১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
উসমানীয় সালতানাত ছিলো মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ একটি সালতানাত। এই সালতানাতের সব সুলতানই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অপরিসীম মুহব্বত পোষণ করতেন। পাশাপাশি, সুলতানগণ সবাই হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণ করতেন শাসনব্যবস্থায়। উসমানীয় শাসকদের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন সুলতান মুরাদ। উনার শাসনামল ন্যায়পরায়নতা এবং মুসলিম বিজয়ের জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত। একটি রাতের ঘটনা তার শাসনামলে অত্যন্ত বিখ্যাত।
সুলতান মুরাদ এক রাতে বিছানায় শুয়েছিলেন, দেখেন তার দম বন্ধ হয়ে আস বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত উসমানীয় ইতিহাসবিদ মুস্তাফা আলী’র মতে, ‘সুলতান সুলাইমান শুধুমাত্র একজন বিখ্যাত শাসকই ছিলেন না, সমভাবে উনার ছিলেন একজন প্রখ্যাত নির্মাতা, যিনি মুসলিম বিশ্বের কিছু চিত্তাকর্ষক, শ্বাসরুদ্ধকর ও অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নিজের দীপ্ত চিহ্ন রাখতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ছিলেন’। তাই সুলতান ‘সুলাইমানিয়াহ মসজিদ কমপ্লেক্স’কে বিশ্বের সবচেয়ে নয়নমনোহর, অভিজাত ও মার্জিত ভবনগুলির মধ্যে একটি বানাতে চেয়েছিলেন। উনার এই মহান কর্মের শুরু থেকে শেষ অবধি কাজের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে গভীর য বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
মুসলমান সালতানাতগুলোর বেশিরভাগ অঞ্চলেই নিরাপত্তা প্রধানের উপস্থিতি ছিলো। অঞ্চলভেদে উনাদের ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হতো। আফ্রিকায় নিরাপত্তা প্রধানকে বলা হতো হাকিম। মামলুক সালতানাতের শাসনামলে বলা হতো ওয়ালি। আর মিশরে এই পদটি ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। স বাকি অংশ পড়ুন...
মিমার সিনান পাশার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন:
সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ ঐতিহাসিক কনস্ট্যান্টিনোপল বিজয়ের পর এর নামকরণ করা হয় ‘ইসলামবুল’ (পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শহর)। যদিও এখন ইস্তাম্বুল নামেই শহরটি পরিচিত। তারপরে উসমানীয়রা মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শ্বাসরুদ্ধকর কিছু স্থাপত্য নির্মাণ করে এই প্রাচীন শহরটির আকাশমন্ডলীকে নতুনভাবে সজ্জিত করার পরিকল্পনা করে। আর এর পুরোভাগে ছিলেন মিমার সিনান।
মিমার সিনান পাশার বর্ণিল স্থাপত্য জীবনকে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা, শিক্ষানবিশ কাল, যোগ্যতার স্তর এবং মাস্টারস্টেজ।
শিক্ষানবিশ কাল: বাকি অংশ পড়ুন...
(প্রথম পর্ব)
যখন আমরা মুসলমানদের হারানো সাম্রাজ্যের কথা আলোচনা করি তখন শুধু স্পেন নিয়েই আমরা হতাশ হই। অথচ ফিলিপাইনও স্পেনের খ্রিস্টানদের ষড়যন্ত্রের আরেকটা বিস্তৃতি ছিল। যদি আর ৫০-১০০ বছর মুসলিমরা ধরে রাখতে পারতো ফিলিপাইনের ক্ষমতা তাহলে আজকে হয়ত ১১.৫ কোটি জনসংখ্যার দেশের পুরোটাই মুসলিম হত, সংখ্যার হিসেবে যা স্পেইনের জনসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ।
প্রশ্ন জাগতে পারে- সাউথইস্ট এশিয়ার প্রধান দেশগুলো যেমন- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, কিন্তু ফিলিপিন কেন খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ? এর পিছনে রয়েছে দুঃ বাকি অংশ পড়ুন...
যখন সাত বছর পুরা হয়ে গেলো, তখন ওই মেয়েটা বললো, এখনতো আমার যা টাকা-পয়সা ছিলো; সবশেষ হয়ে গেছে। তাহলে আপনি একটা কামাই-রোজগারের ব্যবস্থা করেন। এখন সুলতান কি কামাই-রোজগার করবে; সেতো কোন কাজ জানে না। সুলতান মনে মনে চিন্তা করলো; ওই যে কামারগুলি তাকে যে বুদ্ধি দিয়েছিলো; তাদের কাছে গেলে যদি একটা ব্যবস্থা হয়। এই চিন্তা করে সুলতান সেখানে গেলো; গিয়ে তাদের সাথে কথা-বার্তা বললো; আমার কিছু কামাই-রোজগার করা দরকার।
কামাররা জিজ্ঞেস করলো, আপনি কোন কাজ জানেন? সুলতান বললো, না আমি কোন কাজ জানি না। তখন তারা পরামর্শ দিলো, যে আপনি একটা টুকরি কিনেন। টুকরি কিনে বাকি অংশ পড়ুন...
