চিত্র ১: মুঘল আমলের নিদর্শন হাজীগঞ্জ দূর্গ তোরণ।
হাজীগঞ্জ দুর্গ মুঘল আমলে নির্মিত একটি পানি দুর্গ। এটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার হাজীগঞ্জ এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। এটি খিজিরপুর দুর্গ নামেও পরিচিত। ঢাকা শহরের প্রতিরক্ষার জন্য সপ্তদশ শতকের আগে-পরে যে তিনটি পানি দুর্গকে নিয়ে ত্রিভুজ পানি দুর্গ বা ট্রায়াঙ্গল অব ওয়াটার ফোর্ট গড়ে তোলা হয়েছিল তারই একটি হলো এই হাজীগঞ্জ দুর্গ। মুঘল সুবাদার ইসলাম খান ঢাকায় মুঘল রাজধানী স্থাপনের অব্যাবহিত পরে নদীপথে মগ ও পর্তুগিজ নৌদস্যূদের আক্রমণ প্রতিহত করার উদ্দেশে দুর্গ বাকি অংশ পড়ুন...
অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ কথাটা শুনলেই আমাদের মানসপটে ভেসে আসে আফ্রিকা মহাদেশের (উত্তর আফ্রিকা বাদে) কথা। অথচ আফ্রিকা কখনোই অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ ছিলো না। তাকে অন্ধকারে আবৃত করেছে ফরাসি, বেলজিয়াম, পর্তুগিজ সহ ইউরোপীয় সভ্য (!) দেশগুলো।
মধ্যযুগে আফ্রিকার (বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকার) এক সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য ছিলো। উত্তর আফ্রিকা মোটামুটি তা ধরে রাখতে পারলেও পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলো এখন দারিদ্রতার অতল গহীনে পর্যবসিত। অথচ এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিটি পশ্চিম আফ্রিকার অধিবাসী।
আসুন দেখে নিই মধ্যযুগে পশ্চিম আফ্র বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, “হযরত যিয়াদ ইবনে আবূ মারইয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাদিসাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ সালামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, আমি জেনেছি- যদি কোনো মহিলার আহাল উনার ইন্তিকালের পর সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ যান, আর উনার আহলিয়া দ্বিতীয় বিয়ে না করেন, তাহলে আল্লাহ পাক তিনি সেই আহলিয়াকেও আহালের সাথে সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ স্থান দান করবেন। এই অবস্থা পুরুষের জন্যও। যদ বাকি অংশ পড়ুন...
বেশুমার ছলাত ও সালাম মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত মামদূহ আক্বা আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক স্মরণে। বেহদ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম শরীফ সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের মুবারক চরণে। দোয়া চাই, করুণা চাই ছহিবু ইলমিল আউওওয়ালি ওয়াল আখিরি, জামি‘উন নি‘য়ামত মামদূহ আক্বা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়ার মুবারক ধারাবাহিকক্রম অনুযায়ী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল খ্বামিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘আল খ্বামিসাহ্ অর্থাৎ পঞ্চম’। এ জন্য উনাকে ‘মহাসম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শেখ বাহার উল্লাহ শাহী জামে মসজিদ। নগরের পাঁচলাইশ থানার শুলকবহরের আব্দুল্লাহ খাঁন সড়কে এই মসজিদটির অবস্থান।
জানা যায়, মোঘল আমলে এ অঞ্চল অর্থাৎ চট্টগ্রাম যখন ইসলামাবাদ নাম নিয়ে সুবা বাংলার রাজধানী ছিলো, তখনই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ধারণা করা হয়, ১৭৩৭ খৃ: মোঘল সুবেদার শায়েস্তা খাঁনের পৌত্র (নাতি) শেখ বাহার উল্লাহ এ মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। উনার ইন্তেকালের পর মসজিদটি শেখ বাহার উল্লাহ শাহী জামে মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে।
এই মসজিদ হতে মাত্র ৫০ গজ দূরেই শায়েস্তা খাঁনের রাজমহল। যা বর্তমান কোর্ট হিলে আদালত ভবন প্ বাকি অংশ পড়ুন...
