(৩৩৯-৩৪১)
و الجملۃ چوں عبادت مقتضاء ذات حضرت خالق است و فیز مقتضای ذات بندہ و نیز مقتضای انعام و احسان اوبر بندگان در حکمت الہی از عبادت چارہ نباشد چوں عبادت موقوف بر امتثال اوامر است و اوامر الہی بر چہار طریق در یافت کتاب اللہ و سنت پیغمبران یا اجماع امت با قیاس جلی و اصل ہمہ این امور کتاب اللہ است پس از انزال کتاب ہم نا کریزاست۰
অর্থাৎ আসল কথা হলো- বান্দা ইবাদত করে, ইহা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার বাঞ্চনীয় এবং মহান আল্লাহ তায়ালা উনার দান, অবদান ও অনুগ্রহের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ বান্দার ইবাদত ও উনার অভিপ্রিত। সব অবস্থায়ই মহান আল্লাহ তায়ালা উনার ইহসান স্বীকার করতে হবে। ইলাহী তায়ালা উনার আদেশ পালন করাই বান্দার কর্তব্য। মহান আল্লাহ পাক উন বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্ববিখ্যাত তাফসীর উনার ইবারতগুলো থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সত্যের মাপকাঠি। উনাদেরকে পবিত্র ঈমান ও আমলের ব্যাপারে অনুসরণ করা মূলত: মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নির্দেশ মুবারক। চার মাযহাবের ইমামগণ উনাদেরকে উত্তমভাবে অনুসরণ করতেন এবং উনাদের আলোকেই নিজ নিজ মাযহাবকে অকাট্য দলীলের মাধ্যমে ছাবিত করেছেন। এজন্য মাযহাবের অনুসরণ করার অর্থই হলো উনাদেরকে অনুসরণ করা। সুবহানাল্লাহ! আর ইহাই ‘আত-তাকলীদুশ শারয় বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কাগজ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আধুনিক সভ্যতার বিকাশে যার ভূমিকা অপরিসীম। আর মুসলমানদের হাতেই সূচনা হয় আধুনিক কাগজশিল্পের।
ইতিহাসমতে, বাগদাদে কাগজ উৎপাদন শুরু হলে তা সর্বসাধারণের নাগালে আসে এবং কাগজের বহুল ব্যবহার শুরু হয়। মুসলমানরাই আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশের মানুষকে কাগজের ব্যবহার শিখিয়েছে।
আব্বাসীয় শাসক আল-মানসুর সর্বপ্রথম সালতানাতের সব কাজে কাগজ ব্যবহারের নির্দেশ দেন। বাদশাহ হারুনুর রশিদের সময় ৭৯৪ সালে বাগদাদে মতান্তরে সমরকান্দে মুসলমান বিশ্বের প্রথম কাগজের কল প্রতিষ্ঠিত হয়। হারুনুর রশিদ তার প্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার বৈধতা দিয়ে একটি বিতর্কিত বিল পাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ফিলিস্তিনি লেখক মোহাম্মদ আল-কিক এক নিবন্ধে দাবি করেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী ইসরায়েল এই চরম পদক্ষেপের দিকে এগোচ্ছে। ২০২২ সালে সন্ত্রাসী নিয়াহুর জোট সরকার গঠনের শর্ত হিসেবে কট্টরপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী বেন-গভির এই বিলটির দাবি জানিয়েছিলো।
গত নভেম্বরে বিলটি প্রথম পাঠে বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৩১)
"وَإِذا قِيلَ لَهُمْ" يعنى الـمنافقين فى قول مقاتل وغيره."امِنُوا كَما آمَنَ النَّاسُ" اى صدقوا بمحمد صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وشرعه كما صدق الـمهاجرون والمحققون من اهل يثرب.
