সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই চাল-চলন, আচার-ব্যবহার, পোশাক-পরিচ্ছদে কোন মতেই যেন তাদের কোন সৌন্দর্য প্রকাশ না পায়। সেটাই মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিয়েছেন। সেদিক থেকে সাবধান থাকতে হবে।
কারণ, যদি তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ পায় এবং বেগানা পুরুষ আকৃষ্ট হয় তাহলে অবশ্যই সে زَانِيَةٌ অর্থাৎ ব্যভিচারিণী হিসেবে মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে সাব্যস্ত হবে। কিন্তু সে জানবে না, মনে করবে সে তো শরীয়ত মতই চলে, হয়ত সে বোরকাও পরেছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বোরকার ভিতরে সে এমন সুঘ্রাণ ব্যবহার করতেছে অথবা সে রাস্তায় চলার সময় এমনভাবে হাঁটছে, তার সৌন্দর্য ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় প্রকাশ পেয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই জুমাদাল উখরা শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “একটা ঘটনা মুবারক। তোমরা তো বুঝো না। বললে কি হবে? এটা ৪৫-৪৬ বছর আগের কথা। তখন যাত্রাবাড়ী দরবার শর বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক:
মহাসম্মানিত আখুর রদ্বা‘আহ্ এবং উখতুর রদ্বা‘আহ্ (দুধ ভাই-বোন) আলাইহিমুস সালাম-আলাইহিন্নাস সালাম:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আখুর রদ্বা‘আহ্ এবং উখতুর রদ্বা‘আহ (দুধ ভাই-বোন) আলাইহিমুস সালাম-আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ৭ জন। ৪ জন মহাসম্মানিত আখুর রদ্বা‘আহ্ (দুধ ভাই) আলাইহিমুস সালাম এবং ৩ জন মহাসম্মানিত উখতুর রদ্বা‘আহ্ (দুধ বোন) আলাইহিন্নাস সালাম।
মহাসম্মানিত দুধ ভাই আ বাকি অংশ পড়ুন...
৭৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দাঁড়ানো শান মুবারক نُوْرُ الْقُوَّةِ مُبَارَكٌ নূরুল কুওওয়াত মুবারক
৭৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বসার শান মুবারক نُوْرُ الشَّفَقَةِ مُبَارَكٌ নূরুশ শাফাক্বাত মুবারক
৭৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওযূ মুবারক نُوْرُ الْـخُشُوْعِ مُبَارَكٌ নূরুল খুশূ’ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
যে ব্যক্তি পারলৌকিক সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত রয়েছে, বুঝতে হবে যে, সৌভাগ্যের পথে সে ব্যক্তি আদৌ চলেনি। না চলার কারণ অনুসন্ধান করলে জানা যাবে যে, সে ব্যক্তি সৌভাগ্যের পথ চিনতেই পারেনি অথবা চিনতে পেরেছিলো বটে, কিন্তু চলতে পারেনি। চিনেও চলতে না পারার কারণ অনুসন্ধান করলে বুঝা যাবে যে, প্রবৃত্তির কবলে বন্দী হয়ে পড়েছিলো। কুপ্রবৃত্তির সাথে সংগ্রাম করে জয়ী হতে পারেনি। সুতরাং পারলৌকিক সৌভাগ্যের পথ চিনেও প্রবৃত্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে দ্বীনি পথে চলতে অক্ষম হয়েছিলো। যারা পারলৌকিক পথ চিনতেই পারেনি, সেদিকে চলতে না পেরে সৌভাগ্য হ বাকি অংশ পড়ুন...
আপনি মাশুকে মাওলা
আখেরী নাবী, আখেরী নাবী
আশিক হয়ে খোদা
ছলাত পাঠে সদা
থাকেন না তো জুদা
জুল জালালে রব্বী
ওহুদের প্রান্তরে
মালাঊন কাফেরে
আঘাত করে, করে
শহীদ দন্তে নাবী
ওয়াসে আল ক্বারনী
হুব্বে হন নূরানী
দান্দান ফেলে দিয়ে
পান সন্তুষ্টি সবি
সূর্য পেয়ে ইশারা
দেখায় আবার চেহারা
নামায শেষ না হলে
ডুববো না আমি রবি
গাছ-পালা নুয়ে যায়
মেঘ ছায়া দিতে চায়
যখন চলতেন ধরায়
মুস্তফা আরাবী
আমি সেই ইশকেতে
ধরেছি কলম হাতে
নাত লিখে লিখে যদি
পাই হুব্বে নববী
-মুহম্মদ মুস্তাজীবুর রহমান ওয়াক্বী
বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
লা-মাযহাবীরা বলে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নাকি মাটির তৈরি মানুষ। নাউযুবিল্লাহ! তাদের উক্ত বক্তব্য কতটুকু সঠিক?
জাওয়াব:
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে লা-মাযহাবীদের উক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, মনগড়া ও দলীলবিহীন এবং তা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের খিলাফ এবং সর্বোপরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান মুবারক সম্পর্কে খিলাফ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আর বর্ণিত রয়েছে:
لاَ تَزُولُ قَدَمَا ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمْرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهِ فِيمَا أَبْلاَهُ وَمَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكْتَسَبَهُ وَفِيمَ أَنْفَقَهُ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ
অর্থ: কিয়ামতের দিনে হাশরের ময়দানে কোনো আদম সন্তান পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এক কদমও নড়তে পারবে না। সে প্রশ্ন ৫টি হলো:
১) জীবনটা কী কাজে শেষ করেছে?
২) যৌবনকাল কী কাজে লাগিয়েছে?
৩) কোন পথে আয় করেছে?
৪) কোন পথে ব্যয় করেছে?
৫) এবং নিজের ইলিম অনুযায়ী আমল করেছে কি? (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُوْلُ نَحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَة النَّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন, আমরা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) মহাসম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালা বাকি অংশ পড়ুন...












