রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছ-এ কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “বান্দা-বান্দীরা নফল বা সুন্নত মুবারক প বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখার গুরুত্ব, ফযীলত সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক হয়েছে:
(১) যে ব্যক্তি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ছয়টি রোযা রাখবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে শাস্তির শৃংখল ও কঠোর জিঞ্জিরের বেষ্টনী হতে নাযাত দিবেন। সুবহানাল্লাহ!
(২) যে ব্যক্তি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ৬টি রোযা রাখবে, তার আমলনামায় প্রত্যেক রোযার পরিবর্তে সহ¯্র রোযার ছওয়াব লিখে দেয়া হবে। সুবহানাল্লাহ!
(৩) যে ব্যক্তি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে রোযা রাখবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার জন্য দোযখের আগুন হার বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
উল্লেখিত আলোচনা থেকে اَنْزَلَ ও نَزَّلَ শব্দদ্বয় উনাদের পার্থক্য স্পষ্টভাইে বুঝা গেলো।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে কখন থেকে পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল হওয়া শুরু হয়েছে?
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন-
بَعَثَهُ اللهُ تَعَالٰى عَلٰى رَأْسِ أَرْبَعِيْنَ سَنَةً
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উ বাকি অংশ পড়ুন...
নাটোর সংবাদদাতা:
সিংড়া উপজেলায় বিএনপির এক নেতাকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত বুধবার রাত ১১ টার দিকে উপজেলার কলম ইউনিয়নের কুমার পাড়ায় তার বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রেজাউল করিম কুমার পাড়া মহল্লার ছাবেদ আলীর ছেলে ও উপজেলা জিয়া পরিষদের সদস্য এবং বিল হালতি ত্রিমোহনী ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন।
এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে রেজাউল করিমের সমর্থকরা প্রতিবেশী ওহাব আলী নামে একজনের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় আগুনে পুড়ে ওহাব আলীর বৃদ্ধা মা ছাবিহা বেগমের মৃত্যু হয়।
নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায় বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে আখেরী উম্মত তথা আমাদেরকে অসংখ্য, অগণিত নিয়ামত মুবারক হাদিয়া করেছেন। আর সেই অসংখ্য, অগণিত নিয়ামত মুবারক উনাদের মধ্যে বিশেষ একখানা নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন- পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার মধ্যরাত্রি মুবারক যা আমাদের এই অঞ্চলে পবিত্র শবে বরাত নামেই মশহূর। যাকে পবিত্র কুরআন শরীফে ‘লাইলাতুম মুবারকাহ’ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফে ‘লাইলাতুন নিছফে মিন শা’বান’ বলে নামকরণ করা হয়েছে। আমাদের এই বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিতা মাতার নাম হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। তিনি একজন বিখ্যাত ছাহাবীয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্না উনাদের অর্ন্তভুক্ত। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলতেন, আমার উপর আমার মাতা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার সবচাইতে বড় অনুগ্রহ হলো, তিনি আমাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে পাঠিয়ে আমাকে মানুষ হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি ছিলেন পব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ইমামদের ব্যবহৃত পারিভাষিক ভাষাসমূহের পার্থক্য:
হাফিয ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, বিশেষ বিশেষ ইমাম উনাদের বিশেষ বিশেষ পরিভাষা রয়েছে, সেগুলো জেনে রাখা আবশ্যক। (ইখতেছারু উলুমিল হাদীছ ১০৫ পৃষ্ঠা)
