SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মহিলার%' OR titleBn LIKE '%মহিলার%' OR descriptionEn LIKE '%মহিলার%' OR descriptionBn LIKE '%মহিলার%' OR slug LIKE '%মহিলার%' OR metaTag LIKE '%মহিলার%' OR metaDescription LIKE '%মহিলার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কৃত্রিম চুল ব্যবহার ও উল্কি করা, ভ্রু উপড়িয়ে ফেলা, রেত দ্বারা ঘষে দাঁতের মাঝে ফাঁক সৃষ্টি হারাম :
عن حَضْرَتْ حُميد ابنِ عبدِ الرحمن رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ أنه سَمعَ حَضْرَتْ معاويةَ بنَ أبي سفيانَ رضي اللهُ تَعَالٰى عَنهُما عام حجَّ وهو على المِنبرِ وتناول قُصَّةً مِنْ شَعرٍ كانت في يَدِ حَرَسِنيّ يقولُ يا أهْلَ المدينةِ اْين عُلمَاؤُكم؟ سمعتُ رسولَ الله صلَّى الله عليه وسلم ينهى عن مِثل هذه ويقول إنما هَلَكَتْ بَنو إسرائيلَ حين اتَّخَذَ هذه نِساؤُهُمْ.
অর্থ: হযরত হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, হযরত মুয়াবিয়া ইবনে আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা তিনি উনার খিলাফতকালীন সময়ে হজ্জের বৎস বাকি অংশ পড়ুন...
অতএব, পুতুল নিয়ে খেলা সম্পর্কিত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা সকলের মতেই মানসূখ। কেননা অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে মূর্তি, পুতুল, ভাস্কর্য, ছবি ইত্যাদি তৈরি করাকে সরাসরি নিষেধ করা হয়েছে এবং তৈরি করাকে কঠিন গুনাহের কারণ বলা হয়েছে।
তাই সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে পতুল তৈরি করা এবং পুতুল নিয়ে খেলা নাজায়িয ও হারাম।
এই চরম জাহিল ও কাট্টা মুনাফিক জানে না, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শুরুতে অনেক বিষয় ছিল যা পরবর্তীতে মানসুখ বা রহিত হয়ে গেছে।
উদাহরণস্বরূপ পর্দার বিধান নাযিল হয়েছে পঞ্চম হিজরী সনে। পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ‘দ্বীন ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু অশান্তি আর অস্থিরতা। বিশেষ করে মহিলাঘটিত ফিতনায় জর্জরিত সমাজ। মহিলারা আজ সর্বত্র লাঞ্ছিত, অপমানিত ও অবহেলিত হচ্ছে এবং মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে। এর সবগুলোর পিছনে কারণ একটাই; তা হলো- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়া; অর্থাৎ অহরহ ছবি তোলা, শরয়ী পর্দার বিধান মেনে না বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
‘আবূ দাউদ শরীফ’ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, “মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি রোকনা পাহলোয়ানকে কুস্তি মুবারকে ধরাশায়ী করেছিলেন।” সুবহানাল্লাহ!
(তবে তা অবশ্যই খেলা হিসেবে নয়; বরং রিসালাতের প্রমাণ ও মু’জিযা মুবারক হিসেবে তিনি রোকনা পাহলোয়ানের সাথে কুস্তি মুবারকে লড়েছেন এবং তাকে পরাস্ত করেছেন।)
উল্লেখ্য, পবিত্র হাদীছ শরীফ বা সম্মানিত শরীয়তে যেসব বিষয়ের অনুমোদন দেয়া হয়েছে, সে বিষয়গুলো কোনো প্রকার খেলার অন্তর্ভুক্ত নয়। অর্থাৎ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে তীর-ধনুক বাকি অংশ পড়ুন...
