খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهٖ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বে বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক আবু আইয়ূব আল আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু মসজিদ তুরস্কের ইস্তাম্বুলের ইয়ূপ জেলায় এবং গোল্ডেন হর্ন শহরের কাছে অবস্থিত। এই ঐতিহাসিক মসজিদটি হযরত আবু আইয়ূব আল আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নামে নামকরণ করা হয়েছে যা স্থানীয় ভাষায় “ইয়ূপ বা আইয়ূব সুলতান মসজিদ” নামেই বেশি পরিচিত।
এই ঐতিহাসিক মসজিদটি উসমানীয় সালতানাত কর্তৃক ইস্তাম্বুলে নির্মিত প্রথম মসজিদ। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে মসজিদটি ১৪৫৮ খৃ: নির্মিত হয়। ইসলামী ও ঐতিহ্যবাহী উসমানীয় স্থাপত্যশৈলীতে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মিত। মসজিদে মিনারের সংখ্যা ২ট বাকি অংশ পড়ুন...
ড্রোন দিয়ে বাংলাদেশ আক্রমণ করার হুমকী দিয়েছে বিজেপি নেতা
সংসদে দাড়িয়ে বাংলাদেশ আক্রমণ না করায় মোদীকে সরে যেতে বলেছে আসামের মূখ্যমন্ত্রী
-এসবই মিথ্যা আস্ফালন, অলীক কথা, ভয়ঙ্কর বাতুলতা, নিকৃষ্ট বালখিল্যতা
“বাংলাদেশ আক্রমণ করলে পাকিস্তানের মিশাইলের মেহমানদারি ভারতের জন্য অপেক্ষা করছে”-
পাকিস্তানের এই জবাবই সত্য কথা।
গত মে মাসে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে চরম লজ্জাকরভাবে
যুদ্ধ বিমান হারিয়ে এবং
হেরেও কান কাটা উগ্রবাদী হিন্দুদের লজ্জা হয় না
অথচ ভারতীয় বিশ্লেষকরাও স্বীকার করছে
“বাংলাদেশ আক্রমণ করলে ভারত নিজেই টুকরা টুকরা হ বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও বুযূর্গী:
হযরত আব্বাস আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মক্কা শরীফ বিজয়ের পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাজীদের পানি পান করানোর বংশীয় দায়িত্বটি উনাকে প্রদান করেন।
হুনাইনের জিহাদে তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে একই বাহনে আরোহী ছিলেন। এই জিহাদে তিনি খুবই বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন এবং স্বীয় উচ্চ আওয়াজে যুদ্ধের গতি পাল্টিয়ে দিয়েছিলেন।
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
শাহাদাত বরণ:
একাদশ হিজরীতে সংঘটিত ইয়ামামার জিহাদে বীরত্বের সঙ্গে জিহাদ করে হযরত আব্বাদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু শাহাদাতের সৌভাগ্য লাভ করেন। তখন উনার বয়স মুবারক হয়েছিলো মাত্র ৪৫ বছর। উনার কোন পরবর্তী বংশধর ছিলো না।
মুহম্মদ বিন উমর বর্ণনা করেন, হযরত আবদির রহমান বিন আবী সাঈদ খুদরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, তিনি উনার পিতা থেকে শুনেছেন; তিনি বলেন, আমি হযরত ‘আব্বাদ বিন বিশর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বলতে শুনেছি, হে আবু সাঈদ! আমি আজ রাত্রে (স্বপ্নে) দেখলাম, আসমান আমার জন্য উন্মুক্ত হয়ে গেছে, অতঃপর ইহা খন্ড খন্ড হয়ে আমার উপর পত বাকি অংশ পড়ুন...
