বক চয় এমন একটি সবজি বা শাক যা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভীষণ জনপ্রিয়। এটিকে চাইনিজ বাঁধাকপিও বলা হয়। এটি শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয় বিশেষত ভাজি, ভর্তা, কিংবা স্যুপ হিসেবে। বক চয় সহজলভ্য এবং রান্না করাও সহজ। এটি কেবল সুস্বাদুই নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী যেটি অনেকেই জানে না। তাই আজ আমরা জানবো বক চয়ের উপকারিতা-
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
বক চয় মূলতঃ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ, এতে উপস্থিত উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সি বাকি অংশ পড়ুন...
হালিম এমন একটি খাবার যা বহু বছর ধরে ইফতারের সময় জনপ্রিয়। ইফতারে হালিম খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। কিন্তু ইফতারে হালিম খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত কি না সেটা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে।
হালিম ডাল, গম, গোশত, মসলা ও ঘি দিয়ে তৈরি হয়, যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে এটি স্বাস্থ্যসম্মত কি না তা নির্ভর করে কিভাবে এটি তৈরি করা হয়েছে এবং কতটুকু খাওয়া হচ্ছে তার ওপর। হালিম একটি পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে যদি এটি ঘরে তৈরি হয় এবং তেলে-ঝালে ভারি না হয়।
এটি দ্রুত শক্তি পুনরুদ্ধার করে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। বাকি অংশ পড়ুন...
(পর্ব-২)
দেহে ক্ষতিকারক চর্বি হ্রাস ও উপকারী চর্বি সংশ্লেষ বৃদ্ধিঃ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, রমাদ্বান শরীফ মাসে আমাদের রক্তের ক্ষতিকারক চর্বির উপাদান যথাঃ লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (খউখ) এবং ভেরি লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনের পরিমান হ্রাস পায়। অন্যদিকে আমাদের শরীরের সুরক্ষায় কাজ করে এমন চর্বির উপাদান যথাঃ হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (ঐউখ) এর পরিমাণ বেড়ে যায়। উপরন্তু রোযা থাকার ফলে দেহের নানাবিধ রোগের কারণ ট্রাইগ্লিসারাইড, প্রদাহ ও জারণ প্রক্রিয়ার হরমোনগুলোও কমে; যা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী।
রক্তের বিভিন্ন কণিকা ও উপাদানে বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতেও রোযার উপকারিতা অপরিসীম। জীব বিজ্ঞানের গবেষণার ফলে আমরা জানি, প্রতিটি প্রাণীর শরীর একটি উচ্চতর এবং সূক্ষ¥ জৈব রাসায়নিক কারখানা এবং এটিকে সচল রাখতে প্রয়োজন হয় শক্তি। উক্ত শক্তির জোগান দিতে স্রষ্টা জীবজগতের জন্য নানা প্রকারের খাদ্যদ্রব্যের ব্যবস্থা করেছেন। সাধারণত একজন মানুষের এই শক্তি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে কমপক্ষে দৈনিক তিনবার খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ করতে হয়। তবে মানুষ উন্নত আত্মা সম্পন্ন জীব হওয়ায় মানুষের সঙ্গে অন্যান্য পশুর পার্থক্য হলো মানুষ তার ক্ষুধা-পিপাসা এবং যৌন প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণ করতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
সারা দিন পরিশ্রমের পর অনেকে বাড়ি ফিরে রাতে কোনোমতে খাওয়া-দাওয়া করেই ঘুমিয়ে পড়েন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভরপেট খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ার এই অভ্যাস একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, দুপুর হোক কিংবা রাত, ভরপেট খেয়ে বেশ কিছুক্ষণ সচল থাকা জরুরি। এ কারণে খাওয়ার পর অন্তত ১০ মিনিট হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। খাওয়া-দাওয়ার পর সচল থাকলে শরীরও ভালো থাকে। হজমের সমস্যাও অনেক কমে যায়। ভরপেট খাওয়ার পর হাঁটার অভ্যাসে কী কী উপকার হয় তা জানানো হয়েছে, যেমন-
১. ভারী খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়লে বদহজমের আশঙ্কা থাকে। বরং যদি হাঁটা যায়, তা হলে হজমশক বাকি অংশ পড়ুন...
সব মানুষের দুশ্চিন্তা ও উত্তেজনা নেওয়ার ক্ষমতা সমান হয় না। কারণ হঠাৎ রাগ, ভয়, দুশ্চিন্তা বা তীব্র উত্তেজনা- এই অনুভূতিগুলো কেবল মানসিক নয়, শারীরিক প্রতিক্রিয়াও তৈরি করে।
বিশেষ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) আছে বা বয়স বেশি, তাদের ক্ষেত্রে এই আবেগজনিত প্রতিক্রিয়া মুহূর্তেই রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এখন প্রশ্ন হলো- কেন এমন হয়, আর তখন কি করা উচিত?