যখন সাত বছর পুরা হয়ে গেলো, তখন ওই মেয়েটা বললো, এখনতো আমার যা টাকা-পয়সা ছিলো; সবশেষ হয়ে গেছে। তাহলে আপনি একটা কামাই-রোজগারের ব্যবস্থা করেন। এখন সুলতান কি কামাই-রোজগার করবে; সেতো কোন কাজ জানে না। সুলতান মনে মনে চিন্তা করলো; ওই যে কামারগুলি তাকে যে বুদ্ধি দিয়েছিলো; তাদের কাছে গেলে যদি একটা ব্যবস্থা হয়। এই চিন্তা করে সুলতান সেখানে গেলো; গিয়ে তাদের সাথে কথা-বার্তা বললো; আমার কিছু কামাই-রোজগার করা দরকার।
কামাররা জিজ্ঞেস করলো, আপনি কোন কাজ জানেন? সুলতান বললো, না আমি কোন কাজ জানি না। তখন তারা পরামর্শ দিলো, যে আপনি একটা টুকরি কিনেন। টুকরি কিনে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রাতে পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন। অতঃপর মুবারক আনুষ্ঠানিক দীদার দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَكَانَ قَابَ قَوْسَیْنِ اَوْ اَدْنَ.
অর্থ: “ধনুকের দুই মাথার যতটুকু ব্যবধান এই পরিমাণ অথবা এর চেয়েও আরো অধিক নিকটবর্তী হলেন।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-০৯)
মূলত এটিই হচ্ছে পব বাকি অংশ পড়ুন...
وَصِيَّةٌ (ওসিয়্যাতুন) অর্থ: অন্তিম উপদেশ। মুমুর্ষ ব্যক্তি বিদায়ের পূর্ব মুহুর্তে যে আদেশ বা উপদেশ দেন তাকে ওসিয়ত বলে। সাধারণ উপদেশের চেয়ে অন্তিম উপদেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ হয়ে থাকে। আর তা পালনও করা হয় গুরুত্বসহকারে।
সঙ্গতকারণে গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ উপদেশকে ওসিয়তরূপে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পরিচয় নিস্প্রয়োজন। আর উনার আদেশ উপদেশসমূহ কত গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণিত আছে যে, একবার সুলতান মাহমুদ বিশিষ্ট গনিত বিশারদ আল বেরুনীসহ উনার এক বাগানবাড়িতে হাটছিলেন। সুলতান মাহমুদ জানতেন যে, আল বেরুনী অংক শাস্ত্রে উনার অসাধারণ এবং অকল্পনীয় ক্ষমতাবলে অনেক কিছু বলে দিতে পারেন। তাই তাকে অপ্রস্তুত করার উদ্দেশ্যে তিনি এমন এক বিষয়ের কথা বলতে বললেন, যা সাধারণ দৃষ্টিতে অংকের মাধ্যমে সম্ভব নয়। তিনি আল বেরুনীকে বললেন যে, তিনি আজ উক্ত বাগান বাড়ীর কোন দরজা দিয়ে বের হবেন তা অংক কষে কাগজে লিপিবদ্ধ করতে। আল বেরুনী যথারীতি অংক কষে কাগজে লিপিবদ্ধ করলেন। সুলতান মাহমুদ বললেন, আমি আজ কোন দরজা দিয়েই বের হবো না। তি বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসকদের মধ্যে অনেকেই নেককার এবং পরহেজগার ছিলেন। উনাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন গুজরাটের সুলতান মুজাফফর শাহ। শাসক হওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন ফক্বীহ এবং মুহাদ্দিস। তিনি সম্মানিত তাছাউফ চর্চা করতেন। সবসময় অযু অবস্থায় থাকতেন এবং জামায়াতে নামায আদায় করতেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার উপর পড়াশুনা করেন। যুগখ্যাত বড় আলিম উনাদের কাছে তিনি পড়াশুনা করেছেন। তিনি যুদ্ধবিদ্যায় অনেক বেশি পারদর্শী ছিলেন। উনার হাতের লেখা ছিলো অত্যাধিক সুন্দর। তিনি নিজ হাতে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনুলিপি তৈরী করে পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...












