SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রচনা%' OR titleBn LIKE '%রচনা%' OR descriptionEn LIKE '%রচনা%' OR descriptionBn LIKE '%রচনা%' OR slug LIKE '%রচনা%' OR metaTag LIKE '%রচনা%' OR metaDescription LIKE '%রচনা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সাহিত্যে পবিত্র হাদীছ শরীফ:
পবিত্র হাদীছ শরীফও সাহিত্যের এক যুগান্তকারী অধ্যায় মুবারক। পবিত্র হাদীছ শরীফ আরবী সাহিত্যের অমূল্য ভা-ার। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে কেন্দ্র করে সাহিত্যের আরও বহু বিষয় সমৃদ্ধ হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভাষা মুবারকগুলো অত্যন্ত উন্নত ও সুষমাম-িত।
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি সাহিত্যে অসামান্য পৃষ্ঠপোষকতা মুবারক করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন সুবক্তা, লেখক এবং মহাকবি হিসেবেও বিখ্যাত ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহ বাকি অংশ পড়ুন...
পারস্যের কার্পেটকে সাধারণত ঐতিহ্য, কারুশিল্প, সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার এবং পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যদিও এসব বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবুও এগুলো পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না কেন এই কার্পেটগুলো আজও মানুষের হৃদয়ে সাড়া জাগায়, বিশেষ করে এমন এক বৈশ্বিক সমসাময়িক দর্শকের কাছে, যারা কালজয়ী শিল্পের প্রতি ক্রমেই বেশি আকৃষ্ট হচ্ছে।
হাতে বোনা পারস্যের কার্পেটকে বিশেষ করে তোলে শুধু এটি তৈরিতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে নয়; বরং সময় নিজেই এর গঠনপ্রক্রিয়ার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। শিল্পোৎপাদিত পণ্যের বিপরীতে, কার্ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছাত্রবৃন্দ:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছাত্র অগণিত হওয়াই স্বাভাবিক। উনাদের সংখ্যাও গণনা সম্ভব নয় এবং তালিকাও বর্ণনা সহজ নয়। যিনি লক্ষাধিক পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের হাফিয, চল্লিশ হাজার পবিত্র হাদীছ শরীফ সংকলিত হয়েছে এমন গ্রন্থের সংকলক উনার ছাত্র বিশ্বজুড়ে হওয়াই স্বাভাবিক। যার মজলিসে পাঁচ হাজার পর্যন্ত ছাত্র থাকতো। নিম্নে কয়েকজন নক্ষত্রতুল্য ছাত্রের নাম উল্লেখ করা হলো-
১. ইমাম মুহম্মদ বিন ইসমাঈল আল বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
আব্বাসীয় যুগে বিজ্ঞানচর্চা; জ্যোতির্বিদ্যা:
আব্বাসীয় যুগে জ্যোতির্বিদ্যারও প্রভূত উন্নতি হয়েছিলো। জ্যোতির্বিদদের মধ্যে মাশাআল্লাহ, সেন্দা বিন আলী, ইয়াহিয়া বিন মনসূর, আবূ মাসার প্রমুখ বিশেষ প্রসিদ্ধি লাভ করেন। আবূ মাসারের লিখিত ‘জিসবায়ে মাসার’ জ্যোতির্বিজ্ঞানের উৎস বলে বিবেচিত হতো। আবুল হাসান দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করে জ্যোতিঃশাস্ত্রের বিশেষ উন্নতি সাধন করেন। ল্যাটিন ভাষায় অনূদিত আল বাত্তানীর বাতানীর জ্যোতিঃশাস্ত্রীয় তালিকাসমূহ বহু শতাব্দী ধরে ইউরোপের জ্যোতিঃশাস্ত্রের ভিত্তিরূপে গৃহীত হয়েছিলো। আবাসীয় শাসক বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির শিবিরের প্রধান কুখ্যাত যোদ্ধা আমর ইবনে আবদে উদকে জাহান্নামে প্রেরণ:
মুসলিম বাহিনীর সমাবেশ কেন্দ্রে আমরের আস্ফালন ও দম্ভোক্তির বিপরীতে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছিলো। তখন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছিলেন, মুসলমানদের মধ্য থেকে একজন বের হয়ে এ লোকের অনিষ্ট থেকে মুসলমানদের রেহাই দিক। কিন্তু একমাত্র আমিরুল মু’মিনীন, ইমামুল আউওয়াল, হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি ছাড়া আর কেউই জিহাদের জন্য প্রস্তুত হলেন না।
অগত্যা এ সমস্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মুসলমান আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা ও হানাফী মাযহাবের অনুসারী। দেশের খ্যাতনামা আলেম ও ফকিহ দ্বারা রচিত ২০১০ সাল থেকে নতুন পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়ে বিগত ১৬ বছর পাঠদান চলে আসছে। ২০২৬ সালের জন্য পরিমার্জন করতে গিয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আকাইদ, ফিকহ্ ও আখলাকের ক্ষেত্রে জামাতি আকিদা সালাফিজমকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।
এর নেতৃত্বে ছিলো বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিয়া নুরুল হক। সে জামাতের রোকন। আরেকজন ছিলো কট্টর সালাফ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
আমার বলার মূল উদ্দেশ্য হলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে বুলন্দী শান মুবারক, এটা মানুষ বুঝতে পারেনি। এটা হলো মূল কথা। আর উনার যে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক হলেন, হওয়ার পরে উনি তাহলে কোথায় ছিলেন? পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মধ্যে। আচ্ছা; ঠিক আছে। এটার কাইফিয়্যাতটা কি? কাইফিয়্যাতটা বলো। কাইফিয়্যাত বুঝো না? কাইফিয়্যাত অর্থ কি? বলো।
আরযী: সাধারণভাবে ধরন।
জওয়াব মুবারক: অবস্থান, হাল। কাইফিয়্য বাকি অংশ পড়ুন...
