SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%যুদ্ধ%' OR titleBn LIKE '%যুদ্ধ%' OR descriptionEn LIKE '%যুদ্ধ%' OR descriptionBn LIKE '%যুদ্ধ%' OR slug LIKE '%যুদ্ধ%' OR metaTag LIKE '%যুদ্ধ%' OR metaDescription LIKE '%যুদ্ধ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল ইহসান ডেস্ক:
ইয়েমেনের হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সউদী আরব ও হুথিদের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও বেড়ে গেছে। দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় চার বছর ধরে চলা অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হুথিদের দাবি, সউদী আরব তাদের নিয়ন্ত্রিত সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালানোর পর পাল্টা জবাব হিসেবে তারা সউদী ভূখ-ে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। তবে রিয়াদ জানিয়েছে, হুথিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
ইয়েমেনে সক্রিয় সউদী নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র সামাজিক যো বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে বর্তমানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা সক্রিয় দায়িত্ব পালন করছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ইরাকের ঘাঁটিগুলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদ দেয়। এসব ঘাঁটি থেকে গাজা, লেবানন, ইয়েমেন, ইরানসহ আফ্রিকার বিভিন্ন মুসলিম দেশগুলোতে যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও বিভিন্ন সামরিক (আগ্রাসী) ইউনিট পরি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইয়েমেনে হুথি স্বাধীনতাকামীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার আগে সৌদি আরবের শাসক বিন সালমান সন্ত্রাসী ড্রাম্পের সমর্থন চেয়েছিলো এবং তা পেয়েছিলো বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই অভিযানকে ঘিরে সৌদি আরবের উদ্বেগ ছিলো, হুথিদের সঙ্গে সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে। সে কারণেই সামরিক পদক্ষেপের আগে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামরিক সমর্থন নিশ্চিত করতে চেয়েছিলো রিয়াদ।
গত সোমবার সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের বিমান হামলা এবং এরপরই হুথিদের পাল্টা ক বাকি অংশ পড়ুন...
বনু কুরায়জাকে শাস্তিদানের ব্যাপারে রায় দানকারী ছাহাবী হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক:
হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একজন অন্যতম ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন। যিনি সম্মানিত বদর, উহুদ ও খন্দকের জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সম্মানিত হিজরতের পূর্বে মদীনা শরীফে তিনি নিজ গোত্র আওসের আমীর ছিলেন। পবিত্র মদীনাবাসীদেরকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম শিক্ষা দেয়ার জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল বাকি অংশ পড়ুন...
মার্কিন কর্নেল রাল্ফ পিটার ২০০৬ সালের “U-S Armed Forces Journal”- এর জুন সংখ্যায় একটি মানচিত্র প্রকাশ করে। উক্ত মানচিত্রের শিরোনাম ছিল ‘বিস্তৃত মধ্যপ্রাচ্য প্ল্যান’। উক্ত প্ল্যানে যেসব মুসলিম দেশকে টুকরা টুকরা করার লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়েছিল তা হলো-
১। সৌদি আরব:
সৌদি আরবের বর্তমান ভূখন্ড-কে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হবে।
এর কিছু অংশ জর্দানের সাথে যোগ করে Greater Jordan,
কিছু অংশ ইয়েমেনকে দেয়া হবে,
কিছু অংশ কুয়েতকে দিয়ে
অবশিষ্ট অংশে দুইটি দেশ গঠন করা হবে।
একটি হলো মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফ নিয়ে Islamic Sacred State।
অপরটির নাম হলো ঝড়ঁফর Homeland Independent Territory.
২। সিরিয়া:
সিরিয়ার পশ্চ বাকি অংশ পড়ুন...
যুদ্ধ, শত্রুতা ও মার্কিন আগ্রাসন চললে হরমুজ প্রণালি কখনও খুলবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া এ কথা জানিয়ে বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ নিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কোনোভাবেই ছাড় দেবে না।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহেরের বরাতে সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আক্রামিনিয়া জানান, হরমুজ প্রণালি চালু করার একমাত্র পথ হলো ইরানি জনগণের অধিকারকে সম্মান করা।তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ, শত্রুতা এবং মার্কিন আগ্রাসনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি কখনও বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক প্রতিরক্ষা কৌশলে কেবল সৈন্য সংখ্যা দিয়ে যুদ্ধ জয় অসম্ভব, যদি না প্রতিটি সেনাকে প্রযুক্তিগতভাবে সুপার-সোলজারে' রূপান্তর করা যায়। যখন বাহিনীর আকার ৫০ লক্ষাধিক বিশাল বহরের হয়, তখন তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা, কার্যক্ষমতা এবং যুদ্ধের স্থায়িত্ব ধরে রাখার জন্য পার্সোনাল ট্যাকটিক্যাল ও সারভাইভাল লজিস্টিকসের প্রয়োজনীয়তা এক বিশাল লজিস্টিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়।
একটি বিশাল বাহিনীকে শতভাগ আধুনিকায়ন করতে কী বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তিগত লজিস্টিকস লাগবে এবং এই বিশাল সরবরাহের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সমীকরণ কেমন হওয়া উচি বাকি অংশ পড়ুন...
বত্রিশ পৃষ্ঠার একটি চুক্তি, যেখানে ইংরেজি শব্দ shall -এর ব্যবহার হয়েছে একশো উনআশি বার। এর মধ্যে একশো একত্রিশ বারই shall শব্দটা জুড়ে দেয়া হয়েছে বাংলাদেশের সাথে। বাংলাদেশ shall অর্থাৎ বাংলাদেশ নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিতে বাধ্য থাকবে। এমন শর্তগুলো আছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সই হওয়া Agreement on Reciprocal Trade বা ART বাণিজ্য চুক্তিতে।
এতে যেসব শর্তের কথা বলা হয়েছে সেসব মানতে হলে জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও স্বাধীন অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে পারে বাংলাদেশ। এই চুক্তির ধারাগুলোর প্রভাব কোথায় কেমন জানবো আজকের Star Explains -এ। বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের আলটিমেটাম উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালির কাছে একটি বাণিজ্যিক কার্গো জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিট থেকে হামলা শুরু হয়।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে ইরান-মার্কিন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক আরও সংকট বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিগুলোতে একের পর এক হামলা চলমান রেখেছে তেহরান। ইরান জানিয়েছে, জর্ডানের প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটি ও কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) (১২ জুলাই) আইআরজিসি এ দাবি করে। খবর আল জাজিরা ও মেহের নিউজ এজেন্সির।
প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ইরানের মহাকাশ বাহিনী ঘাঁটির কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার এবং এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের হ্যাঙ্গার ধ্বংস করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার বিরুদ্ধে বিধ্বংসী জবাবে বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানে সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র একটি সম্ভাব্য স্থল অভিযানের কথা ঘোষণা দিলে দখলদার ইসরায়েল কোন বাহিনী সে অভিযানে অংশ নেবে না অস্বীকৃতি জানিয়ে আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থল হামলা চালায়, তবে তাতে ইসরায়েলি সন্ত্রাসী সৈন্যরা অংশ নেবে না। এতে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, এই ধরনের যেকোনো অভিযানের দায়িত্ব ইসরায়েল শুধু মার্কিন সন্ত্রাসী সেনাদের ওপরই ছেড়ে দেবে।
দখলদার ইসরাইলকে নিয়ে এই প্রতিবেদন সন্ত্রাসবাদী যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র প্রতিক্রিয় বাকি অংশ পড়ুন...












