খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এতটুকু ফযীলত দিয়েছেন আলিম উনাদেরকে। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি তো পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বলেই দিয়েছেন, সেই পবিত্র সূরা আলাক্ব শরীফ উনার মধ্যে, পবিত্র সূরা নুন ওয়াল ক্বলম শরীফ উনার মধ্যে, পবিত্র সূরা আর রহমান শরীফ উনার মধ্যে-
اَلرَّحْمَنُ. عَلَّمَ الْقُرْآنَ. خَلَقَ الْإِنْسَانَ. عَلَّمَهُ الْبَيَانَ
সেই দয়ালু খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক। মহান আল্লাহ পাক কিন্তু প্রথমে বলে দিয়েছেন যে আমি দয়ালু। যিনি তোমাদের পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা দিয়েছেন। (জীব) মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং কথা বলার তাওফিক দিয়েছেন। কথা ব বাকি অংশ পড়ুন...
১৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লিহান বা স্বর মুবারক نُوْرُ الْـمُنَوِّرِ مُبَارَكٌ নূরুল মুনাওওইর মুবারক
১৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গাল মুবারক نُوْرُ الْاَنْوَارِ مُبَارَكٌ নূরুল আনওয়ার মুবারক
১৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দাঁত মুবারক نُوْرُ اللهِ مُبَارَكٌ নূরুল্লাহ্ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সপ্তম দিনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আক্বীক্বাহ্ মুবারক দেয়া এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক রাখা:
২য় দলীল
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ لَمَّا وُلِدَ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَقَّ عَنْهُ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ جَدُّ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (سَيِّدُنَا حَضْرَتْ عَبْدُ الْمُطَّلِبِ عَلَيْهِ السَّلَامُ) وَسَـمَّاهُ سَيِّدَنَا مَوْلَانَا مُحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
“হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্ বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
মূলত, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের হাক্বীক্বী নিসবত ও কুরবত মুবারক উনাদের অভাবে ইতিপূর্বে কেউ সম্মানিত ফরয কুরবানী মুবারক উনার বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারেনি। তবে, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি যেই ফতওয়া মুবারক দিয়েছেন, এটাই চূড়ান্ত ফতওয়া মুবারক। কেননা, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাই বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
উনার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা:
হযরত ইমাম শা‘বী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ফতওয়ার ইলিমে হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত শুরাইহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকেও অধিক জ্ঞানী ছিলেন। আর বিচার কাজে হযরত শুরাইহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে অধিকতর বিজ্ঞ ছিলেন। হযরত শুরাইহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কোন কোন বিষয়ে হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে পরামর্শ করতেন। কিন্তু হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি হযরত শুরাইহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে কোন বিষয়ে পরামর্শ করতেন না। (সিয়ারু আ’লামিন ন বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত মুল্লা জিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি বিশিষ্ট বুযূর্গ এবং আলিম, উলামায়ে হক্কানী-রব্বানীগণ উনাদের মধ্যে এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। অনেক কিতাবাদি তিনি লিখেছেন, উনার অনেক কিতাব মাদরাসায় পড়ানো হয়ে থাকে। সেই মুল্লা জিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি, তিনি ছিলেন বাদশা আলমগীরের উস্তাদ, শাহজাহান তখন বাদশা। যে বাদশা শাহজাহান ছিলেন, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদ ও বাদশা জাহাঙ্গীরের ছেলে। বাদশা শাহজাহান ছোটবেলা থেকে হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছোহবত ইখতিয়ার করেছিলেন। ইলমে ফিক্বাহ, ইলমে তাছ বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখ্য যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার বান্দাদেরকে যত নিয়ামত দান করেছেন তার মধ্যে আহলিয়া হচ্ছে অন্যতম।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمِنْ آيَاتِهٖ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً ۚ إِنَّ فِي ذٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَّتَفَكَّرُونَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার অন্যতম নিয়ামত মুবারক হলো, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকে তোমাদের আহলিয়া তথা স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন। যাতে তোমরা তাদের নিকট ইতমিনান তথা প্রশান্তি লাভ করতে পারো। আরো নিয়ামত হচ্ছে, তিনি তোমাদের উভয়ের মধ্যে মুহব্বত ও দয়া পয়দা করে দ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنْ رَّسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اَلدُّنْيَا كُلُّهَا مَتَاعٌ وَخَيْرُ مَتَاعِ الدُّنْيَا الْـمَرْاَةُ الصَّالِـحَةُ.
অর্থ : “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, দুনিয়ার সমস্ত কিছুই সম্পদ এবং দুনিয়ার সমস্ত সম্পদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো নেককার আহলিয়া (স্ত্রী)। ” সুবহানাল্লাহ! (নাসায়ী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পবিত্রতার অতীব গুরুত্ব রয়েছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
الطُّهُورُ شَطْرُ الْإِيمَانِ
অর্থ: ‘পবিত্রতা অর্জন করা সম্মানিত ঈমান উনার অঙ্গ। ’ সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ.
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সেই সকল লোকদেরকে মুহব্বত করেন; যারা উনার কাছে বেশি বেশি তওবা ইস্তিগফার করে, এবং যারা বেশি পাক-পবিত্র থাকে। ” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ব বাকি অংশ পড়ুন...
২ যিলক্বদ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
৬ যিলক্বদ: আখাছছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, শাহ্ আমীরা সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজিরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
৭ যিলক্বদ: আখাছছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদতী শান মুবারক উনার আ’দাদ শরীফ।
বাকি অংশ পড়ুন...












