ক্স ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
“বাণিজ্যের নামে শোষণ ও রক্তপাত; উন্নয়নের নামে দখল”:
আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রহসনগুলোর একটি হলো-‘উন্নয়ন’ ও ‘বিনিয়োগ’-এর নামে ধ্বংসযজ্ঞের বৈধতা প্রতিষ্ঠা। বিশ শতকের শেষভাগ থেকে শুরু করে একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দুই দশক পর্যন্ত, পৃথিবীজুড়ে কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদের এক বাকি অংশ পড়ুন...
মাগুরার শালিখা উপজেলার শতপাড়া গ্রাম। সেখানে দাঁড়িয়ে আছে ১৮৫৫ সালের এক প্রাচীন মসজিদ। মসজিদের ভেতরেই আছে এক বিস্ময়কর কুয়া। কুয়াটি খননের সময়ই গড়ে ওঠে মসজিদটি। উদ্দেশ্য ছিলো মুসল্লিদের ওজুর জন্য সহজে বিশুদ্ধ পানি পাওয়ার ব্যবস্থা। আজও সেই কুয়ায় পানি থেমে থাকেনি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, এখন শুধু ওজুর কাজেই নয় বরং এলাকার সব মানুষের পিপাসা মেটানোর একমাত্র আশ্রয় হয়ে উঠেছে এই কুয়া। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সব ধরণের মানুষ এখানে এসে তৃষ্ণা মেটান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৮৫৫ সালে ওজিউদ্দিন মুন্সী ন বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে সন্দেহভাজনের পিঠে মোবাইল ফোন ঠেকিয়ে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত করার একটি ঘটনাচিত্র প্রকাশ্যে এসেছে। বাংলাদেশি শনাক্তকরণের এই হিন্দুত্ববাদী কা-ে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিতর্কের মুখে গাজিয়াবাদ পুলিশ একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিতে বাধ্য হয়েছে।
ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বী থানার স্টেশন হাউস অফিসার হিন্দুত্ববাদী শর্মা শুধুমাত্র পিঠে স্মার্টফোন ঠেকিয়েই বলে দিচ্ছে, কে ভারতীয় আর কে বাংলাদেশি। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এই অদ্ভুত কর্মকা-ের ভিডিও ভাইরাল হত বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজায় যুদ্ধের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদে ব্যর্থ হওয়ার পর ইহুদীবাদী ইসরায়েল নতুন কৌশল অবলম্বন করেছে। তারা একটি ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে হতাশ ফিলিস্তিনিদের শোষণ করছে এবং জোরপূর্বক গাজা থেকে তাদের উচ্ছেদের সুযোগ করে দিচ্ছে। এই কোম্পানি ফিলিস্তিনিদের গোপনে দেশ ত্যাগের সুযোগ দেয়ার নামে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সম্ভবত এই অঞ্চলে জাতিগত নিধনের একটি পরিকল্পিত উদ্যোগ।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি একটি রহস্যময় বিমানের মাধ্যমে গাজা থেকে দ বাকি অংশ পড়ুন...
মানবদেহ এক বিস্ময়কর যন্ত্র এবং এর চালক অর্থাৎ মস্তিষ্ক হলো সবচেয়ে রহস্যময় অঙ্গ। আমরা সাধারণত মনে করি মস্তিষ্ক কেবল চিন্তাভাবনা বা স্মৃতি ধরে রাখার কাজ করে, কিন্তু বিজ্ঞানীদের তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন যে, একজন সুস্থ মানুষ যখন জেগে থাকেন, তখন তার মস্তিষ্ক যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, তা দিয়ে একটি ছোট বৈদ্যুতিক বাল্ব অনায়াসেই জ্বালানো সম্ভব।
মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে প্রায় ১০ হাজার কোটি বা ১০০ বিলিয়ন নিউরন রয়েছে যা প্রতিনিয়ত একে অপরের সঙ্গে বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক সংকেত আদান-প্রদান করে। যখন আমরা জেগে থাকি বা কো বাকি অংশ পড়ুন...
মহাকাশ অনুসন্ধানে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন একটি মাত্র ছবি বিজ্ঞানীদের তাদের জ্ঞান পুনর্বিবেচনা করতে এবং প্রশ্ন করতে বাধ্য করে। ঠিক তাই ঘটেছিলো যখন নাসার পারসিভারেন্স রোভার জেজেরো ক্রেটার অঞ্চলে একা বসে থাকা একটি অদ্ভুত পাথর দেখতে পায়। এর গঠন, রঙ এবং অবস্থান তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
প্রাচীন হ্রদের তলদেশে সাধারণত যে ধরণের পাথর প্রত্যাশিত ছিলো তা এটি ছিলো না। কোটি কোটি বছর ধরে মঙ্গল গ্রহ কিভাবে তার ভূদৃশ্য তৈরি করেছিলো তা বোঝার চেষ্টা করা গবেষকদের জন্য আবিষ্কারটি এখন সর্বশেষ ধাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত সপ্তাহে, মিশন দলটি বাকি অংশ পড়ুন...
পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মঙ্গল গ্রহে ঘুরে বেড়াচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার পারসিভারেন্স রোভার। এই রোভার একটা নতুন পাথর দেখে থমকে দাড়িয়েছিলো। এতদিনে গ্রহটির কোথাও এমন পাথর দেখেনি যন্ত্রটি। তাই ওটার পাশে দাঁড়িয়ে ভালোভাবে খুঁটিয়ে দেখেছে। আর তা দেখে বিজ্ঞানীরা চিন্তায় পড়ে গেছে। পাথরটা দেখে মনে হচ্ছে, ওটা আসলে মঙ্গলের পাথর নয়! তাহলে কোথা থেকে এলো এই পাথর?
পাথরটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফিপসাকসলা’। নামের সঙ্গে কোনো যুক্তাক্ষর না থাকলেও উচ্চারণ করতে কষ্ট হয়। মঙ্গলের জেজেরো কার্টারের এক কোণায় পাথরটির খোঁজ মিলেছে। প্রায় বাকি অংশ পড়ুন...
মনে করুন, সৌরজগতের বাইরে থেকে ছুটে আসা রহস্যময় কোনো বস্তু হঠাৎই পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলো। ঠিক কোথায় আঘাত হানতে পারে? এটা জানতে নতুন এক গবেষণায় উচ্চঝুঁকির অঞ্চল চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির করা এই গবেষণায় বলা হয়েছে, পৃথিবীর নিরক্ষীয় অঞ্চলের (ইকুয়েটর এলাকা) প্রতি আন্তর্মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তুলনামূলকভাবে উত্তর গোলার্ধ যেখানে পৃথিবীর প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ বাস করে, সেখানে আঘাত লাগার সম্ভাবনাও সামান্য বেশি।
গবেষকরা কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে এসব বস্তু পৃথিবীর দিকে এলে তাদের গ বাকি অংশ পড়ুন...
গুগল ম্যাপে ভারত মহাসাগরের গভীরে তাকালে চোখে পড়ে এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপপুঞ্জ-চারপাশে কেবল নীল পানিরাশি, হাজার কিলোমিটার দূরেও কোনো স্থলভাগের অস্তিত্ব নেই। এই অনিন্দ্য সুন্দর দ্বীপপুঞ্জের নাম কোকোস দ্বীপপুঞ্জ, যা আজ অস্ট্রেলিয়ার একটি বাইরের অঞ্চল। প্রকৃতি, ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক অপূর্ব মিশেল এই দ্বীপপুঞ্জকে করে তুলেছে রহস্যময় ও মোহনীয়।
তথ্যসূত্রে জানা যায়, ১৬০৯ সালে এই দ্বীপ আবিষ্কার করা হয়। দীর্ঘদিন দ্বীপটি জনশূন্যই ছিলো, কারণ ঔপনিবেশিক শক্তিগুলোর কাছে এর তেমন গুরুত্ব ছিলো না।
পরবর্তীতে ১৮২৬ সালে দু’জন স্কটিশ নাবিক ও ব্যব বাকি অংশ পড়ুন...
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্যের কাছাকাছি এক নতুন গ্রহাণু আবিষ্কার করেছে। এর নাম ২০২৫ এসসি৭৯। প্রায় ৭০০ মিটার ব্যাসের এই গ্রহাণুটি শুক্রগ্রহের কক্ষপথের ভেতর ঘুরছে এবং মাত্র ১২৮ দিনে সূর্য প্রদক্ষিণ সম্পন্ন করে। এ পর্যন্ত জানা গ্রহাণুগুলোর মধ্যে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম বলে জানিয়েছে গবেষকরা।
এই গ্রহাণুটি প্রথম শনাক্ত করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের কার্নেগি ইনস্টিটিউশন থেকে। সেখানকার বিজ্ঞানীরা চিলির ব্লাঙ্কো ৪ মিটার টেলিস্কোপের ডার্ক এনার্জি ক্যামেরা ব্যবহার করে গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে এটি পর্যবেক্ষণ করে। পরে জেমিনি ও মাগেলান বাকি অংশ পড়ুন...