কেন দুশ্চিন্তা রক্তচাপ বাড়ায়?
স্ট্রেস বা মানসিক চাপ তৈরি হলে শরীর ‘ফাইট অর ফ্লাইট’ প্রতিক্রিয়ায় যায়। অ্যাড্রেনালিন ও কর্টিসল নামের স্ট্রেস হরমোন নিঃসৃত হয়। এর ফলে হৃদস্পন্দন বে বাকি অংশ পড়ুন...
আসছে পবিত্র রোযার মাস। রোযা রেখে খেজুর খেয়ে ইফতার শুরু করা খাছ সুন্নত। তাই রোযায় খেজুরের কদর বেড়ে যায়। খেজুর না থাকলে ইফতার পরিপূর্ণ হয় না।
কিন্তু কি আছে এই খেজুরে, আমরা কেন এত গুরুত্বের সঙ্গে খেজুর খাই? আমরা হয়তো অনেকেই জানি মিষ্টি মধুর ছোট এই ফলটির গুণের কথা। আর যারা না জেনেই খেজুর খাই, তারা জেনে নিন।
খেজুরের উপকারিতা প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদরা জানান, খেজুরকে বলা হয় সুপারফুড। এটি সারাবছর খাওয়া উচিত।
একজন রোযাদার মানুষের ইফতারের সময় খেজুর খাওয়া ভীষণ প্রয়োজন। কারণ সারাদিন পর খেজুর খেলে ক্যালোরি, এনার্জি এবং খনিজ গুণ পাওয়া যায় খুব দ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত সুন্নতী সবজি কদু হজমে সাহায্য করে। কদুতে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার আছে। দ্রবণীয় ফাইবার খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে এবং হজম সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। তাই নিয়মিত সুন্নতী সবজি কদু খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শ, পেটফাঁপা ও অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে খুবই উপকার পাওয়া যায়। অদ্রবণীয় ফাইবার পাইলসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
নিয়মিত সুন্নতী সবজি কদু খাওয়া হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কদুতে কলেস্টেরল পরিমাণ শূন্য; যা হার্টের রোগীদের সুস্থ রাখতে অত্যন্ত সহায়ক। এতে ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টি বাকি অংশ পড়ুন...
শসার সাথে খেজুর একসাথে খাওয়াকে কিছ্ছা বলে। এটি গরম ও ঠা-ার একটি সুষম মিশ্রণ। এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَأْكُلُ الْقِثَّاءَ بِالرُّطَبِ.
অর্থ: “হযরত আবদুল্লাহ ইবনে জাফর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শসার সঙ্গে “রুত্বাব” (পাকা খেজুর) খেতেন।” (আবূ দাউদ শরীফ : কিতাবুত ত্বয়ামাহ : পবিত্র হাদীছ শরীফ নং ৩৮৩৫)
পবিত্র হাদীছ শর বাকি অংশ পড়ুন...
টাঙ্গাইল সংবাদাদতা:
প্রথমবারের মতো চাষ হচ্ছে ওষধি গুণসম্পন্ন ‘রোজেলা চা’। পরীক্ষামূলক চাষেই মিলেছে অভাবনীয় সাফল্য। স্বল্পখরচে অধিক লাভ হওয়ায় অনেক কৃষক এখন বাণিজ্যিকভাবে এ লাল চা চাষের স্বপ্ন দেখছেন। কৃষি বিভাগও বলছে, রোজেলা চা’ চাষে বাণিজ্যিক ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
পরীক্ষামূলকভাবে দুই শতক জমিতে এ অর্থকরী ফসলের চাষ করেছেন টাঙ্গাইলের মধুপুরের মহিষমারা গ্রামের স্বর্ণপদক প্রাপ্ত কৃষক ছানোয়ার হোসেন। ফলন ও চায়ের স্বাদ প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। নেই কোনো যতœ, নেই রাসায়নিক সার বা কীটনাশকের ব্যবহার। এন্টিঅক্সিডেন্টসহ নানা ওষু বাকি অংশ পড়ুন...
পানি পান করা আমাদের প্রতিদিনের এমন একটি কাজ, যা নিয়ে আলাদা করে তেমন ভেবে দেখাই হয় না। কিন্তু শরীরের জন্য এর গুরুত্ব একবার জানলে আপনি ভাবতে বাধ্য হবেন যে, দিনে আসলে কতটা পানি পান করা উচিত? নাকি শরীরের চাহিদা মানুষ ভেদে বদলায়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, পানির চাহিদা কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যার মধ্যে বেঁধে দেওয়া যায় না। বয়স, শরীরের ওজন, কাজের ধরন, আবহাওয়া এমনকি শারীরিক অবস্থার ওপরও নির্ভর করে একজন মানুষের দৈনিক পানির প্রয়োজন আলাদা আলাদা হতে পারে।
আমাদের শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশই পানি। হজম, রক্ত সঞ্চালন, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য বের করে দে বাকি অংশ পড়ুন...












