নওগাঁ সংবাদদাতা:
বোরকা ও নেকাব পরে নারী সেজে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে ধরা পড়েছেন এক যুবক। তবে পর মুহূর্তেই ঘটনাস্থলে থাকা জনগণের তোপের মুখে সেখান থেকে তাকে নিরাপদে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে বুধবার রাতে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকার ‘মামুন ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে পাম্পে গ্রাহকদের প্রচুর ভিড় ছিল। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে যানবাহন চালকদের। বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের দিন সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, পত্রপত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যমে নানা বিষয় উঠে আসছে। তারা ব্যালট ছাপাচ্ছে, বোরকা বানাচ্ছে, এনআইডি কার্ড (জাতীয় পরিচয়পত্র) নিয়ে যাচ্ছে, বিকাশে টাকা পাঠানোর জন্য মোবাইল নম্বর নিচ্ছে। এসব করে তারা যে কিছু করতে পারবে তা নয়, কারণ জনগণ এসবে বিভ্রান্ত হবে না। এসব বিষয় মাথায় রেখে সাবধান হতে হবে।
গতকাল বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বলেছেন, নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার জন্য একটি দল অধিক পরিমাণে বোরকা ও হিজাব প্রস্তুত রেখেছে। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে পদক্ষেপ নিতে হবে।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মাহদী আমিন অভিযোগ করেন, লক্ষ্মীপুরে অবৈধ নির্বাচনি সিল তৈরির অভিযোগে আটক ব্যক্তি জামাত নেতার নির্দেশে ওই কাজ কর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
অপপ্রচার আর মিথ্যা দিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তির শেকড় উপড়ে ফেলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) জাতীয় শিল্প কলা চিত্রশালা মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির শেকড় এত গভীরে যে একটা গাছ বা বটগাছের যে শেকড় যতদূরে যায়, তার চাইতেও অনেক গভীরের শেকড়। এই শেকড়কে অপপ্রচার দিয়ে এবং মিথ্যার করে ঝলকানি দিয়ে এটিকে ঢেকে রাখা যাবে না। এটাকে নুইয়ে ফেলা যাবে না। এটা একেবারে সোজা মেরুদ- নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যেই সুন্নতী লিবাস মুবারক উনার সুস্পষ্ট বর্ণনা করা হয়েছে:
যিনি খালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ما آتاكُمُ الرَّسولُ فَخُذوهُ وَما نَهاكُم عَنهُ فَانتَهوا وَاتَّقُوا اللهَ إِنَّ اللهَ شَديدُ العِقاب-
অর্থ: মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের নিকট যা নিয়ে এসেছেন, তা তোমরা আঁকড়ে ধরো অর্থাৎ আমল করো। আর যা থেকে তিনি তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন, তা থেকে তোমরা বিরত থাকো। আর এই বিষয়ে তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। বাকি অংশ পড়ুন...
কি বলে দিবেন?
يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلابِيبِهِنَّ
উনাদেরকে একটা বড় চাদর। এখন যেমন বোরকা পরে মহিলারা, এটা সহজ হয়ে গেছে। তখন এরকম ছিলো না। বড় চাদর, চাদরটা কমপক্ষে ১২, ১৪ হাত লম্বা হবে আর চওড়া কমছে কম ৭, ৮ হাতের বেশি হবে। চাদরটা মাথায় দিলে যাতে ঝুলে পড়ে সামনের দিকে। ঝুলে পড়লে আর সরাসরি সামনে দেখা যাবে না, নিচে দেখা যাবে। পর্দার জন্য এটা সবচেয়ে উত্তম। সেটাই বলা হচ্ছে-
يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ
ঢেলে দেন, উপর থেকে নিচে যেন ফেলে দেয়া হয়।
مِنْ جَلابِيبِهِنَّ
বড় চাদর। উনাদেরকে বলেন উনারা একটা বড় চাদর মাথায় দিয়ে অর্থাৎ যখন প্রয়োজনে বের হবেন তখন একটা বড় চাদর শরীরে বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের দেশে একদল কথিত সুশীল রয়েছে, যারা সংস্কৃতির দোহাই দিয়ে বোরকার বিরুদ্ধে বলে থাকে। যদিও বাস্তবতা হলো, আজ থেকে কয়েক দশক আগেও বাঙালি মুসলমানের সামাজিক জীবনে পর্দা ও বোরকার কোন বিকল্প ছিল না।
এই বোরকাবিরোধীদের সবচেয়ে বড় আখড়া হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ও ছবির হাট-চারুকলা এলাকাটি। এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালী ভিসি ছিলেন এ এফ রহমান, তার পরে ভিসি হয়েছিল রমেশ মজুমদার (আর সি মজুমদার)। রমেশ মজুমদার তার আত্মজীবনী ‘জীবনের স্মৃতিদীপে’তে ভাইস চ্যান্সেলর এ এফ রহমান প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছে-
“নিয়ম অনুসারে গভর্নরের বাড়িতে ক বাকি অংশ পড়ুন...
‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে নির্দিষ্ট কোনো পোশাক নেই’- এ কথা বলা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। কেননা এর দ্বারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে অপূর্ণ সাব্যস্ত করা হয়। নাউযুবিল্লাহ!
কিছু লোক ‘কিল্লতে ইলম ও কিল্লতে ফাহাম’ অর্থাৎ ‘কম জ্ঞান ও কম বুঝের’ কারণে বলে থাকে যে- ‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে লিবাস বা পোশাকের নির্দিষ্ট কোনো বর্ণনা নেই। নাউযুবিল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মৌসুমের চাহিদা মোতাবেক যখন যে ধরনের পোশাক পেতেন তাই পরিধা বাকি অংশ পড়ুন...












