আল ইহসান ডেস্ক:
মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে লেবাননজুড়ে লাশের মিছিল আর হাহাকার। ইসরায়েলি হামলায় ৬০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু আর সাড়ে ৭ লাখ মানুষের ঘরছাড়া হওয়ার এই দৃশ্য কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি গাজায় ব্যবহৃত সেই ভয়াবহ রণকৌশলেরই নতুন এক সংস্করণ। সন্ত্রাসী ইসরায়েলের এই কৌশলের ছকটি বেশ পরিচিত- প্রথমে উচ্ছেদের হুমকি বা জীবনধারণের সব পথ বন্ধ করে মানুষকে বাস্তুচ্যুত করো, এরপর বেসামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়ে তৈরি করো ‘বাফার জোন’, যাতে কেউ আর নিজ ভিটায় ফিরতে না পারে। সবশেষে, পুরো অঞ্চলকে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন খ-ে ভাগ করে দেওয়া, যাতে স বাকি অংশ পড়ুন...
কালের সাক্ষী হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৬০০ বছরের প্রাচীন মাচাইন শাহী মসজিদ। প্রাচীনতম মসজিদটি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার মাচাইন গ্রামে অবস্থিত।
চুন, সুরকি ও সাদা সিমেন্টে নির্মিত মসজিদটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে টিকে থাকলেও সঠিক সংরক্ষণ ও নিয়মিত সংস্কারের অভাবে এর শৈল্পিক কারুকাজ ক্রমেই মলিন হয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা-দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ইতিহাসের এই সম্পদ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
জানা যায়, ১৫০১ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ মসজিদটি নির্মাণ করেন। তার শাসনামলকে বাকি অংশ পড়ুন...
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লোয়ার দির জেলার তিমারগারায় অবস্থিত ১২০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ। নাম তার ‘বাবা জি’। সূর্যাস্তের পরপরই শত শত মুসল্লি ভিড় করেন তারাবীহ নামাজে অংশ নিতে। হাতে খোদাই করা কাঠের কারুকাজে সজ্জিত ছাদের নিচে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ইবাদতের এ ধারা আজও অব্যাহত।
সন্ধ্যা নামতেই তিমারগারার পথে পথে দেখা যায় মানুষের স্রোত, গন্তব্য শতবর্ষী ‘বাবা জি’ মসজিদ। ইশা ও তারাবীহ নামাজ আদায়ে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি হয়ে ওঠে পুরো অঞ্চলের অন্যতম আধ্যাত্মিক কেন্দ্র।
১৮৯০-এর দশকে প্রভাবশীল পশতুন ইউসুফজাই গোত্রের ধর্মীয় ব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলা। প্রতিবছরই এ বন্দরে রেকর্ড পরিমাণ জাহাজ আগমন করে। মোংলা বন্দরে চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬ অর্থবছর) সাত মাসে ৩১টি বিদেশি বাণিজ্যিক কন্টেইনারবাহী জাহাজ আগমনের মধ্য দিয়ে ২১ হাজার ৬৫১ টিইইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে।
যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৭৯.১৯ শতাংশ বেশি। এর আগে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে মোট ২১ হাজার ৪৫৬ টিইইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়। যা বর্তমান অর্থবছরে সাত মাসে হ্যান্ডলিং হয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন উপ-ব্যবস্থাপক মাকরুজ্জামান বলেন, জুলাই-২০২৫ থেকে জ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলা। প্রতিবছরই এ বন্দরে রেকর্ড পরিমাণ জাহাজ আগমন করে। মোংলা বন্দরে চলতি অর্থবছরের (২০২৫-২৬ অর্থবছর) সাত মাসে ৩১টি বিদেশি বাণিজ্যিক কন্টেইনারবাহী জাহাজ আগমনের মধ্য দিয়ে ২১ হাজার ৬৫১ টিইইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে।
যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৭৯.১৯ শতাংশ বেশি। এর আগে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে মোট ২১ হাজার ৪৫৬ টিইইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়। যা বর্তমান অর্থবছরে সাত মাসে হ্যান্ডলিং হয়েছে।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন উপ-ব্যবস্থাপক মাকরুজ্জামান বলেন, জুলাই-২০২৫ থেকে জ বাকি অংশ পড়ুন...
দেশটির সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেনের ক্ষেত্রগুলো অনুসন্ধান করে তার সদ্ব্যবহার করতে পারলে বাংলাদেশ লাভবান হবে।
বিশেষ করে বাংলাদেশের রেল ব্যবস্থার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে তুরস্কের প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বাংলাদেশের রেল ব্যবস্থার উন্নতি ঘটতে পারে।
মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন ওআইসির নেতৃত্ব এবং ন্যাটোর অংশীদার হিসেবেও সক্ষমতা বাড়ছে তুরস্কের
মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সমর্থন আশা করে তুরস্ক।
পাশাপাশি দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হবার কারণে বাংলাদেশের একটা খ্যাতি আছে, সেই সঙ্গে আঞ্চলিক নানা ইস্যুতে বাংলাদেশ একটি অব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী নেতা বলেন, অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সরকারি নীতিমালা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো সহজ এবং সময়োপযোগী করা প্রয়োজন। বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের জটিলতা কমাতে প্রশাসনিক সংস্কার জরুরি।
চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী নেতারা নতুন সরকারের কাছে বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গতি আনতে স্থিতিশীল ও প্রকৃত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাদের প্রত্যাশা খুবই স্পষ্ট। তারা এমন একটি কার্যকর ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ চান, যেখানে কোনো বাধা ছাড়াই উদ্যোক্তারা বাকি অংশ পড়ুন...
