বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত দেশের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো টিউশন-ফি নেওয়ার ক্ষেত্রে বেপরোয়া। দেশের লকডাউন পরিস্থিতির সময়েও এসব স্কুলগুলো বিভিন্ন ফি নেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোরতা দেখিয়েছে। টিউশন-ফি বকেয়া থাকায় অনলাইন ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ারও অভিযোগ ছিলো কয়েকটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের নানা অভিযোগের মধ্যে বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালিত না হওয়া, নিবন্ধনে অনীহা, ব্যয় বিবরণী প্রকাশ না করাসহ স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনছে সরকার। এ নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে। (পবিত্র স বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ক্বিয়াম শরীফ উনার প্রমাণ
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
বর্ণিত আলোচনা থেকে যে দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়, সে পরিপ্রেক্ষিতে দৃঢ়তার সাথে বলতে হয় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আলোচনা মুবারক করার সময়ে অর্থাৎ সালাম পেশ করার সময় দাঁড়িয়ে যাওয়া ওয়াজিব। যেহেতু সম্মানিত ব্যক্তিকে উনার সামনে যেমন সম্মান করা হয়, উনার আড়ালেও তেমনভাবে সম্মান করতে হয়।
যেমন ইসলামী শরীয়ত উনার বহুল পরিচিত একটি মাসয়ালাকে এ বিষয়টি সহজভাবে বুঝার জন্যে দৃষ্টান্ত হিসেবে পেশ করা যেতে পারে।
পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ উ বাকি অংশ পড়ুন...
সেই ইমাম আবু ইউসুফ রহমতুল্লাহি আলাইহি ফক্বীহুল উম্মত তিনি ইন্তিকাল করার সময় অনেক আলিম-উলামা উনার সাথে সাক্ষাত করতে এসেছেন। বিশ্ব বিখ্যাত আলিম-উলামা উনারা এসেছেন, যারা উনার ছাত্রের অন্তর্ভুক্ত। আর কেউ কেউ সমসাময়িক।
একটা মাসয়ালা নিয়ে এক আলিমের কিছু চু-চেরা ছিল। তিনিও প্রবেশ করলেন হযরত আবু ইউসুফ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কামরাতে। তখন উনার ইন্তিকাল মুবারক প্রায় নিকটবর্তী, তিনি মূমূর্ষ অবস্থায়। সেই আলিম যখন প্রবেশ করলেন, তখন তিনি সেই মাসয়ালাটা আলোচনা করলেন, যে মাসয়ালা নিয়ে একটু চু-চেরা কিল ও কাল ছিল। যেহেতু উনার সময় শেষ তাই তি বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, শাহ্ আমীরাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজীরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস মুবারক
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৫ হিজরী শরীফ উনার ১৯শে রবীউছ ছানী বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সপ্তম দিনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আক্বীক্বাহ্ মুবারক দেয়া এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক রাখা:
৩য় দলীল
অন্য বর্ণনায় এসেছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ لَمَّا وُلِدَ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَقَّ عَنْهُ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ جَدُّ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (سَيِّدُنَا حَضْرَتْ عَبْدُ الْمُطَّلِبِ عَلَيْهِ السَّلَامُ) بِكَـبْشٍ وَسَـمَّاهُ سَيِّدَنَا مَوْلَانَا مُحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
“হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণি বাকি অংশ পড়ুন...
১৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাথা মুবারক نُوْرُ الْـهُدٰى مُبَارَكٌ নূরুল হুদা মুবারক
২০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কান মুবারক نُوْرُ الْـحَيَاءِ مُبَارَكٌ নূরুল হায়া’ মুবারক
২১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নাক মুবারক نُوْرٌ عَلـٰى نُوْرٍ مُبَارَكٌ নূরুন ‘আলা নূর মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৫ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুল জুমু‘আহ্ শরীফ (খমীস দিবাগত জুমুয়াবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “ইদানিং বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে দায়িমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে রুজু থাকা। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلِكُلٍّ وِجْهَةٌ هُوَ مُوَلِّيهَا
অর্থ: “আর সবার জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট কিবলা। যে দিকে সে মুখ করে, রুজু হয়। ” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪৮)
ঠিক একইভাবে মুসলমানদের দায়িত্ব হচ্ছে, সমস্ত কাফিরদের থেকে ফিরে থাকা, তাদের কোন প্রকার অনুসরণ না করা, তাদের দিকে রুজু না হ বাকি অংশ পড়ুন...
উনার কতিপয় ক্বওল শরীফ:
হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, মু‘মিন লোকের জন্য কবর অপেক্ষা উত্তম স্থান আর কিছুই নেই। এখানেই শুধু দুনিয়ার দুঃখ-চিন্তার পরিসমাপ্তি রয়েছে, শান্তি রয়েছে। আর মহান আল্লাহ পাক উনার শাস্তি থেকে নিরাপত্তা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমার ধারণায় সবচেয়ে উত্তম আমি তখন মনে করি, যখন আমার খাদিম বলে; ঘরে আটাও নেই, দিরহামও নেই। (হিলইয়াতুল আওলিয়া)
হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত আবদুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَى وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আর যখন আমি বললাম, হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! আপনারা জ্বিনসহ আমার যিনি খলীফা, আবুল বাশার হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করুন। সকলেই সিজদা করলো। কিন্তু সে (ইবলীস) অস্বীকার করলো, অহংকার করলো, সে সিজদা করলো না। যার কারণে সে কাফির হয়ে গেলো। নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৪)
উল্লেখ্য, ইবলীস একটি আদেশ মুবারক অমান্য করার কারণে যদি সবচেয়ে ব বাকি অংশ পড়ুন...












