৪০. প্রসঙ্গ : হালকী নফল বসে পড়াই সুন্নত এবং বসে আদায় করার মধ্যেই বেশী ফযীলত
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য : বিতরের পর দু’রাকায়াত নফল নামায বসে না পড়ে দাঁড়িয়ে পড়লেই ছওয়াব বেশি। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া : বিতরের পর দু’রাকায়াত নফল নামায বসে বসে পড়াই বেশী ছওয়াব। কারণ তা বসে পড়াই হচ্ছে খাছ সুন্নত। কেননা, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হালকী নফল বসেই আদায় করতেন। সুতরাং হালক্বী নফল বসে আদায় করাই সুন্নত এবং বসে আদায় করার মধ্যেই বেশী ফযীলত।
[এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে মাসি বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই ছেলের স্ত্রী তার পিতার খিদমত করবে অর্থাৎ শ্বশুরের খিদমত করবে, সেটা ঠিক ততটুকু খিদমত করবে যতটুকু সাধারণভাবে করা সম্ভব। হ্যাঁ, পাক-শাক করে খাওয়াতে পারে, তার অন্যান্য খিদমতের আঞ্জাম দিতে পারে, তবে সরাসরি এমন কোন কাজ করবে না, তার সামনে বেশীক্ষণ থাকবেও না এবং সরাসরি তার হাত, পা-তে হাত দিয়ে কোন কাজ করে দিবে না, হাত-পা টিপে দেয়া, তেল দেয়া ইত্যাদি ইত্যাদি যা কিছু রয়েছে সেটা থেকে সতর্ক থাকবে। যদি কারো মনে কোন ওয়াসওয়াসা এসে যায়, যদি শ্বশুরের মনে কোন ওয়াসওয়াসা এসে যায়, খারাপ দৃষ্টি তার প্রতি পড়ে যায় তাহলে সেটা হুরমতে মুছাহিরাহ এর কারণে শ বাকি অংশ পড়ুন...
‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল বাশার আলাইহাস সালাম উনার নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ:
আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ আখিরাতের হিসাব অনুযায়ী অর্ধদিন আর দুনিয়াবী হিসাব অনুযায়ী ৫০০ বছর অবস্থান মুবারক করেন। তারপর তিনি পৃথিবীতে আগমন করেন। কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
فَلَمَّا قَدَرَ اللهُ الْاِجْتِمَاعَ بَيْنَ حَضْرَتْ اٰدَمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ وحَضْرَتْ حَوَّاءَ عَلَيْهَا السَّلَامُ عَلٰى عَرَفَاتَ اَرْسَلَ اللهُ اِلَيْهِ نَهْرًا مِّنَ الْج বাকি অংশ পড়ুন...
৪৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাবাস্সুম মুবারক থেকে একটু বেশি نُوْرُ الشَّهَادَةِ مُبَارَكٌ নূরুশ শাহাদাত মুবারক
৪৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বলব মুবারক نُوْرُ الْاَصْلِ مُبَارَكٌ নূরুল আছ্ল মুবারক
৪৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মারীদ্বী শান মুবারক نُوْرُ الْاِحْسَانِ مُبَارَكٌ নূরুল ইহ্সান মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
هَا أَنتُمْ أُولَاءِ تُحِبُّونَهُمْ وَلَا يُحِبُّونَكُمْ وَتُؤْمِنُونَ بِالْكِتَابِ كُلِّهِ وَإِذَا لَقُوكُمْ قَالُوا آمَنَّا وَإِذَا خَلَوْا عَضُّوا عَلَيْكُمُ الْأَنَامِلَ مِنَ الْغَيْظِ. قُلْ مُوتُوا بِغَيْظِكُمْ. إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ
অর্থ: দেখ! তোমরাতো তাদেরকে (বন্ধু ভেবে) মুহব্বত করো, কিন্তু তারা তোমাদেরকে মুহব্বত করে না। আর তোমরা (মহান আল্লাহ পাক প্রদত্ত) সমস্ত কিতাবে বিশ্বাস করো (কিন্তু তারা তোমাদের কিতাবে বিশ্বাস করে না)। কাফির-মুশরিক তারা যখন তোমাদের সংস্পর্শে আসে তখন (কপটতার সাথে) বলে, আমরাও বিশ্বাস করি। আবার যখন তারা একান্তে মিলিত বাকি অংশ পড়ুন...
