SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%স্বীয়%' OR titleBn LIKE '%স্বীয়%' OR descriptionEn LIKE '%স্বীয়%' OR descriptionBn LIKE '%স্বীয়%' OR slug LIKE '%স্বীয়%' OR metaTag LIKE '%স্বীয়%' OR metaDescription LIKE '%স্বীয়%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৩৮। মুর্শিদ কিবলা উনার জাহিরী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি লক্ষ্য করবে না। বরং উনার বাতিনী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি সর্বদা মুতাওয়াজ্জেহ বা রুজু থাকবে।
অনুরূপভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মি’রাজ শরীফের রাতে মহান আল্লাহ পাক উনার দীদার মুবারক লাভ করে প্রত্যাবর্তন করেন। সকালে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের নিকট তার বর্ণনা দিতে লাগলেন। বাইতুল মুকাদ্দাস গমন করে সেখান থেকে সাত আসমান অতিক্রম করে, জান্নাত-জাহান্নাম দেঠবাকি অংশ পড়ুন...
৩৮। মুর্শিদ কিবলা উনার জাহিরী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি লক্ষ্য করবে না। বরং উনার বাতিনী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি সর্বদা মুতাওয়াজ্জেহ বা রুজু থাকবে।
(এ কথার অর্থ এটা নয় যে, মুর্শিদ কিবলা জাহিরীভাবে শরীয়তের খিলাফ কাজ করবেন। আর বাতিনীভাবে ওলীআল্লাহ থাকবেন। বরং যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হবেন তিনি জাহিরী ও বাতিনী উভয় অবস্থায়ই শরীয়তের পূর্ণ পাবন্দ হবেন। যে ব্যক্তি জাহিরী ও বাতিনী উভয় দিক থেকে শরীয়তের পাবন্দ নয় সে কখনো ওলীআল্লাহ নয়, বরং তার বিপরীত হবে। মূলতঃ একথার দ্বারা ঐ কথার প্রতি ইশারা করা হয়েছে যে, কাফিররা মহান আল্লাহ পাক উনার à বাকি অংশ পড়ুন...
এই সমাজ থেকে দ্বীন ইসলাম উঠিয়ে দেয়াই তাদের লালন ফফিকের মূল লক্ষ্য। মুসলমাননের শত্রু, দ্বীন ইসলামের শত্রু। ফকির লালনের কয়েকটা গান-যা নিন্মে তুলে ধরা হলো-
এমন মানব সমাজ কবে গো সৃজন হবে,
যেদিন হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান জাতি গোত্র নাহি রবে,
ধর্ম-কুল গোত্র জাতির, তুলবে নাগো কেহ জিকির,
কেঁদে বলে লালন ফকির কে মোরে দেখায়ে দেবে। -(মহাত্মা লালন, পৃ. ১১৩)
সবে বলে লালন ফকির হিন্দু কি যবন,
লালন বলে আমার আমি
না জানি সন্ধান। -(মহাত্মা লালন, পৃ. ৫০)
সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে, লালন বলে জাতের কি রূপ
দখলাম না এই নজরে, জগৎ জুড়ে জাতের কথা
লাকে গল্প ক বাকি অংশ পড়ুন...
৩৭। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার মজলিসে যেখানে জায়গা খালি পাবে সেখানেই বসে পড়বে। কেননা, আগতদের জন্য শুন্যস্থানই নির্দিষ্ট থাকে। (ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন)
উদ্ধৃত আয়াত শরীফ থেকে আরো একটি বিষয় পরিস্কার যে, কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার মজলিসে স্থান সংকুলান না হওয়া কিংবা অন্য কোন কারণে কামিল শায়েখ তিনি যদি কাউকে উঠে যেতে বলেন বা কারো উঠে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন অথবা কাউকে বসার জায়গা করে দিতে বলেন, তাতে কোন প্রকার চূ-চেরা না করে উঠে যাওয়া অথবা জায়গা করে দেয়া আবশ্যক। যা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছà বাকি অংশ পড়ুন...
