উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ
, ০৯ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৬ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৫ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম তিনি প্রকাশ্যে মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পর উম্মু আবীহা আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রায় দেড় বছর দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন,উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট হাযির হওয়ার জন্য রওয়ানা মুবারক হন। পথিমধ্যে উনার উপর আক্রমণ চালালে তিনি উটের পিঠ থেকে যমীনে তাশরীফ মুবারক নেন। অন্য বর্ণনায় রয়েছেন, তিনি পাথরের উপর তাশরীফ মুবারক নেন, যার কারণে প্রচ- আঘাত মুবারক গ্রহণ করেন। তিনি তখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হামেলা শান মুবারক-এ ছিলেন। আঘাতের কারণে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আওলাদ সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনে যিন নূর আলাইহিস সালাম) তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ অবস্থায় দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন। তখন আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনেক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুন নাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রক্ত মুবারক) প্রবাহিত হন। এর ফলে তিনি দীর্ঘ দিন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মারিদ্বী শান মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অসুস্থতা মুবারক) প্রকাশ করেন এবং এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মারিদ্বী শান মুবারক প্রকাশ করা অবস্থায়ই ৮ম হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৮ই মুহাররমুল হারাম শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার) ইশরাকের ওয়াক্তে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
এই কারণে সীরাত বিশারদগণ উনাদের কেউ কেউ উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে বলেছেন যে, তিনি সম্মানিত শাহাদাত মুবারক উনার সম্মানিত মাক্বাম মুবারক উনাকে সম্মানিত করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গোসল মুবারক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম তিনি, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাদিসাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু আয়মন আলাইহাস সালাম) তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু আতিয়্যাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনারা সকলেই উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গোসল মুবারক-এ শরীক ছিলেন। হযরত উম্মু আতিয়্যাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা তিনি বলেন, আমি উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গোসল মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়েছিলাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স¦য়ং নিজে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গোসল মুবারক উনার নিয়ম মুবারক বলে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রথমে তিন বা পাঁচবার প্রত্যেক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অঙ্গ মুবারক ধৌত করবেন। অতঃপর কর্পূর মুবারক লাগাবেন। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কাফন মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় চাদর মুবারক প্রদান:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত উম্মে আতিয়্যাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনাকে বলেন যে, সম্মানিত গোসল মুবারক সম্পন্ন করে আমাকে জানাবেন। গোসল মুবারক শেষে উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ জানানো হলে তিনি উনার একখানা সম্মানিত চাদর মুবারক দেন এবং বলেন, এটা সম্মানিত কাফন মুবারক উনার সাথে পরিধান করাবেন। সুবহানাল্লাহ!
অতঃপর সম্মানিত কাফন মুবারক সম্পন্ন করা হয়।
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছলাতুল জানাযা মুবারক এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রওযা শরীফ-এ রাখা:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স¦য়ং নিজে উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছলাতুল জানাযা মুবারক পড়ান এবং তিনি নিজে উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রওযা শরীফ-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আওলাদ উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রওযা শরীফ-এ রাখেন। সুবহানাল্লাহ! তখন উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুর রহমত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক-এ) উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত জুদায়ী মুবারক উনার কারণে শোকের চিহ্ন মুবারক ভেসে উঠেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আওলাদ, উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত জুদায়ী মুবারক উনার কারণে অনেক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুহব্বত মুবারক প্রবাহিত করেন (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কান্না মুবারক করেন) এবং উনার জন্য মহাসম্মানিত দো‘আ মুবারক করেন, “আয় বারে ইলাহী মহান আল্লাহ পাক! আপনি উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুশকিল আসান করুন, কষ্ট দূর করুন, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রওযা শরীফ উনার সংকীর্ণতা প্রশস্ত করুন।” সুবাহানাল্লাহ!
তিনি ৩০ বছর ৬ মাস ১৭ দিন দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মধ্যে তিনিই সর্বাধিক সময় দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ!
