পবিত্র আওওয়াবীন উনার ওয়াক্ত :
যা মাগরিব নামাযের ফরয ও সুন্নত পড়ার পরই আদায় করতে হয়।
পবিত্র ইশরাক উনার ওয়াক্ত :
সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ পরেই অর্থাৎ সূর্য এক নেজা বা ছয় হাত পরিমাণ উঠার পর হতে পবিত্র চাশত নামাযের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত পবিত্র ইশরাক নামাযের ওয়াক্ত।
পবিত্র দ্বুহা বা চাশত উনার ওয়াক্ত :
ইশরাক ওয়াক্তের পর হতে সূর্য ঢলার পূর্ব পর্যন্ত পবিত্র চাশত নামাযের ওয়াক্ত।
পবিত্র যাওয়াল উনার ওয়াক্ত :
সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে যোহর ওয়াক্ত হওয়ার পর যোহর নামায আদায় করার পূর্বেই পবিত্র যাওয়াল উনার নামায আদায় করতে হয়।
পবিত্র নামা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র তাহাজ্জুদ নামাযের ওয়াক্ত :
{يٰاَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ} ... قَالَ الْعُلَمَاءُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمْ: كَانَ هٰذَا الْـخِطَابُ لِلنَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِىْ اَوَّلِ الْوَحْىِ قَبْلَ تَبْلِيْغِ الرِّسَالَةِ {قُمِ اللَّيْلَ} اَىْ لِلصَّلٰوةِ {اِلَّا قَلِيْلًا} وَكَانَ قِيَامُ اللَّيْلِ فَرِيْضَةٌ فِى الْاِبْتِدَاءِ وَبيَّنَ قَدْرَهٗ فَقَالَ: {نِصْفَهٗ اَوِ انْقُصْ مِنْهُ قَلِيْلًا} اِلَى الثُّلُثِ {اَوْ زِدْ عَلَيْهِ} عَلَى النِّصْفِ اِلَى الثُّلُثَيْنِ خَيَّرَهٗ بَيْنَ هٰذِهِ الْـمَنَازِلِ.
অর্থ: (হে কম্বলাবৃত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) ... হযরত উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন: রিসালত প্রচার কর বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র ঈদের নামায কোন সময় আদায় করলে তা পবিত্র সুন্নত হবে সে সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পবিত্র ঈদ উনার দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ফজর নামায আদায় করে পবিত্র হুজরা শরীফ উনার মধ্যে গিয়ে সকাল সকাল গোসল মুবারক করতেন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর হলে বিজোড় সংখ্যক (৩, ৫, ৭) খোরমা খেজুর মুবারক খেয়ে ঈদগাহে যেতেন। আর পবিত্র ঈদুল আদ্বহার দিনে কিছু না খেয়ে সরাসরি ঈদগাহে যেতেন এবং পবিত্র ঈদের নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে পবিত্র ঈদের নামায আদায় কর বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ই’তিকাফ উনার গুরুত্ব এবং তা শেষ দশকেই করার দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রতি বছর পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকে সম্মানিত ই’তিকাফ মুবারক করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْاَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ.
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশ দিন ই’তিকাফ করতঃ বেজোড় রা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল ‘ছলাতুত তারাবীহ’ আদায়। এই নামায নিয়ে সমাজে ব্যাপক ইখতিলাফ দেখা যায়, অনেক নামধারী মালানা-মুফতী সাহেবরা তারাবীহ নামায ৮ রাকায়াত অথবা ১২ রাকায়াত বলে থাকে। আবার অনেক মসজিদে ৮ রাকায়াত বা ১২ রাকায়াত তারাবীহ আদায়ও করে।
সুওয়াল হলো- ছলাতুত তারাবীহ সংশ্লিষ্ট মাসয়ালা-মাসায়িল ও তারাবীহ নামায কত রাকায়াত এই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عن حضرت على عَلَيْهِ السَّلَامَ و حضرت عمر عَلَيْهِ السَّلَامَ وغيرهما من اصحاب النبى صلى الله عليه وسلم عشرين ركعة.
অর্থ: “ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র তারাবীহ নামায বিশ রাকায়াতই পড়তে হবে। কারণ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এব বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল ‘ছলাতুত তারাবীহ’ আদায়। এই নামায নিয়ে সমাজে ব্যাপক ইখতিলাফ দেখা যায়, অনেক নামধারী মালানা-মুফতী সাহেবরা তারাবীহ নামায ৮ রাকায়াত অথবা ১২ রাকায়াত বলে থাকে। আবার অনেক মসজিদে ৮ রাকায়াত বা ১২ রাকায়াত তারাবীহ আদায়ও করে।
সুওয়াল হলো- ছলাতুত তারাবীহ সংশ্লিষ্ট মাসয়ালা-মাসায়িল ও তারাবীহ নামায কত রাকায়াত এই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।
জাওয়াব: (১ম অংশ)
পবিত্র ছলাতুত তারাবীহ উনার আহকাম:
‘তারাবীহ’ শব্দটি বহুবচন। একবচনে ‘তারবীহাতুন’। এর অর্থ হচ্ছে বিশ্রাম নেয়া বা আরাম করা। পাঁচ তারবী বাকি অংশ পড়ুন...
এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণনাকারী রাবীর জবাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فِي رَمَضَانَ وَلاَ فِي غَيْرِه.
পবিত্র রমাদ্বান শরীফে এবং গায়রে রমাদ্বান শরীফে অর্থাৎ বছরের ১২ মাস রাতের নামায ছিলো মোট ১১ রাকায়াত। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে পবিত্র তারাবীহ্ নামায পড়তেন আর অন্য মাসে কি পড়তেন?
আসলে বাতিল ফিরক্বার লোকগুলো মূর্খ হওয়ার কারণে এই পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা তারাবীহ্র দলীল দিয়ে থাকে। এই পবিত্র হাদীছ শরীফখানা দ্বারা মূলত তারাবীহ্কে বুঝানো হয়ন বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ আসলে অধিকাংশ মসজিদগুলোতে খতম তারাবীহ হোক অথবা সূরা তারাবীহ হোক ইমাম ছাহেব এতো দ্রুতগতিতে তিলাওয়াত করেন যা পিছনে ইক্তিদাকারীগণ কিছুই বুঝেন না। আবার রুকু, সিজদাও এতো দ্রুতগতিতে করেন যাতে মুছল্লীগণ কেউ রুকুতে, কেউ সিজদায়, কেউ কওমায় থাকেন।
সুওয়াল হলো- ওয়াক্তিয়া নামাযের যে নিয়ম অর্থাৎ যেভাবে নিয়ত করতে হয়, তাকবীরে তাহরীমা বাঁধতে হয়, ধীর গতিতে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতে হয়, ক্বওমা-জলসা ঠিক মতো আদায় করতে হবে, তাশাহহুদ শরীফ, দুরূদ শরীফ ও দোয়ায়ে মা’ছূরা শরীফ পাঠ করতে হয়, তারপর সালাম ফিরানোর মাধ্যমে না বাকি অংশ পড়ুন...












