সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৫৬)
, ১০ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৪ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ০৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
ফানা-বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক
মালিক ইবনে নুওয়াইরাহ্কে হত্যা:
মালিক ইবনে নুওয়াইরাহ্ ছিলো বনী তামীম গোত্রের প্রধান। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় সে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারককালে সে পবিত্র যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তখনও সে বনী তামীম গোত্রের প্রধানই ছিলো। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানী করার কারণে হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি শাস্তিস্বরূপ তাকে মৃত্যুদ- দেন। সুবহানাল্লাহ! যদিও তাকে মৃত্যুদ- দেয়ার পূর্বে সে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বীকৃতি দিয়েছিলা। কিন্তু হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি তার থেকে তা গ্রহণ করেননি। সুবহানাল্লাহ! তিনি উনার এই সম্মানিত আমল মুবারক দ্বারা এই বিষয়টিই স্পষ্ট করে দিলেন যে, যারা বিন্দু থেকে বিন্দুতমও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক-এ চূ-চেরা, ক্বীলও ক্বাল করবে, উনার মানহানী করবে, তাদের একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদ-। তাদের তাওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। এই সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
اَنَّهٗ مَنَعَ الزَّكٰوةَ زَمَنَ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ اَبِىْ بَكْرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَاَرْسَلَ اِلَيْهِ حَضْرَتْ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيْدِ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ فِـىْ مَنْعِ الزَّكـٰوةِ فَقَالَ مَالِكٌ اَنَا اٰتِـىٌ بِالصَّلـٰوةِ دُوْنَ الزَّكٰوةِ فَقَالَ حَضْرَتْ خَالِدٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَمَا عَلِمْتَ اَنَّ الصَّلـٰوةَ وَالزَّكٰوةَ لَا تُقْبَلُ وَاحِدَةٌ دُوْنَ الْاُخْرٰى فَقَالَ مَالِكٌ قَدْ كَانَ صَاحِبُكُمْ يَقُوْلُ ذٰلِكَ فَقَالَ حَضْرَتْ خَالِدٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ وَمَا تَرَاهُ لَكَ صَاحِبًا وَاللهِ لَقَدْ هَـمَمْتُ اَنْ اَضْرِبَ عُنُقَكَ ثُـمَّ تَـجَادَلَا فِـى الْكَلَامِ فَقَالَ حَضْرَتْ خَالِدٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِنِّـىْ قَاتِلُكَ قَالَ اَوْ بِذٰلِكَ اَمَرَكَ صَاحِبُكَ قَالَ وَهٰذِهٖ بَعْدَ تِلْكَ وَكَانَ حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ وَحَضْرَتْ اَبُوْ قَتَادَةَ الْاَنْصَارِىُّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ حَاضِرَيْنِ فَكَلَّمَا حَضْرَتْ خَالِدًا رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ فِـىْ اَمْرِهٖ فَكَرِهَ كَلَامَهُمَا فَقَالَ مَالِكٌ يَا حَضْرَتْ خَالِدُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِبْعَثْنَا اِلـٰى سَيِّدِنَا حَضْرَتْ اَبِـىْ بَكْرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَيَكُوْنُ هُوَ الَّذِىْ يَـحْكُمُ فِيْنَا فَقَالَ حَضْرَتْ خَالِدٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ لَا اَقَالَنِـىَ اللهُ اَنْ اَقَلْتُكَ فَاَمَرَ حَضْرَتْ ضِرَارَ بْنَ الْاَزْوَرِ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ بِضَرْبِ عُنُقِهٖ فَالْتَفَتَ مَالِكٌ اِلـٰى زَوْجَتِهٖ وَكَانَتْ فِـىْ غَايَةٍ مِّنَ الْـجَمَالِ فَقَالَ لِـحَضْرَتْ خَالِدٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ هٰذِهٖ هِىَ الَّتِـىْ قَتَلَتْنِىْ فَقَالَ حَضْرَتْ خَالِدٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ بَلِ اللهُ قَتَلَكَ بِرُجُوْعِكَ عَنِ الْاِسْلَامِ فَقَالَ مَالِكٌ اَنَا عَلَى الْاِسْلَامِ فَقَالَ حَضْرَتْ خَالِدٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ يَا حَضْرَتْ ضِرَارُ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اِضْرِبْ عُنُقَهٗ فَضَرَبَ عُنُقَهٗ
অর্থ: “খলীফাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারককালে মালিক ইবনে নুওয়াইরাহ্ পবিত্র যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তাই সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে মালিক ইবনে নুওয়াইরার নিকট প্রেরণ করেন। মালিক ইবনে নুওয়াইরাহ্ হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে বললো, আমি নামায আদায় করবো, যাকাত প্রদান করবো না। নাঊযুবিল্লাহ! হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি তাকে বললেন, তুমি কি জানো না যে, ‘সম্মানিত নামায’ এবং ‘সম্মানিত যাকাত’ এই দুইটি একটি ব্যতীত আরেকটি ক্ববূল হয় না। সুবহানাল্লাহ! তখন সে বললো, (صَاحِبُكُمْ) ‘আপনাদের সাথী’ কি এরূপ বলতেন? না‘ঊযুবিল্লাহ! জবাবে হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, তুই কি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে তোর মালিক হিসেবে দেখিস না? মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! আমি শপথ করেছি যে, অবশ্যই অবশ্যই আমি তোর গর্দান উড়িয়ে দিবো। অতঃপর উভয়ের মাঝে তর্কযুদ্ধ শুরু হলো। তারপর হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, অবশ্যই আমি তোকে হত্যা করবো? মালিক ইবনে নুওয়াইরাহ্ বললো, (صَاحِبُكُمْ) ‘আপনাদের