৩৭। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার মজলিসে যেখানে জায়গা খালি পাবে সেখানেই বসে পড়বে। কেননা, আগতদের জন্য শুন্যস্থানই নির্দিষ্ট থাকে। (ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন)
কোন ব্যক্তি যদি শয়তানের প্ররোচনা, নফসের ধোঁকা ইত্যাদি নানা প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে কামিল শায়েখ উনার দরবারে গমন করে উনার মজলিসে সামান্যতম ঠাঁই পায় সেটাই তার জন্য গণিমতস্বরূপ। তার জন্য শুকুর আদায় করা কর্তব্য।
উল্লেখ্য, এ ক্ষেত্রে মজলিসের শেষেও যদি কেউ স্থান পায় তবে সেখানেই বসা শুকুরগুজারির লক্ষণ। কিন্তু কেউ যদি তা ভঙ্গ করে সামনে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করে তবে তা হবে মজলিসের আদঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৪৩৯)
{والصديقين} كافاضل صحابة الانبياء عليهم السلام. والصديق: المبالغ فى صدق ظاهره بالمعاملة وباطنه بالمراقبة او الذي يصدق قوله بفعله، {والشهداء} والذين استشهدوا فى سبيل الله {والصالحين} ومن صلحت احوالهم وحسنت اعمالهم.
অর্থ: (ছদিক্বীন) হচ্ছেন হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের মর্যাদাময় সঙ্গীগণ উনারা। ‘ছিদ্দীক’ শব্দখানা ইসমু ফায়িল মুবালাগাহ। যিনি বাহ্যিক আমলে সত্যবাদী এবং আভ্যন্তরীণ ব্যাপারেও সজাগ তিনিই ছিদ্দীক, অথবা যিনি উনার কথাকে স্বীয় কাজ দ্বারা সত্যায়ন করেন তিনিই ছিদ্দীক।
(শুহাদা) যারা মহান আল্লাহ পাক উনার পথে নিজেদের জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছেন উনারাই শুহাদা।
(ছলিহীন) যারা নিজেদের অবঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৭ম পর্ব)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার যেমন অসংখ্য ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। ঠিক বাস্তবেও পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার বিস্ময়কর অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। নিম্নে সেখান থেকে কতিপয় ঘটনা বর্ণনা করা হলো-
৭. একবার পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠের বরকতে ৭০ হাজার কবরবাসীর আযাব বন্ধ হয়ে গেলো:
فلما انتبهت جاءت إلى الحسن رحمة الله عليه فأخبرته بالقصة فقال لها تصدقي بصدقة لعل الله يعفو عنها ونام الحسن تلك الليلة فرأى كأنه في روضة من رياض الجنة ورأى سريراً منصوباً وعليه جارية حسناء جميلة وعلى رأسها تاج من نور
‘অতঃপর উক্ত মহিলা জাগ্রত হয়ে হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ২৮ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উল্লেখ করে বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ঐ ব্যক্তিকে অনুসরণ করà বাকি অংশ পড়ুন...
প্রকাশ থাকে যে, পবিত্র হাদীছ শরীফ ওহী মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ওহী মুবারক ব্যতীত নিজের থেকে কোন কথা মুবারক বলেন না।” (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩, ৪)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “হযরত মিক্বদাম ইবনে মা’দী কারিব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, জেনে রাখো, আমাকে পবিত্র কুরআন শরীফ দেয়া হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
* পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
‘নিশ্চয়ই আকাশ ও পৃথিবীর সৃজনে আর রাত ও দিনের ক্রমাবর্তনে সে সকল লোকদের জন্য অসংখ্য নির্দশন বিদ্যমান’। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : ৩/১৯০)
* পবিত্র কুরআন শরীফে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম সম্পর্কে উদ্ধৃত হয়েছে- ‘যখন হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তিনি উনার চাচা ও উনার সম্প্রদায়কে বললেন, এই মূর্তিগুলো কি যাদের পূজায় তোমরা রত রয়েছ। তারা বলল, আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে এদের পূজা করতে দেখেছি। তিনি বললেন, তোমরা নিজেরা এবং তোমাদের পিতৃ-পুরুষরাও রয়েছ স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে। তারা বলল, আপনি কি আমাদের নি বাকি অংশ পড়ুন...