অর্থ: (যখন তাদেরকে বলা হয়) হযরত মুক্বাতিল রহমতুল্লাহি আলাইহি ও অপরাপর অনেকের মতে, যখন মুনাফিকদেরকে বলা হয় (তোমরা পবিত্র ঈমান আনো, যেরকম অন্যান্য ব্যক্তিত্ব পবিত্র ঈমান এনেছেন) অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ও উনার আনিত সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতি তারা যেন বিশ্বাস স্থাপন করে যেরকম পবিত্র ঈমান পবিত্র মক্কা শরীফ-পবিত্র মদীনা শরীফবাসী হযরত মুহাজির বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায়ও ইমাম-মুজতাহিদগণ উনাদের কিতাবে ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন।
وَفِي الْبَحْرِ قَالُوا وَأَشَدُّهَا كَرَاهَةً مَا يَكُونُ عَلَى الْقِبْلَةِ أَمَامَ الْمُصَلِّي، ثُمَّ مَا يَكُونُ فَوْقَ رَأْسِهِ ثُمَّ مَا يَكُونُ عَنْ يَمِينِهِ وَيَسَارِهِ عَلَى الْحَائِطِ، ثُمَّ مَا يَكُونُ خَلْفَهُ عَلَى الْحَائِطِ أَوْ السِّتْرِ
অর্থ: আল্ বাহর” কিতাবে উল্লেখ আছে: মুছল্লীর সামনে প্রাণীর ছবি থাকা শক্ত মাকরূহ তাহরীমী। অতঃপর মাথার উপর, অতঃপর ডানে ও বামে দেয়ালের উপর অতঃপর পিছনে দেয়ালের উপর অতঃপর কোন পর্দায় প্রাণীর ছবি থাকা মাকরূহ তাহরীমী হবে।
(রদ্দুল্ মুহতার আলাদ্ দুররিল মুখতার আ বাকি অংশ পড়ুন...
ঠোঁট থেকে উচ্চারিত আরবী বর্ণ বা অক্ষর তিনটি। যথা: ب (বা), م (মীম), و (ওয়াও)। দুই ঠোঁটের ভেজা অংশ হতে ب অক্ষরটি উচ্চারিত হয়। এবং ب অক্ষরের উচ্চারণে বাংলায় ‘ব’ লেখা হয়। আর দুই ঠোঁটের শুকনা অংশ হতে م অক্ষর উচ্চারিত হয় এবং م অক্ষরের উচ্চারণে বাংলায় ‘ম’ লেখা হয়। আর দুই ঠোঁটের মাঝে কিঞ্চিৎ ফাঁকা রেখে و অক্ষর উচ্চারিত হয়। আর و অক্ষরের উচ্চারণে বাংলায় ‘ও’ লেখা হয়।
কিন্তু ‘ও’ অক্ষর স্বরবর্ণ হওয়ার কারণে ‘ও’ অক্ষরে কার ব্যবহৃত হয় না। ফলে و বর্ণে কাসরা বা যের হওয়া অবস্থায় বাংলা উচ্চারণে লেখকগণ বিভ্রান্তিতে পড়েন। এমতাবস্থায় কেউ লেখেন و ‘ওয়াও’ যে বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিযুক্ত ভারতের তৎকালীন কনসাল জেনারেল সন্দীপ ২০১৯ সালের নভেম্বরে একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে নয়াদিল্লিকে ‘ইসরায়েলি মডেল’ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছিলো।
সন্দীপের বক্তব্যের কয়েক মাস আগেই বিজেপিদলীয় মোদি সরকার কাশ্মীর অঞ্চলের আধা স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা কেড়ে নিয়েছিলো। মোদি সরকার হাজার হাজার মানুষকে কারাগারে ভরেছিলো, যাদের মধ্যে ওই অঞ্চলের রাজনৈতিক নেতারাও ছিলো। এমনকি ভারতপন্থী হিসেবে পরিচিত কাশ্মীরি নেতাদেরও তখন আটক করা হয়েছিলো।
নিউইয়র্কে নিযুক্ত ভারতে বাকি অংশ পড়ুন...












