"পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০”কি?
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিজেদের দখলে রাখতে ব্রিটিশ লুটেরারা ঐ অঞ্চলকে বিশেষ অঞ্চল নামে আখ্যা দিয়ে ১৯০০ সালে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০’ (চিটাগং হিল ট্র্যাক্ট ম্যানুয়েল ১৯০০) নামক আইন প্রণয়ন করে এবং ১৯০০ সালের ১ মে থেকে কার্যকর করে। এই আইনের মাধ্যমে উপজাতিদের ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের শাসন ক্ষমতা নিজেরা কুক্ষিগত করে। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল এই সমৃদ্ধ অঞ্চলটি দূরে থেকে কিভাবে শাসন-শোষণ করা যায়। এলক্ষ্যে পার্বত্য উপজাতিদের তারা ব্যবহার করে।
পার্বত্ বাকি অংশ পড়ুন...
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা। গত জুমুয়াবার জুমার নামাজের পর রাজধানী ঢাকার মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে এক বিশাল সমাবেশে তারা এই দাবি জানান। সমাবেশে আলোচকগণ মোট ৭টি দাবি পেশ করেন। দাবিগুলো হলো-
১. আমেরিকার সাথে ইউনুস সরকারের করা গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে। উচ্চমূল্য দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং উড়োজাহাজ কেনা যাবে না। আমেরিকা থেকে ৩.৭ বিলিয়ন ডলার দিয়ে বোয়িং কেনা হচ্ছে, অথচ ১.৬ বিলিয়ন ডলার বাজেট ঘাটতি মেটাতে এডিবি-জাইকা থ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ায় ইরানে পণ্য পরিবহনের জন্য ছয়টি স্থল ট্রানজিট রুট চালু করেছে পাকিস্তান। এর মাধ্যমে পাকিস্তানের ভূখ- ব্যবহার করে ইরানের জন্য একটি আনুষ্ঠানিক সড়ক করিডর চালু হলো বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ২৫ এপ্রিল ‘ট্রানজিট অব গুডস থ্রু টেরিটরি অব পাকিস্তান অর্ডার ২০২৬’ জারি করে, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, তৃতীয় দেশের পণ্য পাকিস্তানের ভেতর দিয়ে সড়কপথে ইরানে পাঠানো যাবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নৌ-অবরোধ বৃদ্ধি করা হলে সেটি আর সহ্য করা হবে না বলে হুমকি দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনির জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই। তিনি বলেছেন, যদি অবরোধের সময় বাড়ানো হয় তাহলে ইরান এর জবাব দেবে।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রয়াত্ত্ব সংবাদমাধ্যম আইআরআইবিকে তিনি বলেছেন, “অবরোধ যদি অব্যাহত থাকে, ইরান জবাব দেবে।”
“এমন অবরোধ কোনো কিছুই অর্জন করতে পারেনি এবং তারা এটি কার্যকরও করতে পারেনি। ভারত মহাসাগর অত্যন্ত বিস্তৃত এবং আমরা সহজেই এটি পার হতে পারবো। আমরা ই বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে সময় লাগে এক বছরেরও বেশি, আর খরচ হয় হাজার হাজার ডলার। তবুও হাজারো মার্কিন নাগরিক মনে করছে, নাগরিকত্ব ত্যাগ করা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।
মার্গো (মার্কিন নাগরিক) যখন তার মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সে ৩০ বছর ধরে লন্ডনে বসবাস করছে। কিন্তু লন্ডনের মার্কিন কনসুলেটে নাগরিকত্ব ছাড়ার জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকতে হয় ১৪ মাসেরও বেশি। সিডনি বা কানাডার শহরগুলোতেও চিত্রটা একই। এমনকি ইউরোপের অনেক শহরেই এ প্রক্রিয়ার জন্য অন্তত ছয় মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
চাপ বা হুমকির মুখে কোনো ধরনের আলোচনায় না বসার কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরান। কায়রোতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত মুজতবা ফেরদৌসি পোর এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যতই চাপ সৃষ্টি করুক, তেহরান কখনোই আত্মসমর্পণ করবে না।
তিনি বলেন, ড্রাম্পের হুমকির মুখেও ইরান নিজের নীতিগত অবস্থান থেকে সরে যাবে না। চাপের মাধ্যমে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনা সম্ভব নয় বলেও তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত ফেরদৌসি পোর আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো আলোচনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা আঞ্চলি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের সড়ক অবকাঠামোর জরাজীর্ণ অবস্থার কথা তুলে ধরে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সারা দেশে রাস্তা মেরামত ও সংস্কারে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বিগত সরকারের সময়ে অবকাঠামো খাতে ‘অনেক ব্যয় দেখানো হয়েছে’; কিন্তু বাস্তবে জাতীয়, আঞ্চলিক ও জেলা মহাসড়কের অবস্থা এখনো নাজুক।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) জাতীয় সংসদে বিভিন্ন সড়ক প্রকল্প নিয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের জবাব দিতে গিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যরা এলাকায় গেলে উন্নয়ন ও সড়ক সংস্কারের দাবির মুখে পড়েন। গত দুই ম বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের করা বাণিজ্য চুক্তি আলোচনার জন্য সংসদে তোলার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) জাতীয় সংসদে তিনি এ কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যমন্ত্রী একটি বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে আমেরিকার সঙ্গে আমাদের যে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে, সে বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বেশ কিছু কথা বলেছে। দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসা বাকি অংশ পড়ুন...