ব্যবসায়ীরা অগ্রিম আয়কর ও উৎসে করের চাপ থেকে মুক্তি চান।
ব্যবসায়ীরা লাভ করুক বা লোকসান করুক- সব অবস্থাতেই কর দিতে হচ্ছে। এমনও ঘটেছে যে লোকসান বেশি, আবার করও বেশি দিতে হয়েছে।
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্তের ওপর অতি নির্ভরতায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা নিজেদের তরফ থেকেই সরকারকে উদ্দেশ্য করে ব্যবসায়ীরা বলেছে-
‘আপনাদের যে চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার দরকার, আমরা রপ্তানি বাড়িয়ে এনে দেব। কিন্তু বিদেশি সংস্থার সব শর্ত অন্ধভাবে অনুসরণ করে আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ করবেন না।’
কিন্তু নীতিহীন অথবা নীতিভ্রষ্ট সরকার
তা শোনেও শোনে না।
বোঝালেও বোঝে না।
আকু বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা নানা জল্পনা ও প্রচেষ্টার পর অবশেষে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের (পিআইএ) মালিকানা হস্তান্তর করলো পাকিস্তান সরকার।
গত ২৩ ডিসেম্বর সরাসরি সম্প্রচারিত একটি প্রতিযোগিতামূলক নিলামের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় এই বিমান সংস্থার ৭৫ শতাংশ শেয়ার ৪৮ কোটি ২০ লাখ ডলারে কিনে নিয়েছে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগ ও গবেষণা সংস্থা আরিফ হাবিব লিমিটেড।
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন সরকারের জন্য এই বেসরকারীকরণ প্রক্রিয়াকে একটি বড় জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ গত বছর প্রথম প্রচ বাকি অংশ পড়ুন...
ভোটাভুটিতে জনগণের আইনের শাসন কতটুকু প্রতিষ্ঠা পায় তা প্রশ্নের বিষয়। কারণ বর্তমানে সংসদে যে সমস্ত আইন পাশ হয়, তাতে জনগণের চিন্তাধারা থাকে না, বরং রাজনৈতিক বা সরকার দলীয় চিন্তাধারা থাকে। অর্থাৎ নতুন আইন পাশে ক্ষমতাসীন দলীয় সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাই এমপিকে ঐ আইনের পক্ষে থাকতে হবে। কিন্তু ঐ আসনের জনগণ উক্ত আইনের পক্ষ না বিপক্ষে আছেন, সেই কথা যাচাইয়ের সুযোগ নেই।
আসলে যে জনগণ ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করে, সে নিজেও কতটুকু বুঝে একজন এমপির কাজ কি? সে শুধু এতটুকু বুঝে, ঐ এমপি ক্ষমতায় গেলে তার এলাকার কথা সংসদে বলবে, আর তাতেই সরকার রাস্তা-ঘাট, স্ক বাকি অংশ পড়ুন...
পাশাপাশি দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হবার কারণে বাংলাদেশের একটা খ্যাতি আছে, সেই সঙ্গে আঞ্চলিক নানা ইস্যুতে বাংলাদেশ একটি অবস্থান নিতে পেরেছে,
যেটি বাংলাদেশের প্রতি তুরস্কের আগ্রহের অন্যতম কারণ।
মুসলিম ভ্রাতৃত্ব বন্ধন দূঢ়করণে উভয় দেশকেই সচেতন ও আগ্রহী হতে হবে ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশ ও তুরস্কের কূটনৈতিক সম্পর্কের উষ্ণতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর।
‘আগে দুই দেশের সম্পর্ক ছিল স্বাভাবিক, বলা যায় ঝামেলামুক্ত হলেও বিশেষ ঘনিষ্ঠ নয়। কিন্তু গত এক বছরে দুই দেশের পারস্পরিক যোগাযোগ ও সফর বিনিময়ে সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
প্রথমে মাথা বা বুকে বালিশ ঠেকিয়ে চালানো হতো গুলি। বুলেটের আঘাতে জীবনপ্রদীপ নিভতেই ছুরি দিয়ে কেটে ফেলতো পেট। এর মধ্যেই মাথা আর পায়ে সিমেন্টের ব্লক বেঁধে ডুবিয়ে দেওয়া হতো নদীতে। রাখতেন না নৃশংস হত্যাযজ্ঞের কোনো আলামতও। আওয়ামী লীগের টানা শাসনামলে গুম হওয়া বহু মানুষের লাশ এভাবেই চাপা পড়েছিল নদীর গভীরে। ক্রসফায়ার আর বনদস্যু দমনের আড়ালে বছরের পর বছর গুম-খুনের শিকার হন অনেক নিরপরাধ লোক। পরিকল্পিত এসব হত্যাযজ্ঞ চললেও মুখ খোলার সাহস ছিল না কারোরই। তবে ক্ষমতার পালাবদলে ফাঁস হতে থাকে রক্তাক্ত নীলনকশা। আর সেই ভয়াল বাকি অংশ পড়ুন...