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা:
পাকুন্দিয়া উপজেলার মঙ্গলবাড়ীয়া গ্রামটি দীর্ঘদিন ধরে ‘লিচুর গ্রাম’ নামে পরিচিত। গ্রামের রাস্তার দুই পাশ থেকে শুরু করে বাড়ির আঙিনা, মাঠের ধারে সব জায়গায়ই চোখে পড়ে সারি সারি লিচু গাছ। বছরের এই সময়টাতে পুরো গ্রাম যেন ফুলের সুবাসে ভরে ওঠে।
এখন গাছে গাছে ফুটেছে লিচু ফুল। সেই ফুলের পরাগ থেকে মধু সংগ্রহ করতে হাজার হাজার মৌমাছি উড়ে বেড়াচ্ছে বাগানজুড়ে। ফলে পুরো এলাকায় এক ধরনের ভিন্ন আবহ তৈরি হয়েছে।
লিচুবাগানের পাশে কাঠের বাক্স বসিয়ে মৌমাছি পালন করছেন মৌ খামারিরা। মৌমাছি ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে বাক্সে জমা করে, বাকি অংশ পড়ুন...
একজন মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে সাক্ষাতের পর সালাম দেয়ার পর মুহব্বত প্রকাশের মাধ্যমটির নাম হল মুছাফাহা। দেখা হলে মুছাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মুছাফাহ-এর মাধ্যমে উভয়ের মাঝে মুহব্বত বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে এটি মুসলমানদের পারস্পারিক হিংসা-বিদ্বেষ ও কলহ দূর করে দেয়। দুই হাতে মুছাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক। আর এটি গুনাহ মাফ হওয়ার মাধ্যমও বটে।
হযরত ইবনে বাত্তাল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “সর্বস্তরের আলিম উনাদের মতে, মুছাফাহা একটি নেক কাজ। ইমাম নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, সাক্ষাতের সময় মুছাফাহা কর বাকি অংশ পড়ুন...
একবার হযরত নাসিরুদ্দীন মাহমুদ চেরাগে দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পীরভাই হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, ‘আমি যখন অযোধ্যায় গমণ করি তখন মানুষের ভীড়ের কারণে ইবাদতে মশগুল থাকতে পারি না। তাই আপনি দয়া করে সুলতানুল মাশায়িখ, হযরত খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট সুপারিশ করুন, তিনি যেন আমাকে জঙ্গলে একাকি থেকে ইবাদতে মশগুল হওয়ার অনুমতি প্রদান করেন।’
উল্লেখ্য, হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আদত ছিলো, তিনি প্রত্যহ ইশার নামাজের পর নিরিবিলি সময়ে সুলত্বানুল মাশায়িখ, হযরত খাজা নিজামু বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে লেবাননজুড়ে লাশের মিছিল আর হাহাকার। ইসরায়েলি হামলায় ৬০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু আর সাড়ে ৭ লাখ মানুষের ঘরছাড়া হওয়ার এই দৃশ্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি গাজায় ব্যবহৃত সেই ভয়াবহ রণকৌশলেরই নতুন এক সংস্করণ। সন্ত্রাসী ইসরায়েলের এই কৌশলের ছকটি বেশ পরিচিত- প্রথমে উচ্ছেদের হুমকি বা জীবনধারণের সব পথ বন্ধ করে মানুষকে বাস্তুচ্যুত করো, এরপর বেসামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়ে তৈরি করো ‘বাফার জোন’, যাতে কেউ আর নিজ ভিটায় ফিরতে না পারে। সবশেষে, পুরো অঞ্চলকে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন খ-ে ভাগ করে দেওয়া, যাতে স বাকি অংশ পড়ুন...












