মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাধ্যমে পর্দা বা বোরকা ফরয করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
হিজাব বা বোরকা মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার আর খাছ করে মুসলিম মহিলাদের সম্মান এবং ব্যক্তিত্বেরও প্রতীক। সুবহানাল্লাহ! যারা হিজাব বা বোরকার বিরুদ্ধে বলবে, তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে মুসলমান থাকবে না; বরং গুমরাহ বলে বিবেচিত হবে। নাউযুবিল্লাহ! যারা হিজাব বা বোরকার বিরুদ্ধে বলবে, তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে মুসলমান থাকবে না; বরং গুমরাহ বলে বিবেচিত হবে। নাউযুবিল্লাহ!
৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- যে ব্যক্তি, কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান হিজাব বা বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়; হিজাব বা বোরকা পরিধান করতে বাধা দেয়- সে ব্যক্তি, সে কর্তৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শরীয়ত অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা। নচেৎ সরকারকে ইহকাল ও পরকালে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে।
, ১৯ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১১ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৫ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত ইসলাম পরিপূর্ণ দ্বীন বা জীবন বিধান। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে যেমন লেবাসের বর্ণনা রয়েছে, তেমনি লেবাসের মাধ্যমে হিজাব বা পর্দা পালনের জন্যও সুদৃঢ় আদেশ মুবারক রয়েছে। আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে পবিত্র লেবাস মুবারক পরিধান করেছেন, সেই পবিত্র লেবাস মুবারকই সব মুসলিম পুরুষদের লেবাস। অপরদিকে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা যে পবিত্র লেবাস মুবারক পরিধান করেছেন, সেই পবিত্র লেবাস মুবারকই মুসলিম মহিলাদের লেবাস। আর হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা উনাদের পবিত্র লেবাস মুবারক উনার উপর এমন বড় চাদর মুবারক ঝুলিয়ে দিতেন, তাতে উনাদের মাথা মুবারক থেকে পা মুবারক সম্পূর্ণই আচ্ছাদিত থাকতো। উনারা সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে হিজাব বা পর্দা পালন করতেন। আর এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান রূপ হলো ‘বোরকা’।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হিজাব বা পর্দা পালন করা ফরয। বর্তমান যুগে পর্দা রক্ষার্থে বোরকা পরিধান করাও প্রত্যেক মুসলিম মহিলা উনাদের জন্য ফরয। যেকোনো ফরযের বিরুদ্ধে কোনো মুসলমান কোনো কথা বললে সে মুরতাদ ও গুমরাহ বলে গণ্য হবে। এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। কাজেই এদেশের কোনো প্রতিষ্ঠান বা কোনো কর্তৃপক্ষ কখনোই হিজাব বা পর্দা করতে বা বোরকা পরতে নিষেধ করতে পারে না। কেননা, বোরকার বিরুদ্ধে কথা বলারও কোনো অধিকার তাদের নেই। যারা হিজাব বা বোরকার বিরুদ্ধে বলবে, তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে মুসলমান থাকবে না; বরং মুরতাদ ও গুমরাহ বলে বিবেচিত হবে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইদানীং সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী কাফিরদের মতো আমাদের দেশের কিছু ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও কর্তৃপক্ষ, যারা নামধারী মুসলমান, তারা হিজাব বা পর্দা পালনের বিরুদ্ধে কুফরীমূলক তথা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী বক্তব্য দিয়ে বেঈমানে পরিণত হচ্ছে। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার ৩০ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মুসলিম পুরুষদের পর্দা প্রসঙ্গে ইরশাদ মুবারক করেন, “(আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) মু’মিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত ও আবরু হিফাযত করে। এতে তাদের জন্য অনেক পবিত্রতা আছে। নিশ্চয়ই তারা যা করে মহান আল্লাহ পাক তিনি তা অবহিত রয়েছেন।” পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার ৩১ নম্বর আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মুসলিম মহিলাদের পর্দা প্রসঙ্গে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, “(আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের ইজ্জত ও আবরু হিফাযত করে। তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে; তবে চলাচলের কারণে অনিচ্ছা সত্ত্বেও যা প্রকাশ পায় তা ব্যতীত এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বুকের উপর ফেলে রাখে।