SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%২৯৯৯%' OR titleBn LIKE '%২৯৯৯%' OR descriptionEn LIKE '%২৯৯৯%' OR descriptionBn LIKE '%২৯৯৯%' OR slug LIKE '%২৯৯৯%' OR metaTag LIKE '%২৯৯৯%' OR metaDescription LIKE '%২৯৯৯%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে পরিচালিত অভিযানে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে গুলশান বিভাগে- ৮৫৫টি। এছাড়া ওয়ারী বিভাগে ৫০৫টি, মতিঝিলে ৪৬২টি, উত্তরা বিভাগে ৪০৬টি, মিরপুরে ৩১৮টি, তেজগাঁওয়ে ১৯৯টি, লালবাগে ১৪৬টি এবং রমনা বিভাগে ১০৮টি মামলা করা হয়েছে।
অভিযানে ট্রাফিক আইন অমান্য করা বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল, বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়। এ সময় ৬৩৯টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ২৮৬টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُه‘ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا اُولٰئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ اَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْاٰخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ.
অর্থ: ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত মসজিদসমূহে উনার যিকির মুবারক করতে, উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজাড় বা বিরাণ করতে চেষ্টা করে। তাদের জন্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় অর্থাৎ খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করা ব্যতীত মসজিদসমূহে প্রবেশ করা জায়িà বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র-০১: পবিত্র মসজিদে জুমুয়ার ঐতিহাসিক ছবি
আল জুমুয়া মসজিদ (আরবি: مسجد الجمعة), এছাড়াও মসজিদটি বনী সেলিম মসজিদ, আল গুবাইব মসজিদ বা আতিকাহ মসজিদ হিসেবে পরিচিত, মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরে অবস্থিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পবিত্র মদীনা শরীফে হিজরত মুবারকের সময় প্রথমবারের মত এই স্থানে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন।
মসজিদের অবস্থান:
মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওয়াদি রানুনার ঠবাকি অংশ পড়ুন...
আরব আমিরাতের শারজাহ সিটিতে অবস্থিত ‘মাজমাউল কুরআনুল কারীম’ কর্তৃপক্ষ খেজুরের পাতায় লিখা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার একটি দু®প্রার্প কপি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করেছে। ‘মাজমা’র মহাসচিব জানিয়েছে, ‘প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন যুগের এবং বিশ্বের অসংখ্য দেশের পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার দুর্লভ কপি এবং দু®প্রাপ্য প্রতœঐতিহাসিক নুসখা সংগ্রহ করে গর্বিত।’
এই দু®প্রাপ্য অনুলিপিটি সম্পূর্ণরূপে খেজুরের পাতায় লিখা হয়েছে। কালামুল্লাহ শরীফের এই কপিটি লিখতে খেজুরের পাতা দিয়ে সর্বমোট ৭০টি পৃষ্ঠা বানানোর প্রয়োজন পড়েছে। প্রত্যেক পৃষà বাকি অংশ পড়ুন...
ইরানে সেলজুক মৃৎপাত্র:
আব্বাসীয় শাসনপর্বের অষ্টম-দশম শতাব্দীতে মৃৎপাত্র ও টাইলসের বিভিন্ন প্রকারের ক্ষেত্রে যে বিকাশ ঘটেছিলো মেসোপটেমিয়া ও ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রসমূহে তা পরবর্তী যুগপর্বে ভিন্ন ভিন্ন শাখা-প্রশাখায় পল্লবিত হয়ে নান্দনিক শিল্পে এক অভাবনীয় বিপ্লব সাধন করেছিলো। আর এরই ধারাবাহিকতায় সেলজুক তুর্কিদের ইরান বিজয় ইসলামী শিল্পকলার বিকাশ ও পুষ্টকরণে বিরাট ভূমিকা পালন করেছিলো।
একাদশ ও দ্বাদশ শতাব্দীর সেলজুক সুলতানগণ শিল্প, বিশেষ করে নান্দনিক শিল্পের বিরাট পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তারা তাদের দরবারে যেমন মার্ভ, নিশাপà§ বাকি অংশ পড়ুন...
