SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সুলতানের%' OR titleBn LIKE '%সুলতানের%' OR descriptionEn LIKE '%সুলতানের%' OR descriptionBn LIKE '%সুলতানের%' OR slug LIKE '%সুলতানের%' OR metaTag LIKE '%সুলতানের%' OR metaDescription LIKE '%সুলতানের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। বিশ্বব্যাপী পালিত হবে পবিত্র কুরবানীর ঈদ। মুসলমানরা এই দিনে পশু কুরবানী করবেন মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের জন্য। পাশাপাশি, সম্মানিত শরীয়ত উনার রীতিনীতি পালনের মাধ্যমে এই দিনে মুসলমানগণ খুশি প্রকাশ করে থাকেন। পূর্বের মুসলমান শাসনগুলোতেও পবিত্র কুরবানীর ঈদ বিশেষ রীতিনীতির সাথে পালিত হতো। বিশেষ করে পবিত্র এই দিবস উনার সাথে ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় সালতানাতের বিশেষ কিছু তাহযীব জড়িত রয়েছে।
তুরস্কে পবিত্র কুরবানীর ঈদ ‘কুরবান বাইরাম’ নামে পরিচিত। উসমানীয়রা পবিত্র কুরবানীর ঈদ অত্যন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের মালদা জেলার পান্ডুয়াতে রয়েছে মুসলমানদের অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন। হারিয়ে যাওয়া যুগের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এখানকার বিভিন্ন ইসলামিক স্থাপত্য। যেমন আদিনা মসজিদ, কুতুব শাহি মসজিদ, একলাখি মাজারসৌধ কিংবা বিভিন্ন আউলিয়ায়ে ক্বিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের মাজার শরীফ। বাংলা স্বাধীন সুলতান শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ এখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। ইলিয়াস শাহি বংশের বেশ কয়েকজন সুলতান শাসনকার্য চালাতেন এখান থেকেই। এই শহরের আরেক নাম ছিলো ফিরোজাবাদ, যে নাম সম্ভবত বাংলার আরেক সুলতান শামসউদ্দিন ফিরোজ শাহের থেকে এসেছে। টাঁক বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক কসতুনতুনিয়া অর্থাৎ ইস্তানবুল বিজয় করে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন উসমানীয় সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইস্তানবুল বিজয়ের যে ভবিষ্যৎবাণী মুবারক প্রদান করেছিলেন তার বাস্তবায়ন করেছিলেন সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ রহমতুল্লাহি আলাইহি। আর উনার এই অসামান্য বিজয়ের পেছনে অন্যতম অবদান হলো উনারই সম্মানিত শায়েখ হযরত আক শামসুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি।
উনার পুরো নাম মুহম্মদ শামসুদ্দীন ইবনে হামজা রহমতুল্লাহি আলাইহি। তবে তিনি ‘শায়েখ আক শামস বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস বিশেষ তাৎপর্যমন্ডিত। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে লাখো কোটি ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। আবার পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ঘিরে মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে প্রচলিত রয়েছে অত্যন্ত ইতমিনানী বিভিন্ন তর্জ-তরীকা। বিশেষ করে মুসলিম সালতানাতগুলোতে সে সময় বিভিন্ন নিয়ম প্রচলিত ছিলো। আজকের পর্বে আমরা জানবো পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ঘিরে উসমানীয় সালতানাতে কি কি রীতির প্রচলন ছিলো।
উসমানীয় সালতানাতে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের আগমন বিশেষ উৎসবমুখর পরি বাকি অংশ পড়ুন...
দুই কুচক্রী ইহুদীর কঠিন পরিণতি:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, হযরত সুলতান নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন সম্মানিত ইসলাম উনার একজন অন্যতম বীর সিপাহসালার, ইনসাফগার সুলতান এবং বিশিষ্ট বুযূর্গ। উনার সম্মানিত মাজার শরীফ সিরিয়ার দামেস্কে অবস্থিত।
তারীখুল খমীস, নুযহাতুন নাযিরীনসহ আরো অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, “নিশ্চয়ই উল্লেখিত সুলতান (হযরত নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি) তিনি সবসময় রাত্রে ছলাতুত তাহাজ্জুদ আদায় করতেন এবং সম্মানিত ওযীফাসমূহ পাঠ করতেন। (৫৫৭ হিজরী শরীফ উনার কোন এক রাতে) তিনি তাহাজ্জুদ আদায়ের পর ঘু বাকি অংশ পড়ুন...