সকল ইমাম উনাদের ব্যবহৃত পরিভাষা একই রকম হয় না। একজনের পারিভাষিক ভাষায় যেই বর্ণনা গ্রহণই করা যায় না, আবার অন্য কোন মুহাদ্দিছ উনার সেই ভাষায় তা গ্রহণ করতে কোন সমস্যা থাকে না। কতিপয় উদাহরণ পেশ করা হলো-
(১) আমীরুল মু’মিনীন ফিল হাদীছ ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যখন কোন রাবী সম্পর্কে বলেন, منكر الحديث ( বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যুগ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত চলে আসা প্রতিষ্ঠিত এবং সর্বজনস্বীকৃত একটি ইবাদত হচ্ছে, পবিত্র ছলাতুল জুমুয়াহ উনার পূর্বের ৪ রাকায়াত নামায বা ‘ক্বাবলাল জুমুয়াহ’; যা সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। এটা মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারাই সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত।
কিন্তু বাতিলপন্থিরা এই পবিত্র নামায নিয়ে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ, মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্ত্রিকর ও গোমরাহীমূলক বক্তব্য দেয়। তারা প্রচার করছে- ‘জুমুয়ার আগে বিধিবদ্ধ কোন সুন্নত নামায নেই, এর কোনো দলীল নেই। এমনকি তাদের মধ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
অধিক ইবাদত করেছো বলেও অহংকার করো না। কারণ, ইবলিস ৬ লক্ষ বছর ইবাদত-বন্দেগী করেছিলো। ভেবে দেখো তার কি পরিণতি হয়েছিলো। অধিক ইলিম শিক্ষা করেছো বলেও অহংকার-গর্বে ফেটে পড়ো না। কেননা বালয়াম বিন বাউরা এতো ইলিম শিক্ষা করেছিলো যে, যুগশ্রেষ্ঠ ১০ হাজার আলিম তার কাছে তা’লীম নিতো। সে ছিলো মুস্তাজাবুদ দাওয়াত। সে যা দোয়া করতো মহান আল্লাহ পাক তিনি তাই কবুল করতেন। ৩০০ বছর সাধনা করে ‘ইসমে আ’যম’ আয়ত্ব করেছিলো। অথচ তার নিন্দায় কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সে কুকুরের ন্যায়। কুকুরের উপর বোঝা চাপিয়ে দিলে হাঁপাতে থাকে। আর না চ বাকি অংশ পড়ুন...
মুক্বাদ্দিমাহ (ভূমিকা)
اَلْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَلَمِيْنَ وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى سَيِّدِ الْاَنْبِيَاءِ وَالْمُرْسَلِيْنَ وَعَلَى اَهْلِ بَيْتِهِ مُحْىِ سُنَّتِهِ الشَّيْخِ السُّلْطَانِ النَّصِيْرِ اِمَامِ الطَّرِيْقَةِ وَالْاَوْلِيَاءِ الْكَامِلِيْنَ وَاَهْلِ بَيْتِهِ الْكَرِيْمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ اَجْمَعِيْنَ. اما بعد-
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ومَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
অর্থ: “আমি জ্বীন ও ইনসান জাতিকে একমাত্র আমার মহাসম্মানিত ইবাদত-বন্দেগী করার জন্য সৃষ্টি করেছি। ” (পবিত্র সূরা জারিয়াত শরীফ: ৫৬)
কাজেই, মানব জীবনের প্রধানতম একটি উদ্দেশ্য হলো সম্মানিত ইবাদত করা। আর এই ই বাকি অংশ পড়ুন...
মুক্বাদ্দিমাহ (ভূমিকা)
اَلْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَلَمِيْنَ وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلَى سَيِّدِ الْاَنْبِيَاءِ وَالْمُرْسَلِيْنَ وَعَلَى اَهْلِ بَيْتِهِ مُحْىِ سُنَّتِهِ الشَّيْخِ السُّلْطَانِ النَّصِيْرِ اِمَامِ الطَّرِيْقَةِ وَالْاَوْلِيَاءِ الْكَامِلِيْنَ وَاَهْلِ بَيْتِهِ الْكَرِيْمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ اَجْمَعِيْنَ. اما بعد-
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ومَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنْسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
অর্থ: “আমি জ্বীন ও ইনসান জাতিকে একমাত্র আমার মহাসম্মানিত ইবাদত-বন্দেগী করার জন্য সৃষ্টি করেছি। ” (পবিত্র সূরা জারিয়াত শরীফ: ৫৬)
কাজেই, মানব জীবনের প্রধানতম একটি উদ্দেশ্য হলো সম্মানিত ইবাদত করা। আর এই ই বাকি অংশ পড়ুন...












