SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুরীদের%' OR titleBn LIKE '%মুরীদের%' OR descriptionEn LIKE '%মুরীদের%' OR descriptionBn LIKE '%মুরীদের%' OR slug LIKE '%মুরীদের%' OR metaTag LIKE '%মুরীদের%' OR metaDescription LIKE '%মুরীদের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৩৬। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা কোন বিষয়ে তলব করলে তৎক্ষনাৎ উনার ডাকে সাড়া দিবে।
“ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন” কিতাবে উল্লেখ আছে, “হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নফল নামায ত্যাগ করে মুর্শিদ কিবলা উনার ডাকে সাড়া দেয়া কল্যাণকর এবং তার ছওয়াব অনেক বেশী।
কেননা একবার আমি নফল নামাযে রত থাকাকালীন আমার মুর্শিদ কিবলা, সুলতানুল হিন্দ, হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে নামায ছেড়ে দিয়ে উনার ডাকে সাড়া দিলাম। তিনি বললেন, আসুন! আমি উনার খিদমতে হাযির হলাম। বাকি অংশ পড়ুন...
৩৫। কাছরাতুস্ সুওয়াল বা অধিক জানতে চাওয়া কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকবে।
রঈসুল মুফাসসিরীন, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরো বলেন, “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কেবল সেই সব সুওয়াল করতেন যা ছিলো উনাদের জন্য উপকারী।” অর্থাৎ একান্ত জরুরী এবং যা উপকারী সে সকল জরুরী মাসয়ালা-মাসায়েল জিজ্ঞাসা করা উচিত। তার দ্বারা যেমন নিজে উপকৃত হবে তদ্রুপ অন্যান্যরাও ফায়দা হাছিল করবে। আর এটা নিন্দনীয় নয় বরং প্রশংসনীয়।
কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ Ø বাকি অংশ পড়ুন...
৩৫। কাছরাতুস্ সুওয়াল বা অধিক জানতে চাওয়া কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকবে।
হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব “আল ইনসাফ ফি বয়ানী আসবাবিল ইখতিলাফ” কিতাবে উল্লেখ করেছেন যে, “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের তরীকা ছিলো- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা আমল মুবারক করতেন, উনারা তা প্রত্যক্ষ করতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আ বাকি অংশ পড়ুন...
৩৫। কাছরাতুস্ সুওয়াল বা অধিক জানতে চাওয়া কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকবে।
কতক লোক এমন আছে যে, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুম-আহকাম সম্পর্কে অনাবশ্যক চূ-চেরা, ঘাঁটা-ঘাঁটি করতে আগ্রহী এবং যেসব বিষয়ে হুকুম দেয়া হয়নি সেগুলো নিয়ে বিনা প্রয়োজনে প্রশ্নের পর প্রশ্ন তুলতে থাকে। হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মায়ের নাম কী ছিলো? ইত্যকার নানা রকমের প্রশ্ন বানিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দেয়। অথচ এসব প্রশ্ন মানুষের দ্বীনি কর্মকান্ডের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। আর এরূপ প্রশ্নকারীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ দ্à বাকি অংশ পড়ুন...
৩৪। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার কোন কথা কাজ কিংবা অন্য কোন বিষয়ের আমানত নষ্ট করবেনা।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আবু লুবাবা ইবনে মুনযির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বনূ কুরাইজা সম্প্রদায়ের কাছে পাঠালেন। উনাকে দেখামাত্র পুরুষরা উনাকে অভিবাদন জানাতে ছুটে আসলো, আর নারী ও শিশুরা উনার সামনে গিয়ে কেঁদে কেঁদে ফরিয়াদ জানালো। তাদের সে বুক ফাটা কান্না দেখে উনার অন্তর বিগলিত হলো। তারা বললো, “হে আবু লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি কী বলেন, আমরা কী নূরে মুজাà বাকি অংশ পড়ুন...
৩৪। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার কোন কথা কাজ কিংবা অন্য কোন বিষয়ের আমানত নষ্ট করবেনা।
ফকীহুল উম্মত, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন ছহিবুস্ সির (গুপ্তভেদ অবহিত ছাহাবী) উনাদের অন্যতম। তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এমন নৈকট্য লাভ করেছিলেন যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনারা উনাকে আহলে বাইতগণের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করতেন। সুবহানাল্লাহ! (মিশকাত শরীফ)
খাদিমু রসূলিল্লাহ, হযরত আনাস ইবনে মালিক রদà বাকি অংশ পড়ুন...
৩৪। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার কোন কথা কাজ কিংবা অন্য কোন বিষয়ের আমানত নষ্ট করবেনা।
আমানত সংরক্ষণ করা স্বীয় কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার খালিছ সন্তুষ্টি-রেজামন্দী ও নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার আমানত সংরক্ষণ দ্বারা সালিক বা মুরীদ- মহান আল্লাহ পাক এবং উনার সম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আমানত সংরক্ষণের শিক্ষা ও শক্তি অর্জন করে। মা’রিফাত ও মুহব্বতের খাযিনা হাছিলের যোগ্যতা পà§ বাকি অংশ পড়ুন...
একদিন হযরত আবূ সাঈদ রহমতুল্লাহি আলাইহি ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, “আমি এসেছিলাম আপনার নিকট বাইয়াত হওয়ার জন্য। আপনার মত মহান ব্যক্তিত্বের ছোহবত ইখতিয়ার করা (সংসর্গে থাকা) একান্ত জরুরী মনে করছি।”
ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আবেদন মঞ্জুর করলেন। উনাকে স্বীয় ছোহবত দানের জন্য বাইয়াত করালেন।
পরের দিন ইমামুল মুত্তাক্বীন হযরত নিজামুদ্দীন বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি খানকা শরীফ উনার দায়িত্বে নিয়োজিত খাদিমকে বলে দিলেন, আজ থেকে আবূ সাঈদ উনার থাকার সà বাকি অংশ পড়ুন...
৩৩। নিজ শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কখনো কারামত দেখতে চাইবে না। কারণ কোন মু’মিন কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট মু’জিযা শরীফ দেখতে চাননি। (মাকতুবাতে ইমামে রব্বানী ২/৩০৬)
সাইয়্যিদুত তায়িফা, সুলতানুল মাশায়িখ, হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খাছ ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ পতিত হলো, হযরত আবূ বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উপর। অন্তরের যবনিকাগুলো অপসারিত হলো। উনার অন্তর চক্ষু খুলে গেলো। তিনি সাইয়্যিদুত তায়িফা, হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করেন। (তাযকিরাতুল আউলিয়া)
সুতরাং ক বাকি অংশ পড়ুন...
৩৩। নিজ শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কখনো কারামত দেখতে চাইবে না। কারণ কোন মু’মিন কোন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের নিকট মু’জিযা শরীফ দেখতে চাননি। (মাকতুবাতে ইমামে রব্বানী ২/৩০৬)
যারা হাকীকী মুরীদ তারা কখনো স্বীয় মুর্শিদ কিবলা উনার নিকট কারামত দেখতে চায় না। আর শায়েখ উনার পক্ষ থেকে কারামত মুবারক প্রকাশিত হওয়ার প্রয়োজনও অনুভব করে না। কারণ তাদের উদ্দেশ্য কারামত বা অলৌকিক ঘটনা নয় বরং তাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার সম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা লুক্বমান শরীফ উনার ১৫নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “ওই ব্যক্তির অনুসরণ করুন, যিনি আমার দিকে রুজু হয়েছেন।” একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’ উনার গুরুত্ব অপর বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...