৩জন বিশেষ সেনাপতি উনাদের বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
৮ম হিজরী শরীফ-এ সম্মানিত মুতার জিহাদ সংঘটিত হন। এই জিহাদ মুবারক-এ পরপর ৩জন বিশেষ সেনাপতি উনারা সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক গ্রহণ করেন। প্রথমে সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক গ্রহণ করেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ঘোষিত প্রথম সেনাপতি হযরত যায়েদ ইবনে হারিছাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি। উনার পর সম্মানিত পতাকা মুবারক হাতে নেন সম্মানিত দ্বিতীয় সেনাপতি হযরত জা’ফর ইবনে আবী ত্বালিব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি। তিনি উনার ঘ বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি মুবারক ও নসবনামা:
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নাম মুবারক হচ্ছেন হযরত ছফিয়াহ আলাইহাস সালাম। তিনি তৎকালীন আহলে কিতাবধারী ইয়াহুদী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। উনার পিতা হুয়াই বিন আখতাব, ইয়াহুদী বনু নাদ্বীর গোত্রের সর্দার ছিলেন, যিনি জলিলুল ক্বদর রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ভাই হযরত হারুন ইবনে ইমরান আলাইহিস সালাম উনার অধঃস্তন পুরুষ। উনার নসবনামা হচ্ছেন- হযরত ছফিয়াহ বিনতে হুয়াই আলাইহিস সালাম ইবনে আখত্বব আলাইহিস সালাম ইবনে সাঈদ আলাইহিস সালাম ইবনে আমির আলাইহিস সাল বাকি অংশ পড়ুন...
সব ছেড়ে সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার ময়দানে হাযির এবং সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক গ্রহণ:
একজন নওজোয়ান ছাহাবী হযরত হানযালাহ্ ইবনে আবূ আমের রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি সম্মানিত শাদী মুবারক উনার প্রথম রাতে উনার সম্মানিতা আহলিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার সাথে অবস্থান মুবারক করছিলেন। এমতাবস্থায় কেউ একজন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নির্দেশ মুবারক-এ সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার জন্য সবাইকে আহ্বান জানালেন। সাথে সাথে হযরত হানযালাহ্ ইবনে আবূ আমের র বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধেই জিয়া আলোচনায় এসেছিলেন। পাকিস্তানের অন্য রেজিমেন্টগুলো যখন ভারতীয় সেনাদের প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয় তখন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বীরত্বে রক্ষা পায় লাহোর। পুরো পাকিস্তানজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে বাংলার দামাল ছেলেদের বীরত্ব। তখন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডার ছিলেন জিয়াউর রহমান। অসামান্য বীরত্বের জন্য পাকিস্তান সরকার তাকে হিলাল-এ- জুরাত পদকে ভূষিত করে। সেখান থেকে যেতে হবে ছয় বছর পরের ঘটনায়।
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়নের কমান্ডার তখন জিয়াউর রহমান। ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্ বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوْا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রুপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করতে পারে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উন বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৬৫ সালের আগষ্ট মাসে ভারত-পাকিস্তান উভয়েই বুঝতে পারলো একটা যুদ্ধ অনিবার্য। যুদ্ধ কৌশল হিসাবে পাকিস্তান কাশ্মীরের শ্রীনগর অভিমুখে তার সেনাবাহিনী পাঠাতে থাকে। সেনাবাহিনীর কনভয়ের প্রথমে থাকে পাকিস্তানের তৎকালীন দুর্ধর্ষ পাঞ্জাব রেজিমেন্ট, তারপর বালুচ রেজিমেন্ট, ফ্রন্টিয়ার ফোর্স এবং সবশেষে থাকে তৎকালীন বেঙ্গল রেজিমেন্ট যা মূলতঃ পূর্ব বাংলার সেনাসদস্য দ্বারা গঠিত।
ওদিকে ভারত তার বাহিনী শ্রীনগরে না পাঠিয়ে শিয়ালকোটের অরক্ষিত খেমকারান দিয়ে পাকিস্তানের লাহোর অভিমুখে মার্চ করায়। ওই মুহূর্তে শিয়ালকোট ছিলো পুরোই অরক্ষি বাকি অংশ পড়ুন...