কয়েকজন একসাথে থাকা সত্ত্বেও বারবার একই ব্যক্তিকে মশায় ধরছে এমনটি প্রায়ই দেখা যায়। বিষয়টিকে অনেকেই ‘রক্ত অনেক মিষ্টি’ বলেন, তাই মশা একই ব্যক্তিকে কামড় দেয়।
কিন্তু বিজ্ঞানের মতে, বিষয়টি রক্তের মিষ্টতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বরং মানুষের শরীর থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড, শরীরের তাপমাত্রা, ত্বকের ঘ্রাণ এবং জিনগত বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করেই মশা শিকার বেছে নেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মশা মানুষের শরীর থেকে নির্গত নানা জৈব সংকেত কয়েক মিটার দূর থেকেই শনাক্ত করতে পারে। এসব সংকেতের কারণেই কেউ মশার কাছে বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে, আবার কেউ তুলনামূলক বাকি অংশ পড়ুন...
إِلاَّ الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبٰى
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিয়েছেন যে, আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যারা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহব্বত মুবারক হাছিল করার মাধ্যম দিয়ে তোমাদেরকে কামিয়াবী হাছিল করতে হবে, এছাড়া তোমাদের কামিয়াবী হাছিল করার কোন ব্যবস্থা নেই। একটাই ব্যবস্থা রয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
أُذَكِّرُكُمُ اللهَ فِي أَهْلِ بَيْتِي، أُذَكِّرُكُمُ اللهَ فِي أَهْلِ بَيْتِي، أُذَكِّرُكُمُ اللهَ فِي أَهْلِ بَيْتِ বাকি অংশ পড়ুন...
লেবাস-পোশাক, কথা-বার্তা, আকার-আকৃতিতে পুরুষের সাদৃশ্যতা অবলম্বনকারী মহিলারা অভিশপ্ত:
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عَن حَضْرَتْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ سَيِّدَتنَا حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ رَأَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ امْرَأَةً عَلَيْهَا نَعْلٌ فَلَعَنَ الرَّجُلَةَ مِنَ النِّسَاءِ-
অর্থ: হযরত আবূ মুলাইকা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খাব্বাব ইবনে আরাত রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক
হযরত খাব্বাব ইবনে আরাত রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি ছিলেন শুরুর দিকে সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণকারী হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি তখন উম্মে আম্মার বিনতে সিবা’ খুজাইয়্যাহ্-এর অধীনে ছিলেন। সে যখন জানতে পারলো যে, তিনি সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেছেন, তখন উনাকে সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম থেকে ফিরানোর জন্য উনার উপর সে কঠিন যুলুম-নির্যাতন চালাতে লাগলো। সে লোহা উত্তপ্ত করে তা উন বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি কেমন লোক ছিলেন? সে কাজিউল কুজাত বলতেছেন,
وَكَانَ يَلْبَسُ الصُّوفَ،
তিনি ছূফী লোক ছিলেন। (তিনি সুন্নতী লিবাস মুবারক পড়তেন।)
وَيَأْمُرُ بِالْمَعْرُوفِ، وَيَنْهَى عَنِ الْمُنْكَرِ،
তিনি সবসময় সৎ কাজের আদেশ করতেন, বদ কাজের নিষেধ করতেন। এবং
وَيُوَجِّهُ فِي كُلِّ سَنَةٍ بِعِشْرِينَ أَلْفَ دِينَارٍ إِلٰى مَدِينَةِ السَّلَامِ
প্রতি বৎসর তিনি বিশ হাজার স্বর্ণ মুদ্রা মহাসম্মানিত মদীনাতুস সালামে পাঠাতেন। কেন?
تُفَرَّقُ عَلٰى صَغَائِرِ وَلَدِ الصَّحَابَةِ،
তিনি বিশ হাজার স্বর্ণ মুদ্রা, বিশ হাজার দিনার পাঠাতেন প্রতি বছর। এখন মহাসম্মানিত মদীনাতুস সালাম নিয়ে ইখতিলাফ। যাই হোক মহাসম্মানিত মদ বাকি অংশ পড়ুন...