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
৭. ক) বৎসরের প্রথম দিন উপলক্ষে ভালো খাবার খাওয়া বা খাওয়ার নিয়ত করা সুস্পষ্ট কুফরী। খ) বরং ভালো খাবার খেতে হবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন। গ) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন ভালো খাবার খেলে এক বৎসরের স্বচ্ছলতা লাভ করা যাবে:
عَنْ حَضَرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ وَّسَّعَ عَلٰى عِيَالِهٖ فِى النَّفَقَةِ يَوْمَ عَاشُوْرَاءَ وَسَّعَ اللهُ عَلَيْهِ سَائِرَ سَنَتِهٖ
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন তার পরিবার-বর্গকে ভালো খাওয়াবে-পরাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি সারা বছর তাকে স্বচ্ছলতা দান করবেন।” সুবহানাল্লাহ! (ত্ববারনী শরীফ ৩/১২১, শু‘আবুল ঈমান ৫/৩৩১, ফাদ্বাইলুল আওক্বাত লিল বাইহাক্বী ১/৪৫২, তারতীবুল আমালী ১/২৩১, মু’জামু ইবনিল আ’রাবী ১/১৪০, মা-ছাবাতা-বিস্সুন্নাহ্ ইত্যাদি)
৮. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে দুটি রোযা রাখতে হবে। একটি রোযা রাখা মাকরূহ:
عَنْ حَضَرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صُوْمُوا التَّاسِعَ وَالعَاشِرَ وَخَالِفُوْا فِيْهِ الْيَهُوْدَ
অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আপনারা ইহুদীদের খেলাফ করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার ৯ ও ১০ তারীখে রোযা রাখুন।” (তিরমিযী শরীফ)
উপরোক্ত বিষয়ে যেমন আক্বিদা শুদ্ধ রাখতে হবে। তদ্রƒপ নি¤েœর বিষয় সম্পর্কেও আক্বিদা শুদ্ধ রাখতে হবে। তা বর্ণনা করা হলো-
৯. একজন রোযাদারকে ইফতার করালে সমস্ত উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে ইফতার করানোর ফযীলত লাভ করা যাবে।
১০. কোনো ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলালে, কোনো ক্ষুধার্তকে খাদ্য খাওয়ালে এবং কোনো পিপাসার্তকে পানি পান করালে, তাকে জান্নাতের দস্তরখানায় খাদ্য খাওয়ানো হবে এবং ‘সালসাবীল’ ঝর্ণা থেকে পানীয় (শরবত) পান করানো হবে।
১১. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন মেশ্ক মিশ্রিত সুরমা চোখে দিলে সেদিন হতে পরবর্তী এক বছর তার চোখে কোনো প্রকার রোগ হবে না।
১২. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন গোসল করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে সমস্ত প্রকার রোগ থেকে মুক্তি দান করবেন। মৃত্যু ব্যতীত তার কোন কঠিন রোগ হবেনা।
১৩. সে অলসতা ও দুঃখ-কষ্ট হতে নিরাপদ থাকবে। সুবহানাল্লাহ!
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আবূ আহমাদ ছিদ্দীক্বাহ্।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শ্রেষ্ঠতম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বানাত আলাইহাস সালাম
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এক নযরে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফযালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত তাসি‘আহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে পূর্ববর্তী আসমানী কিতাব মুবারক-এ আলোচনা মুবারক
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এক নযরে মালিকু আহলি বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, মালিকুল জান্নাহ, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, মালিকুল কায়িনাত সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারককালে সম্মানিত মুসলমান উনাদের প্রাচুর্যতা
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত হিজরত মুবারক:
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এক নযরে সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আফযালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পরিচিতি মুবারক
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মহাসম্মাতি ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আযীমুশ শান নিসবতে ‘আযীম শরীফ
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যে ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে মুহব্বত করলো সে যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেই মুহব্বত করলো
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল সম্মানিত শান মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ মুবারক
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার তরফ থেকে নীলনদের প্রতি সম্মানিত ফরমান মুবারক
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৬শে যিলহজ্জ শরীফ- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল খ্বামিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