৩২. কির্কের শাসক রেজিনাল্ড:
‘আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- হযরত সুলতান সালাহউদ্দীন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তাকে সম্মানিত দ্বীন ইসলামে প্রবেশের আহ্বান জানান। কিন্তু রেজিনাল্ড উনার আহবানে সাড়া না দিয়ে অস্বীকার করে। তখন হযরত সালাহউদ্দীন আইয়ুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
نَعَمْ، أَنَا أَنُوْبُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الِانْتِصَارِ لِأُمَّتِهِ
‘হ্যাঁ, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উনার উম্মতের সাহায্যার্থে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছি।’
এরপর বাকি অংশ পড়ুন...
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য লেখা পড়তে পারার পদ্ধতির নাম ব্রেইল
ব্রেইল হচ্ছে যে পদ্ধতিতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা লেখা পড়তে পারে। এই পদ্ধতিতে এক বিশেষ অক্ষর বা সংকেত ব্যবহার করা হয়। যা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা হাত দিয়ে স্পর্শ করে বুঝতে পারে। এই অক্ষর বা সংকেত কে বলা হয় ব্রেইল অক্ষর। ছয়টি ডট বা ফুটো দিয়ে তৈরি হয় ব্রেইল অক্ষর। এই ব্রেইল পদ্ধতিতে পড়ার জন্য প্রশিক্ষণ নিতে হয় তবেই একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্রেইল অক্ষর দিয়ে লেখা কাগজ বা বই পড়তে পারবে।
উনিশ শতকের শুরুর দিকে এ পদ্ধতির প্রবর্তন হয়। ১৮২৭ সালে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য প্রথম ছয় ডট বাকি অংশ পড়ুন...
মাস শুরু এবং শেষ, বিশেষ দিন নির্বাচনে চাঁদের ক্যালেন্ডারের যেমন প্রয়োজনীয়তা রয়েছে; তেমনি ওয়াক্ত নির্ণয়ে প্রয়োজন রয়েছে সৌর ক্যালেন্ডারের। কিন্তু ইতিহাসে মুসলমানগণের রচিত কোনো সৌর ক্যালেন্ডারের তথ্য পাওয়া যায় না। ফলে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহারে মুসলমানগণ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু অনেক কারণেই মুসলমানগণের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা উচিত নয়।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির মাধ্যমে অজান্তেই প্রতিদিন অনেক দেব-দেবীর নাম স্মরণ হয়। এই বর্ষপঞ্জির ৬টি মাসের নামকরণ করা হয়েছে দেব-দেবীর নামে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্র বাকি অংশ পড়ুন...
৩) মালি সাম্রাজ্যে! বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষের রাজ্য!
ঘানা সাম্রাজ্যের ধ্বংসের উপরই একসময় উৎপত্তি হয় মালি সাম্রাজ্যের। এই সাম্রাজ্যের বিখ্যাত শাসক ছিলেন দুইজন। একজন হলেন মালি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা “সুন্দিয়াতা”। যিনি ১২৩০ হতে ১২৫৫ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন। অপর বিখ্যাত শাসক ছিলেন “মানস মুসা”।
মানস মুসা ১৩১২ সাল থেকে ১৩৩৭ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ২৫ বছর মালি সাম্রাজ্য তথা আজকের মালি, মৌরতানিয়া, সেনেগাল, নাইজারকে শাসন করেছিলেন। তিনি খুবই দ্বীনদার ছিলেন। তার আগের শাসকরা যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় স্কলারের অপছন্দের ছিলেন, সে জায়গায় বাকি অংশ পড়ুন...












