা বাংলাদেশের মানুষ এখনও পাননি। বরাক নদী উজানে টিপাই বাঁধ সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনার প্রবাহকে শুকিয়ে দিচ্ছে। ভারত থেকে প্রায় ৫৪টি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এ সকল নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট করে ভারত বাংলাদেশের সমূহ ক্ষতি করছে। পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় নদীতে সাগর থেকে নোনা পানি প্রবেশ করছে। স্বাভাবিকভাবেই নোনা পানিতে স্বাদু পানির মাছ, পানিজ উদ্ভিদ কিছুই বাঁচতে পারে না। ফলে কমছে বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত-মা’রিফত ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের প্রধান ও একমাত্র মহান মাধ্যম হচ্ছেন মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক।
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এ সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: “আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্ বাকি অংশ পড়ুন...
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০”কি?
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিজেদের দখলে রাখতে ব্রিটিশ লুটেরারা ঐ অঞ্চলকে বিশেষ অঞ্চল নামে আখ্যা দিয়ে ১৯০০ সালে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০’ (চিটাগং হিল ট্র্যাক্ট ম্যানুয়েল ১৯০০) নামক আইন প্রণয়ন করে এবং ১৯০০ সালের ১ মে থেকে কার্যকর করে। এই আইনের মাধ্যমে উপজাতিদের ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের শাসন ক্ষমতা নিজেরা কুক্ষিগত করে। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল এই সমৃদ্ধ অঞ্চলটি দূরে থেকে কিভাবে শাসন-শোষণ করা যায়। এলক্ষ্যে পার্বত্য উপজাতিদের তারা ব্যবহার করে।
পার্বত্ বাকি অংশ পড়ুন...
কায়িনাতের বুকে হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র ব্যক্তিত্ব মুবারক যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পূর্ব থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়া পর্যন্ত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে সাইয়্যিদাতুনা হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, কুরবানী কেমন পশু দিয়ে করতে হবে সে বিষয়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কুরবানী করবে মোটা-তাজা পশু দেখে। কারণ এটা (কুরবানীর পশু) পুলসিরাত পারের বাহন হবে।” সুবহান বাকি অংশ পড়ুন...