১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
উসমানীয় সালতানাত ছিলো মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ একটি সালতানাত। এই সালতানাতের সব সুলতানই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অপরিসীম মুহব্বত পোষণ করতেন। পাশাপাশি, সুলতানগণ সবাই হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণ করতেন শাসনব্যবস্থায়। উসমানীয় শাসকদের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন সুলতান মুরাদ। উনার শাসনামল ন্যায়পরায়নতা এবং মুসলিম বিজয়ের জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত। একটি রাতের ঘটনা তার শাসনামলে অত্যন্ত বিখ্যাত।
সুলতান মুরাদ এক রাতে বিছানায় শুয়েছিলেন, দেখেন তার দম বন্ধ হয়ে আস বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত উসমানীয় ইতিহাসবিদ মুস্তাফা আলী’র মতে, ‘সুলতান সুলাইমান শুধুমাত্র একজন বিখ্যাত শাসকই ছিলেন না, সমভাবে উনার ছিলেন একজন প্রখ্যাত নির্মাতা, যিনি মুসলিম বিশ্বের কিছু চিত্তাকর্ষক, শ্বাসরুদ্ধকর ও অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নিজের দীপ্ত চিহ্ন রাখতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ছিলেন’। তাই সুলতান ‘সুলাইমানিয়াহ মসজিদ কমপ্লেক্স’কে বিশ্বের সবচেয়ে নয়নমনোহর, অভিজাত ও মার্জিত ভবনগুলির মধ্যে একটি বানাতে চেয়েছিলেন। উনার এই মহান কর্মের শুরু থেকে শেষ অবধি কাজের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে গভীর য বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
মুসলমান সালতানাতগুলোর বেশিরভাগ অঞ্চলেই নিরাপত্তা প্রধানের উপস্থিতি ছিলো। অঞ্চলভেদে উনাদের ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হতো। আফ্রিকায় নিরাপত্তা প্রধানকে বলা হতো হাকিম। মামলুক সালতানাতের শাসনামলে বলা হতো ওয়ালি। আর মিশরে এই পদটি ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। স বাকি অংশ পড়ুন...
মিমার সিনান পাশার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন:
সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ ঐতিহাসিক কনস্ট্যান্টিনোপল বিজয়ের পর এর নামকরণ করা হয় ‘ইসলামবুল’ (পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শহর)। যদিও এখন ইস্তাম্বুল নামেই শহরটি পরিচিত। তারপরে উসমানীয়রা মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শ্বাসরুদ্ধকর কিছু স্থাপত্য নির্মাণ করে এই প্রাচীন শহরটির আকাশমন্ডলীকে নতুনভাবে সজ্জিত করার পরিকল্পনা করে। আর এর পুরোভাগে ছিলেন মিমার সিনান।
মিমার সিনান পাশার বর্ণিল স্থাপত্য জীবনকে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা, শিক্ষানবিশ কাল, যোগ্যতার স্তর এবং মাস্টারস্টেজ।
শিক্ষানবিশ কাল: বাকি অংশ পড়ুন...
(প্রথম পর্ব)
যখন আমরা মুসলমানদের হারানো সাম্রাজ্যের কথা আলোচনা করি তখন শুধু স্পেন নিয়েই আমরা হতাশ হই। অথচ ফিলিপাইনও স্পেনের খ্রিস্টানদের ষড়যন্ত্রের আরেকটা বিস্তৃতি ছিল। যদি আর ৫০-১০০ বছর মুসলিমরা ধরে রাখতে পারতো ফিলিপাইনের ক্ষমতা তাহলে আজকে হয়ত ১১.৫ কোটি জনসংখ্যার দেশের পুরোটাই মুসলিম হত, সংখ্যার হিসেবে যা স্পেইনের জনসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ।
প্রশ্ন জাগতে পারে- সাউথইস্ট এশিয়ার প্রধান দেশগুলো যেমন- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, কিন্তু ফিলিপিন কেন খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ? এর পিছনে রয়েছে দুঃ বাকি অংশ পড়ুন...












