SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ভর্তা%' OR titleBn LIKE '%ভর্তা%' OR descriptionEn LIKE '%ভর্তা%' OR descriptionBn LIKE '%ভর্তা%' OR slug LIKE '%ভর্তা%' OR metaTag LIKE '%ভর্তা%' OR metaDescription LIKE '%ভর্তা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে । এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا مِنْ دَاءٍ إِلَّا فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ مِنْهُ شِفَاءٌ إِلَّا السَّامَ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : কিতাবুস সালাম : পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ১৮৬ শিক্ষার্থীর পারিবারিক আয়, খাদ্যাভ্যাস, পুষ্টিগত অবস্থা ও জীবনযাত্রার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫৫ দশমিক ৯ শতাংশ ছাত্র এবং ৪১ শতাংশ ছাত্রী ছিল। দুপুরের খাবারের ক্ষেত্রেও উদ্বেগজনক চিত্র পাওয়া গেছে। অনেক শিক্ষার্থীর খাবারের তালিকায় কোনো প্রাণিজ প্রোটিন থাকে না। তারা মূলত ডাল, ভর্তা ও সবজি দিয়ে দুপুরের খাবার শেষ করে। রাতের খাবারেও একই প্রবণতা দেখা যায়। মাত্র ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থীর রাতের খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকে।
শিক্ষার্থীদের পুষ্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
১৯৪৯ সালের পর এই প্রথম চীনে শিশুদের তুলনায় বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেশি হয়েছে। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা এখন শূন্য থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে।
গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত চীনের প্রায় ১৪০ কোটি মানুষের মধ্যে ১৫ দশমিক ৮৭ শতাংশের বয়স ছিল ৬৫ বছরের বেশি। অন্যদিকে, শূন্য থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু ছিল ১৫.২৫ শতাংশ।
জনসংখ্যাবিদ হে ইয়াফুর মতে, এই পরিবর্তনের ফলে পরিবারভিত্তিক বয়স্ক পরিচর্যা ব্যবস্থা আরো চাপে পড়বে। পাশাপাশি সরকারকে পেনশন ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাকি অংশ পড়ুন...
কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় ইসবগুলই একমাত্র প্রাকৃতিক সমাধান নয়। অনেকেই আছেন ইসবগুলের ভূষি খেতে পছন্দ করেন না। তারা বেছে নিতে পারেন এর বিকল্পগুলো।
জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক, পরিপাকতন্ত্র ও লিভার রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহমেদ জানান, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে। সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন ও খাদ্যাভাসে অভ্যস্ত হতে হবে। যে খাবারে ফাইবার বা আঁশের পরিমাণ বেশি এমন খাবার, শাকসবজি, ফল খেতে হবে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম, হাঁটাহাঁটি ও কায় বাকি অংশ পড়ুন...
রাঙ্গামাটি সংবাদদাতা:
রসকো বা রক্তফল পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি সুস্বাদু ও জনপ্রিয় বুনোফল। মার্চের মাঝামাঝি থেকে বাজারে উঠতে শুরু করেছে লাল রঙের টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফল। কিন্তু বিক্রেতারা দাম হাকছেন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। যা বিদেশি ফল আপেলের চেয়ে দামি। আমদানিনির্ভর ১ কেজি আপেলের দাম যেখানে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা; সেখানে প্রাকৃতিকভাবে পাহাড়ি বনে উৎপাদিত বুনোফল রসকো ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রসকো পাহাড়ি বনে লতানো গাছে থোকা থোকা ধরে। যা পাকলে টকটকে লাল বা সিঁদুরে রঙের হয়। চাকমা ভাষায় ‘রসকো’, ত্রিপুরা ভাষায় ‘তাইথ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا من داء إلا في الحبَّةِ السَّوْدَاء مِنْهُ شِفَاء إِلَّا السَّامَ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই।” (মুসলিম শরীফ : ক বাকি অংশ পড়ুন...
বক চয় এমন একটি সবজি বা শাক যা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভীষণ জনপ্রিয়। এটিকে চাইনিজ বাঁধাকপিও বলা হয়। এটি শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয় বিশেষত ভাজি, ভর্তা, কিংবা স্যুপ হিসেবে। বক চয় সহজলভ্য এবং রান্না করাও সহজ। এটি কেবল সুস্বাদুই নয়, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও অত্যন্ত উপকারী যেটি অনেকেই জানে না। তাই আজ আমরা জানবো বক চয়ের উপকারিতা-
রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
বক চয় মূলতঃ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ, এতে উপস্থিত উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সি বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালে গরম ভাতের সঙ্গে এক চামচ ঘি আর আলু ভর্তা হলেই জমে যায়। তবে সুস্বাদু ঘি তৈরি করা সহজ কাজ নয়। বাজারেও বিশুদ্ধ গাওয়া ঘি প্রায় দুলর্ভ। তাই সময়সাপেক্ষ হলেও ঘরেই খাঁটি ঘি তৈরি করা বুদ্ধিমানের কাজ। জেনে নিন গাওয়া ঘি তৈরির পদ্ধতি-
সাধারণত ঘি তৈরি করা হয় দুইভাবে:
দুধ জ্বালিয়ে ঘি তৈরি: এই পদ্ধতিতে দুধকে চুলায় ধীরে ধীরে জ্বালিয়ে তার উপরের হলুদ স্তর বা সর সংগ্রহ করা হয়। এ সর থেকে তৈরি ঘি হলো গাওয়া ঘি, যা স্বাদের দিক থেকে সেরা। এটি সময়সাপেক্ষ হলেও খাঁটি ও মজাদার ঘি পেতে হলে এ পদ্ধতি অপরিহার্য।
ক্রিম থেকে ঘি তৈরি: মেশিন ব্যবহার করে দুধ থে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংগঠন নিজেদের প্রস্তাব জমা দিয়েছে পে কমিশনের কাছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন তাদের প্রস্তাবে সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং গ্রেড সংখ্যা কমানোর সুপারিশ করেছে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র আব্দুল মালেক গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা প্রস্তাব দিয়েছি সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা এবং গ্রেড সংখ্য বাকি অংশ পড়ুন...
একসময় আমাদের দেশে ভাতের পাতে নানারকম বৈচিত্র্য দেখা যেত। যেমন- ঘরে গোশত রান্না হলে পর্বতজিরা চাল রান্না হতো কিংবা শুঁটকির ভর্তা করা হলে ইরি চাল, দুধ-কলা দিয়ে খেতে চাইলে বিরুন চালের ভাত রান্না করা হতো, আবার পশুর আইল দিয়ে পিঠা তৈরি করা হতো। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব বৈচিত্র্য হারিয়ে গেছে। তার জায়গা দখল করেছে নানা প্রজাতির হাইব্রিড ধানের ভাত।
কৃষিজাতপণ্য বিশেষ করে নিয়ে বিভিন্ন ধান গবেষণায় দেখা যায় প্রাকৃতিক গুণাগুণকে পাশ কাটিয়ে অর্থনৈতিক স্বার্থসিদ্ধ হাসিলের জন্য ধান ‘পেন্টেন্ট’ করা শুরু হয়। পেন্টেন্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ সংরক বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কালোজিরার অনেক উপকারিতা বর্ণিত রয়েছে । এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا مِنْ دَاءٍ إِلَّا فِي الْحَبَّةِ السَّوْدَاءِ مِنْهُ شِفَاءٌ إِلَّا السَّامَ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্য নেই। ” (মু বাকি অংশ পড়ুন...