সাথী’ কী আপনাকে এরূপ করার জন্য নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন? না‘ঊযুবিল্লাহ! হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি তাকে বললেন, এরপরেও তুই এই কথা বললি? সেখানে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি এবং হযরত আবূ ক্বাতাদাহ্ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি অর্থাৎ উনারা উভয়ে উপস্থিত ছিলেন। উনারা উভয়ে হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সাথে উনার সিদ্ধান্ত মুবারক উনার ব্যাপারে কথা বললেন। তিনি উনাদের উভয়ের কথা অপছন্দ করলেন। তখন মালিক ইবনে নুওয়াইরাহ্ হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে বললো, হে হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু! আপনি আমাদেরকে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার নিকট প্রেরণ করুন। তিনি যা ফায়ছালা করবেন, সেটাই হবে। জবাবে হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে তোকে মৃত্যুদ- দেয়ার বিষয়ে অব্যাহতি দেননি যে, আমি তোকে অব্যাহতি দিবো। অর্থাৎ আমি তোকে অবশ্যই মৃত্যুদন্ড দিবো। সুবহানাল্লাহ! (কারণ তুই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানী করেছিস।) তারপর তিনি হযরত দ্বিরার ইবনে আয্ওয়ার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে নির্দেশ মুবারক দিলেন তার গর্দান উড়িয়ে দেয়ার জন্য। সুবহানাল্লাহ! মালিক ইবনে নুওয়াইরার স্ত্রী ছিলেন সৌন্দর্যের শেষ সীমায় উপনীত। তখন সে তার স্ত্রীর দিকে দৃষ্টি দিয়ে হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে উদ্দেশ্য করে (কারূনের ন্যায় অপবাদ দিয়ে) বললো, তিনিই (আমার স্ত্রীই) কি আমাকে হত্যা করছেন? (অর্থাৎ আমার স্ত্রীর সীমাহীন সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়েই কি আপনি আমাকে মৃত্যুদ- দিতে যাচ্ছেন? না‘ঊযুবিল্লাহ!) জবাবে সাইফুল্লাহিল মাসলূল হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, না; বরং তুই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে মহান আল্লাহ পাক তিনিই তোকে মৃত্যুদ- দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! তখন মালিক ইবনে নুওয়াইরাহ্ বললো, আমি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার উপর রয়েছি। (কিন্তু হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি মালিক ইবনে নুওয়াইরার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে (صَاحِبُكُمْ) ‘আপনাদের সাথী’ বলে মানহানী করার পর, তার সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্বীকৃতির বিষয়টি গ্রহণ করলেন না। সুবহানাল্লাহ! বরং) সাইফুল্লাহিল মাসলূল হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, হে হযরত দ্বিরার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু! আপনি তরবারী দিয়ে তার ঘাড়ে আঘাত করুন। অর্থাৎ তাকে মৃত্যুদ- দিন। তখন হযরত দ্বিরার রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি তরবারী দিয়ে তার ঘাড়ে আঘাত করলেন। অর্থাৎ তাকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদ- দিলেন।” সুবহানাল্লাহ! (শরহুশ শিফা লিল ক্বারী ২/৩৯৩)
তাহলে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে কতটুকু ফানা ও বাক্বা ছিলেন? তাহলে সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সবাইকে উনার মাঝে কতটুকু ফানা ও বাক্বা হতে হবে? তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল? এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সব। সুবহানাল্লাহ!
মূলত, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারাই হাক্বীক্বীভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বুলন্দী শান মুবারক উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। যার কারণে উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে হাক্বীক্বীভাবে ফানা ও বাক্বা হয়ে উনার জন্য উনাদের মাল-সম্পদ সমস্ত কিছু তো বিসর্জন দিয়েছেনই; এমনকি শেষ পর্যন্ত উনাদের জানটুকুও কুরবান করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
তাই, সমস্ত উম্মতের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে হাক্বীক্বীভাবে ফানা ও বাক্বা হয়ে উনার জন্য তাদের মাল-সম্পদ তো অবশ্যই; এমনকি নিজেদের জানটুকুও কুরবান করে দেয়া। সুবহানাল্লাহ! তাহলেই তারা ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী লাভ করতে পারবে।
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক:
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৫৫)
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক:
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৫৪)
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক:
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুত তাশরীফ মুবারক অর্থাৎ মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক পালন করার বিষয়ে বিশিষ্ট মুহাদ্দিছ হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার হাদীছ শরীফ বর্ণনা
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৫৩)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৪৫)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুত তাশরীফ মুবারক (বিলাদতী শান মুবারক) পালন করার বিষয়ে বিশিষ্ট মুহাদ্দিছ হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার হাদীছ শরীফ বর্ণনা
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৬৩)
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












