SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হায়াত%' OR titleBn LIKE '%হায়াত%' OR descriptionEn LIKE '%হায়াত%' OR descriptionBn LIKE '%হায়াত%' OR slug LIKE '%হায়াত%' OR metaTag LIKE '%হায়াত%' OR metaDescription LIKE '%হায়াত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৩৭। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার মজলিসে যেখানে জায়গা খালি পাবে সেখানেই বসে পড়বে। কেননা, আগতদের জন্য শুন্যস্থানই নির্দিষ্ট থাকে। (ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন)
উদ্ধৃত আয়াত শরীফ থেকে আরো একটি বিষয় পরিস্কার যে, কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার মজলিসে স্থান সংকুলান না হওয়া কিংবা অন্য কোন কারণে কামিল শায়েখ তিনি যদি কাউকে উঠে যেতে বলেন বা কারো উঠে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন অথবা কাউকে বসার জায়গা করে দিতে বলেন, তাতে কোন প্রকার চূ-চেরা না করে উঠে যাওয়া অথবা জায়গা করে দেয়া আবশ্যক। যা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছà বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত ছুমামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি এত দীর্ঘ সময় নামাযে দন্ডায়মান থাকতেন যে, উনার পা মুবারক দু’টি ফেটে রক্ত বের হতো। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)
একবার হযরত ইবরাহীম ইবনে রাবীআ’ রহমতুল্লাহি আলাইহি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট আসলেন। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু একখানা কাপড়ের একপাশ পরে অন্য পাশ গায়ে জড়িয়ে নামাযে মশগুল ছিলেন। নামায শেষ হলে হযরত ইবরাহীম রহমতুল্লাহি আলাইহি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি এভাবে এক কাপড়ে নামায পড়েন? হযরত আনাà বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, এমন কোন রাত্র অতিবাহিত হয় না যে রাত্রে আমি আমার হাবীব (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনাকে স্বপ্নে দেখি না, এতটুকু বলে তিনি ক্রন্দন করতে থাকতেন। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা মুবারক যখন তিনি স্মরণ করতেন তখন খুব অস্থির ও কাতর হয়ে পড়তেন। একদিন তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুর রহমাহ মুবারক বা চেহারা মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিছাল শরীফ:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিছাল শরীফ অর্থাৎ ওফাত শরীফের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ মতে হিজরী ৯৩ সনে তিনি ইন্তিকাল করেন এবং তখন উনার বয়স মুবারক হয়েছিলো ১০৩ বছর। (ইছাবা)
কারণ হিজরতের পূর্বে উনার বয়স মুবারক ছিলো ১০ বছর। (উসুদুল গাবা, সিয়ারু আলামিন নুবালা)
বিছাল শরীফের পূর্বে তিনি কয়েক মাস অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী ছিলেন। উনাকে দেখার জন্য উনার মুহব্বতকারী, ভক্ত-অনুরক্তদের ভীড় লেগেই থাকতো। দূর দূরান্তর থেকে দলে দলে লোকজন উনাকে এক নজর দেখার জন্য আসতো। বিছাল শরীফের সময় ঘনিয়ে আসলà বাকি অংশ পড়ুন...
কর্ম-জীবন:
আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত আমলে সম্মানিত খলীফা আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বাহরাইনে ছদকা আদায়ের দায়িত্বে নিয়োগ করতে ইচ্ছা মুবারক প্রকাশ করেন। এ ব্যাপারে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পরামর্শ চাইলে তিনি বলেন, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বুদ্ধিমান ও লেখাপড়া জানা মানুষ। উনার জন্য যে খেদমতের প্রস্তাব আপনি করেছেন আমি তা সমর্থন করি। অতঃপর সম্মানিত খলীফা আলাইহিস সালাম উনাকে বাকি অংশ পড়ুন...
৩৬। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা কোন বিষয়ে তলব করলে তৎক্ষনাৎ উনার ডাকে সাড়া দিবে।
“ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন” কিতাবে উল্লেখ আছে, “হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নফল নামায ত্যাগ করে মুর্শিদ কিবলা উনার ডাকে সাড়া দেয়া কল্যাণকর এবং তার ছওয়াব অনেক বেশী।
কেননা একবার আমি নফল নামাযে রত থাকাকালীন আমার মুর্শিদ কিবলা, সুলতানুল হিন্দ, হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে নামায ছেড়ে দিয়ে উনার ডাকে সাড়া দিলাম। তিনি বললেন, আসুন! আমি উনার খিদমতে হাযির হলাম। বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমার মা উনার সম্মানিত আহাল হযরত আবু তালহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পক্ষের আবু উমাইর নামে একজন ছোট ছেলে ছিলেন, যিনি আমার বৈপিত্রীয় ভাই। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের বাড়ীতে আসলে উনার সাথে মাঝে মধ্যে খুশি প্রকাশ করতেন। একদিন দেখলেন, আবু উমাইর মুখ ভার করে বসে আছেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জিজ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, সেদিন থেকে আমি দশ বৎসর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক করেছি। এ দীর্ঘ সময়ের মধ্যে তিনি কখনও আমার উপর নারাজ হননি।
আমার কোন কাজের জন্য কখনও বলেননি, এ কাজটি আপনি কেন করলেন? আর আমি এমন কোনও কাজ করিনি, যে কাজের জন্য তিনি কখনও বলেননি, আপনি ভুল করেছেন, খুব খারাপ করেছেন।
এভাবে হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পা বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
নাম মুবারক আনাস, কুনিয়াত বা উপনাম মুবারক আবু হামযাহ, লক্বব মুবারক খাদিমু রসূলিল্লাহ, পিতার নাম মালিক ইবনে নদ্বর, মাতার নাম হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার আসল নাম নিয়ে মতভেদ আছে, যেমন সাহলা, রুমায়লা, রুমায়সা ইত্যাদি।
বিলাদত শরীফ ও পারিবারিক জীবন:
মদীনা শরীফের বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনু নাজ্জার শাখায় হিজরতের দশ বছর পূর্বে ৬১২ খৃ: সনে হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু পবিত্র বিলাদত শরীফ লাভ করেন। (আল-আ’লাম)
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চাচা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইউনূস তিনি হযরত ইবনে ইসহাক উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, মুশরিকদের পতাকা বহনকারী কাট্টা কাফির তালহা ইবনে আবূ তালহা আবদারী সেদিন যুদ্ধ করার জন্য ময়দানে হাজির হয়ে দ্বন্দ্ব যুদ্ধের আহবান জানাচ্ছিলো। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা তার নিকট থেকে একটু দূরে সরে অবস্থান করছিলেন। সর্বপ্রথম সাইয়্যিদুনা হযরত যুবায়ের ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তার মোকাবিলায় এগিয়ে গেলেন এবং তাকে আক্রমণ করলেন।
এক সময় হযরত যুবায়ের ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তার উটের উপর চড়ে বসলেন আর তাকে à বাকি অংশ পড়ুন...












