SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হবেনা%' OR titleBn LIKE '%হবেনা%' OR descriptionEn LIKE '%হবেনা%' OR descriptionBn LIKE '%হবেনা%' OR slug LIKE '%হবেনা%' OR metaTag LIKE '%হবেনা%' OR metaDescription LIKE '%হবেনা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
গোঁফ খাটো করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক:
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرتْ أَبي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ اَلْفِطْرَةُ خَمْسٌ أَوْ خَمْسٌ مِنَ الْفِطْرَةِ ـ الْخِتَانُ، وَالاِسْتِحْدَادُ، وَنَتْفُ الإِبْطِ، وَتَقْلِيمُ الأَظْفَارِ، وَقَصُّ الشَّارِبِ
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফিতরাত অর্থাৎ মানুষের জন্মগত স্বভাব পাঁচটি- (পুরুষের জন্য) খৎনা করা, (নাভীর নিচের পশম কাটার জন্য) ক্ষুর ব্যবহার করা, বগলের পশম উপড়ে ফেলা, নখ কাটা ও গোঁফ খাটো করা। (মুসলিম শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
সারাদেশ থেকে ঢাকায় আগত অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং ঢাকামূখী জনস্রোত ঢাকায় যানজট সহ বিবিধ সমস্যা তৈরী করেছে। মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ওভারপাস ইত্যাদি নির্মাণের মাধ্যমে এসব সমস্যা নিরসন সম্ভব নয়। যতক্ষণ পর্যন্ত ঢাকায় আগত অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং ঢাকামূখী জনস্রোত বন্ধ করা না যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত এর স্থায়ী সমাধান হবেনা। আর তা সম্ভব কেবল ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং সারাদেশে জেলা, থানা থেকে শুরু করে গ্রামীণ পর্যায়ে সুষম উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃস্টির মাধ্যমে।
এ বিষয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন না বাকি অংশ পড়ুন...
ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে গতকাল জুমুয়াবার এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ও কুফরী শক্তির নানামুখী চক্রান্তের প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশে উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা দেশ ও দ্বীন সুরক্ষায় সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১০ দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে গতকাল জুমুয়াবার এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ও কুফরী শক্তির নানামুখী চক্রান্তের প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশে উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা দেশ ও দ্বীন সুরক্ষায় সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১০ দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
(GSOMIA - General Security of Military Information Agreement) এবং আকসা (ACSA - Acquisition and Cross-Servicing Agreement) চুক্তি দুটি নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে একটি বড় ফিৎনা ইঙ্গিত দেয়। ওয়াশিংটন একে সামরিক প্রযুক্তি আধুনিকায়নের সাধারণ আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে দেখালেও, দেশীয় সমালোচক ও আঞ্চলিক কৌশলবিদরা এর পেছনে কিছু দীর্ঘমেয়াদী ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছে।
বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক চূক্তি (ART Agreement on Reciprocal Trade)-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তির সাথে এই সামরিক চুক্তিগুলোর সংযোগ দেশের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ঝুঁকিসমূহ: এক নজরে জিসোমিয়া বনাম আকসা :
চু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব মাহবুব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “দেখ- আমি দু’টো নসীহত তোমাদের জন্য রেখে যাচ্ছি। একটা হচ্ছে- কথা বলে, আর একটা কথা বলে না। যেটা কথা বলে সেটা হচ্ছে- পবিত্র কুরআন শরীফ। পবিত্র কুরআন শরীফ পড়ে পড়ে নসীহত হাছিল করবে। আর যেটা কথা বলে না, সেটা হচ্ছে- নির্বাক-মৃত্যু, কথা বলেনা। মৃত্যু দেখে দেখে নসীহত হাছিল করবে।”
কাজেই প্রত্যেক ব্যক্তিরই দায়িত্ব হচ্ছে পবিত্র কুরআন শরীফ পড়ে পড়ে নসীহত হাছিল করবেন এবং মৃত্যু দেখে দেখে নসীহত হাছিল করবেন, অন্তর থেকে দুনিয়ার মুহব্বত দূর করে দিবে বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার অনুসরণ করো।” মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সম্মানিত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাস্ বাকি অংশ পড়ুন...
মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বিরোধী ইমামের পিছনে কোন নামাযই হবে না। তা পাঞ্জেগানা হোক কিংবা জুমুআ ও ঈদের নামায হোক।
সাধারণভাবে পাঁচওয়াক্ত ও জুমুআর নামায জামায়াতে পড়ার জন্য পুরুষরা মসজিদে গিয়ে পড়ে থাকেন। এক্ষেত্রে যিনি মসজিদের ইমাম থাকবেন উনার আক্বীদা ও আমল উভয়ই অবশ্যই শুদ্ধ হতে হবে। অর্থাৎ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদায় বিশ্বাসী হতে হবে। আর সম্মানিত শরীয়ত ও সুন্নত মুবারক অনুযায়ী আমলের অনুসারী হতে হবে।
যে ব্যক্তির আক্বীদা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের অনুযায়ী হবেনা, সে ঈমানদার নয়। অথচ ইমাম হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
বিগত পর্বসমূহের দলীলভিত্তিক আলোচনা থেকে যে বিষয়গুলো প্রমাণিত হলো তার সারসংক্ষেপ:
১. মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরবানী করতে আদেশ মুবারক করেছেন। আর মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক পালন করা আবশ্যক। তাই সম্মানিত শরীয়তে সামর্থ্যবান সবার জন্য কুরবানী করা ওয়াজিব করা হয়েছে।
২. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রত্যেক পরিবারকে পবিত্র কুরবানী মুবারক করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। উনার আদেশ মুবারক পালন করাও আবশ্যক। তাই সম্মানিত শরীয়তে সামর্থ্যবান সবার জন্য কুরবানী করা ওয়াজিব করা হয়েছে।
বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ سَنَّ فِي الإِسْلاَمِ سُنَّةً حَسَنَةً فَلَهٗ أَجْرُهَا وَأَجْرُ مَنْ عَمِلَ بِهَا مِنْ غَيْرِ أَنْ يَنْتَقِصَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا ، وَمَنْ سَنَّ فِي الْإِسْلاَمِ سُنَّةً سَيِّئَةً فَعَلَيْهِ وِزْرُهَا وَوِزْرُ مَنْ يَعْمَلُ بِهَا مِنْ غَيْرِ أَنْ يَنْتَقِصَ مِنْ أَوْزَارِهِمْ شَيْئًا.
অর্থ: ‘যে ব্যক্তি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে কোন উত্তম বিষয় তথা (বিলুপ্ত) মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক (উনার আমল) জারী করলো, সে তার প্রতিদান পাবে এমনকি সে অনুযায়ী যতজন আমল করবে তার জন্য প্রত্যেকের সমান ছাওয়াবের অধিকারী সে হবে, ত বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্বের পর্বগুলোতে অকাট্য দলীলের ভিত্তিতে প্রমাণ করা হয়েছে, সামর্থ্যবান প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরবানী দেয়া ওয়াজিব।
যারা বলে, “পবিত্র কুরবানী করা একটি সাধারণ ইবাদত, যতো সম্পদশালী হউক না কেন পবিত্র কুরবানী করলে ছাওয়াব আছে আর না করলে কোনো গুনাহ হবেনা। না‘উযুবিল্লাহ! এখানে পবিত্র কুরবানী সম্পর্কে তাদের গুরু ইবনে তাইমিয়ার মত উল্লেখ করা হলো।
তথাকথিত আহলে হাদীছ ওরফে আহলে হদছ, ওহাবী, সালাফী, লা-মাযহাবীদের গুরু ইবনে তাইমিয়ার মতেও কুরবানী করা ওয়াজিব:
وَأَمَّا الْأُضْحِيَّةُ فَالْأَظْهَرُ وُجُوبُهَا أَيْضًا فَإِنَّهَا مِنْ أَعْظَمِ شَعَائِرِ الْإِسْل বাকি অংশ পড়ুন...