ইরানে তৈমুরীয় যুগের সিরামিক্স শিল্প:
তৈমুরীয় যুগের মৃন্ময়পাত্রের উদাহরণ অত্যন্ত অপ্রতুল। যে কিছু অবশিষ্ট মৃৎপাত্রের নিদর্শন পরিদৃষ্ট হয় তাতে মোঙ্গল যুগের টেকনিক ও অলঙ্করণের ছাপ অতি স্পষ্ট। তবে মোঙ্গল যুগের মৃৎপাত্রের তুলনায় তা ভিন্নমানের বলে প্রতীয়মান হয়। পঞ্চদশ শতাব্দীতে ক্ষুদ্রাকৃতির প্রতিকৃতির উপস্থাপনের বিবেচনায় তৈমুরীয় যুগের মৃন্ময়পাত্রে চৈনিক প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
প্রদর্শিত কোনো কোনো সিরামিক্সের ক্ষেত্রে বলা যায় যে, সেগুলো ইরানী মৃৎপাত্রের অবিকল মনে করেও অনেকে ভুল করে। এক্ষেত্রে আমেরিকার মেট্রোপল বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় তাক্বলীদ-এর পরিচিতি:
(৫৯-৬১)
التقليد تسليم قول الغير من حسن الظن بغير دليل.
অর্থ: কারো (দলীলসঙ্গত) কথায় দলীল অবগত না হয়ে উত্তম ধারণায় মেনে নেয়াকে তাকলীদ বলা হয়। (বাদিউল উছূল, বুরহানুল মুক্বাল্লিদীন -ইমাম আল্লামা রূহুল আমীন বশীরহাটী হানাফী মাতুরীদী রহমতুল্লাহি আলাইহি ১০পৃষ্ঠা, সাইফুল মুক্বাল্লিদীন- মুফতী আল্লামা ইবরাহীম মুহব্বতপূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি ২৫৩ পৃষ্ঠা)
(৬২)
التقليد العمل بقول الغير من غير حجة.
অর্থ: (দলীলসঙ্গত) কারো উক্তির ব্যাপারে কোন দলীল প্রমাণ না জেনেই তদনুযায়ী আমল করাকে তাক্বলীদ বলে। (মুসাল্লামুছ ছুবূত)
(৬৩)
ا বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَمَّارِ بْنِ يَاسَرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰي عَنْهُ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ثَلَاثَةٌ لَا يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ أَبَدًا: اَلدَّيُّوثُ مِنَ الرِّجَالِ، وَالرَّجُلَةُ مِنَ النِّسَاءِ، وَمُدْمِنُ الْخَمْرِ.
অর্থ: হযরত আম্মার বিন ইয়াসার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিন ব্যক্তি কখনই জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
(১) দাইয়ূছ (যে পুরুষ নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থ মহিলাদের পর্দা করায় না)।
(২) ঐ সকল মহিলা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ وَهُوَ لَيْلَةُ اثْنَـىْ عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَبِيْعِ الْاَوَّلِ بِاتِّـخَاذِهٖ فِيْهَا طَعَامًا كُنْتُ لَهٗ شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ
অর্থ: যে ব্যক্তি খাদ্য খাওয়ানোর মাধ্যমে, মেহমানদারী করার মাধ্যমে আমার মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার মহাসম্মানিত তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) রাত্র মুবারক (ও দিবস মুবারক) উনাকে সম্মান করবেন, আমি ক্বিয়াম বাকি অংশ পড়ুন...