৯১ হিজরীর (৭৬ শামসী, ৭০৯ খ্রিস্টাব্দ) পরে মুসলমানগণ স্পেনে প্রবেশ করেন এবং তারা কর্ডোভা এবং অন্যান্য শহরগুলিতে একটি উন্নত সভ্যতা গড়ে তোলেন। স্পেনের ইসলামী সভ্যতা ইরাক, সিরিয়া এবং মিশরের মত শিক্ষাব্যবস্থার সংস্থান করেছিলেন। তেমনটি হয়েছিলো কর্ডোভায় যেমন বাগদাদ, দামেস্ক এবং কায়রোতে ছিলো। খলীফারা বই এবং লাইব্রেরির প্রতি আগ্রহী ছিলেন। চতুর্থ হিজরী শতকে স্পেনে আরবদের সত্তরটির কম গ্রন্থাগার ছিলো না, যা সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো।
স্পেনের সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থাগার (সম্ভবত সেই সময়ে বিশ্বের বৃহত্তম), কর্ডোভাà বাকি অংশ পড়ুন...
ছহীহ হাদীছ শরীফ দ্বারা শবে বরাত প্রমাণিত। রেজালবিদগণ সনদ ছহীহ হওয়ার ব্যাপারে একমত। বিশ্ববিখ্যাত হাদীছ শরীফের কিতাব “ইবনে হিব্বানে” ছহীহ সনদসহ বর্ণনা করেছেন-
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُعَافَى الْعَابِدُ بِصَيْدَا ، وَابْنُ قُتَيْبَةَ وَغَيْرُهُ ، قَالُوا: حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ خَالِدٍ الأَزْرَقُ ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خُلَيْدٍ عُتْبَةُ بْنُ حَمَّادٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، وَابْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ يُخَامِرَ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَطْلُعُ اللهُ إِلَى خَلْقِهِ فِي لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ فَيَغْفِرُ لِجَمِيعِ خَلْقِهِ إِلاَّ لِمُشْرِكٍ أَوْ مُشَاحِنٍ
অর্ বাকি অংশ পড়ুন...
আজকে সালাফীদের এমন একটা ভয়াবহ মিথ্যাচারিতা দেখাবো, যেটা দেখে স্বয়ং ইবলিসও লজ্জা পাবে। চুরি মিথ্যাচারিতার প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে করতে তারা এতই নিচে নেমেছে, যেটা বলার ভাষা নেই। পবিত্র তারাবীহ নামাযকে তারা কোনোভাবেই ২০ রাকাত মানতে পারছে না। কিন্তু তারা না চাইলে কি হবে ২০ রাকাত তো ছহীহ সনদে প্রমাণিত। ফিতনাগ্রস্ত সালাফীদের মস্তিষ্কে একটা বিষয় ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে- কোনো কিছু তাদের মতের খিলাফ হলেই সেটা জাল এবং সেই সনদের সবাই মিথ্যাবাদী হয়ে যায়। নাউযুবিল্লাহ!
(তাওহীদ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বুখারী শরীফ উনার ২য় খন্ড ৩৪০ পৃষ্ঠাঠবাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেকটি অপারেশনের পর সাধারণ কিছু সমস্যা দেখা যায়। যার সমাধানও খুব সহজ আবার কিছু হতে পারে কঠিন। সেগুলো রোগীর এবং রোগীর লোকদের জানা থাকলে তা সহজভাবে ম্যানেজ করা যায়। বড় কোনো অস্ত্রোপচারের পর সেই ক্ষতস্থান বা সেলাইয়ের জায়গাটা বেশ কিছুদিন পর্যন্ত দুর্বল থাকে। যদি এই দুর্বল ফাঁক দিয়ে কোনো কিছু বেরিয়ে আসে, তাকে বলা হয় ইনসিশনাল হার্নিয়া। শরীরের কোনো গঠনগত দুর্বল অংশ দিয়ে যদি ভেতরের কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অংশ বেরিয়ে আসে, তাকে বলা হয় হার্নিয়া।
অস্ত্রোপচারের ধকলের সঙ্গে যদি হার্নিয়া হয়, তাহলে তা অনেক ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর বাকি অংশ পড়ুন...












