SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রক্তচাপ%' OR titleBn LIKE '%রক্তচাপ%' OR descriptionEn LIKE '%রক্তচাপ%' OR descriptionBn LIKE '%রক্তচাপ%' OR slug LIKE '%রক্তচাপ%' OR metaTag LIKE '%রক্তচাপ%' OR metaDescription LIKE '%রক্তচাপ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ইস্তেঞ্জার (প্রস্রাবের) সাথে দেহের ভেতরের বর্জ্যপদার্থ বের হয়। পাশাপাশি অনেক রোগের নীরব বার্তাও প্রদান করতে পারে। ইস্তেঞ্জার (প্রস্রাব) সাথে ফেনা দেখা দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। এ ফেনা কখনো কখনো কিডনী রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবেও ধরা হয়।
সাধারণত স্বাভাবিক ইস্তেঞ্জায় অল্প সময়ের জন্য ফেনা দেখা যায়। কিন্তু যদি ফেনা বারবার হয় এবং অনেক্ষণ স্থায়ী এবং বারবার দেখা যায় তা কিডনী রোগের সংকেত হিসেবে ধরা যায়।
সাধারণ কারণ:
দ্রুত বা জোরে ইস্তেঞ্জা বের হলে পানিতে বাতাস মিশে ফেনা তৈরী হয়, যা অল্প সময়েই মিলিয়ে যায়।
দীর্ঘক্ষণ জমে থাকা বাকি অংশ পড়ুন...
ফ্যাটি লিভার কী?ফ্যাটি লিভার হলো এমন একটি অবস্থা, যখন লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করে। সাধারণত লিভারে সামান্য চর্বি থাকা স্বাভাবিক। তবে লিভারের মোট ওজনের ৫ শতাংশের বেশি চর্বি জমলে তাকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।ফ্যাটি লিভার হওয়ার প্রধান কারণ:-১. অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা: যাদের ওজন বেশি বা পেটের মেদ বেশি, তাদের ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি অনেক বেশি। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি লিভারেও জমতে থাকে।২. অতিরিক্ত চিনি ও জাঙ্ক ফুড খাওয়া: কোমল পানীয়, মিষ্টি, কেক, বিস্কুট, ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়মিত খেলে লিভারে চর্বি জমার আশঙ্কা বাড়ে।৩. ডা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বর্ষ পরিক্রমার প্রথম মাস পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ উনার ১০ তারিখ মুবারক উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আল বাকি অংশ পড়ুন...
শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে হিমোগ্লোবিন। রক্তের লোহিত কণিকায় থাকা এই প্রোটিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পৌঁছে দেয়।
একই সঙ্গে এটি দেহকোষ থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করে ফুসফুসে নিয়ে আসে, যাতে তা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে। তাই রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট এবং রক্তশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে চিকিৎসকরা অন বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে কম বয়সীদের মধ্যেও ফ্যাটি লিভারের প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যাটি লিভার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জীবনযাপনের পরিবর্তনের মাধ্যমে উল্টে দেওয়া সম্ভব। তবে অবহেলা করলে এটি নন-অ্যালকোহলিক স্টিয়াটোহেপাটাইটিস, লিভারে প্রদাহ, সিরোসিস (লিভারের স্থায়ী ক্ষত) এমনকি লিভার ক্যানসারের কারণ হতে পারে। জীবনযাত্রার পরিবর্তনে ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে করণীয় জেনে নিন।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা:
অতিরিক্ত ওজন থাকলে মোট শরীরের ওজনের ৫-১০ শতাংশ কমাতে পারলেও লিভারের চর্বি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে।
সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা:
প্রতিদিন বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মসলার রয়েছে দারুণ সব চিকিৎসাগুণ। রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ওষুধি গুণের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় নানা ধরনের মসলার ব্যবহার প্রচলিত হয়ে আসছে।
(১) হলুদ:
মসলার অন্যতম উপাদান হলুদের চিকিৎসাগুণ সম্পর্কে এমএইচ সমরিতা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের পুষ্টিবিদ আঞ্জুমান আরা বলেন, ‘হলুদ আমাদের শরীরের জন্য এক অনন্য ‘সুরক্ষা প্রাচীর’। হলুদের মূল উপাদান হলো কারকিউমিন, যার রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ বাকি অংশ পড়ুন...
রসালো জামই নয়, পুষ্টিতে ভরপুর এর বীজও। তবে বেশিরভাগ মানুষ জাম খাওয়ার পর বীজ ফেলে দেন। অথচ এই বীজেও রয়েছে এমন কিছু গুণ, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। জেনে নিন জামের বীজের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপকারিতা-
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: জামের বীজের গুঁড়া রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করতে পারে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে। এজন্য বীজ শুকিয়ে গুঁড়া করে প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস পানির সঙ্গে এক চা-চামচ মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখ বাকি অংশ পড়ুন...
যমযমের পানি ক্ষুধার্তের খাদ্য ও রোগের শেফা:
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي ذَرٍّ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَكَرَا زَمْزَمَ فَقَالَ إِنَّهَا مُبَارَكَةٌ إِنَّهَا طَعَامُ طُعْمٍ وَشِفَاءُ سُقْمٍ.
অর্থ: “হযরত আবূ যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই যমযমের পানি বরকতপূর্ণ। তা তৃপ্তিকর খাদ্য এবং রোগ নিরাময়ের ঔষধ।” (মু’জামুছ ছগীর বাকি অংশ পড়ুন...
প্রচ- গরমে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে এবং পানিশূন্যতা দূর করতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পানীয় অংশসমৃদ্ধ ফল রাখা অত্যন্ত জরুরি। এসব ফল শুধু পানির ঘাটতি মেটায় না, বরং প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও জারণরোধী উপাদান সরবরাহ করে শরীরের সামগ্রিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে। বিশেষ করে তরমুজ, জাম, বাঙ্গি ও তালশাঁস শরীরের পানির অভাব পূরণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
গরমে প্রশান্তি দিতে বাঙ্গির তুলনা হয় না, যাতে প্রায় ৯০ শতাংশ পানি থাকে। এই ফলে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড এবং প্রচুর আঁশ। এসব উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ত্বকের উজ্জ্বলতা ব বাকি অংশ পড়ুন...