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বর্তমানে বিষয়টা অতি দুঃখজনক হলেও সত্য যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কিছু মুসলমান নামধারী শিক্ষক, বিচারকের ভূমিকায় কিছু মুসলমান নামধারী ব্যক্তি তারা মুসলমান উনাদের মৌলিক দ্বীনি অধিকার পালনে বাধা সৃষ্টি করছে। নিরুৎসাহিত করছে। বেপর্দা হতে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। নাঊযুবিল্লাহ! প্রকৃতপক্ষে তারা মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনারই বিরোধিতা করে যাচ্ছে। অথচ কোনো মুসলমানদের পক্ষে তা কস্মিনকালেও করা সম্ভব নয়। কেউ তা করলে বুঝতে হবে সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূল কথা হলো-৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- যে ব্যক্তি, কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান হিজাব বা বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়; হিজাব বা বোরকা পরিধান করতে বাধা দেয়- সে ব্যক্তি, সে কর্তৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা। নচেৎ সরকারকে ইহকাল ও পরকালে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস কায়িনাতবাসীদের জন্য সুমহান ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান পবিত্রতম বরকতময় ২রা শা’বান শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ১লা শা’বান শরীফ! দ্বিতীয় হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ইমাম, ইমামে আ’যম হযরত আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ ও দোয়া-মুনাজাত করা।
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার ১, ২, ৪, ৫, ৭, ১২, ১৩, ১৫, ১৭ এবং ২৯ তারিখ পবিত্র আইয়ামুল্লাহ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র শা’বান শরীফ মাস হচ্ছেন- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করার মাস এবং উনাদের মুবারক উছীলায় এ মাসে পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ দেয়া হয়েছে।
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ছুবহে ছাদিকের সময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। তাই, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘বার’। আর ছুবহে ছাদিক হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘সময়’।
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৮শে রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষ্যে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র দোয়া-মুনাজাত করা।
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ বরকতময় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ। অর্থাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি রবীবাতু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আজ দিবাগত রাতটিই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতময় রাত। সুবহানাল্লাহ! এ বরকতময় রাতে সমস্ত দুয়া সুনিশ্চিতভাবে কবুল হবে। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- আজ রাতে ইবাদত-বন্দেগী, তওবা-ইস্তিগফার, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ ও দুয়া-মুনাজাত করা এবং আগামীকাল রোযা রাখা।
১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৫শে রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ ও দোয়া-মুনাজাত করা।
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মতের পবিত্র ছলাত শরীফ ও পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ শুনেন এবং পাঠকারীদেরকে সরাসরি দেখেন এবং চিনেন। সুবহানাল্লাহ! যা উনার মহাসম্মানিত হাজির ও নাযির হওয়ারও একখানা সুস্পষ্ট ও অকাট্য দলীল।
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশে পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে রজবুল হারাম শরীফ ১৪৪৭ হিজরী, ২১শে ছামিন ১৩৯৩ শামসী, ১৯শে জানুয়ারি ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার মধ্যে পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফসহ বরকতময় আরো অনেক রাত ও দিন রয়েছে। সে জন্য সকলকেই সতর্কতার সাথে চাঁদ তালাশ করতে হবে।
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২২শে রজবুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! হযরত খাজা আবূ তালিব উনার ও খলীফায়ে সাদিস, কাতিবে ওহী, সাইয়্যিদুনা হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ফতওয়া মুতাবিক- উৎপাদিত শস্য ও ফলমূল অল্প হোক বা বেশি হোক সব ফসলের উশর তথা ফসলের যাকাত আদায় করা ফরয।
১১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












