SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বিভক্ত%' OR titleBn LIKE '%বিভক্ত%' OR descriptionEn LIKE '%বিভক্ত%' OR descriptionBn LIKE '%বিভক্ত%' OR slug LIKE '%বিভক্ত%' OR metaTag LIKE '%বিভক্ত%' OR metaDescription LIKE '%বিভক্ত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
বাংলাদেশের ভূখন্ডে থেকে, বাংলাদেশেরই সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করার পরও এদেশেরই বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এমনকি পার্বত্য অঞ্চলকে ভারতের অঞ্চল হিসেবেও মিথ্যাচার ও প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে একটি উপজাতীয় সন্ত্রাসী গ্রুপ। প্রতিবছর ১৭ই আগষ্ট উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা পার্বত্য ৩ এলাকায় চট্টগ্রাম আগ্রাসন দিবস পালন করে থাকে।
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত রাষ্ট্রের জন্ম হয়। তার আগের দিন জন্ম হয়েছে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের। ভারত বিভাগে র্যাড ক্লিফের বিভাজন রেখা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম পড়ে পূর্ব পাকিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ আল ইদরিসী আল কুরতুবী আল হাসানী আস সাবতী (হিজরী ৪৯৩-৫৬০; খ্রি: ১১০০-১১৬৫) ছিলেন মরোক্কান বংশদ্ভূত আরবীয় মুসলিম ভূগোলবিদ, মানচিত্র অঙ্কনে দক্ষ ব্যক্তিত্ব।
আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ আল ইদরিসী জিব্রালটার প্রণালীর নিকটবর্তী সাবতা (বর্তমানে সুয়েটা)-তে হিজরী ৪৯৩ (খ্রি: ১১০০) সালে জন্মগ্রহণ করেন। যখন মালাগা হামুদি শাসকদের হস্তচ্যুত হয়, তখন উনার পর-দাদা এখানে বসতি গড়তে বাধ্য হন। তিনি মরোক্কোর আমির ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ উনার বংশধর, যিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
আবূ আমির আল ফাসিক্ব ছিলো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার ‘আউস’ গোত্রের সাবেক নেতা এবং খাযরাজ গোত্রেও তার প্রভাব ছিলো। এক বর্ণনা মতে, সে ছিলো মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলুলের মামা। সে হুনাইনের জিহাদ মুবারক শেষে সব দিক থেকে ব্যর্থ ও নিরাশ হয়ে ৮ম হিজরী শরীফ উনার শেষ দিকে শাম (সিরিয়া) অভিমুখে পাড়ি জমায়। সেখানে গিয়ে সে ‘নাছারা’ হয়ে যায় এবং রোমের শাসককে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ আক্রমণের জন্য প্ররোচনা দিতে থাকে। এই উদ্দেশ্যে সে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফে অবস্থানরত মুনাফিক্বদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগায বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বিভিন্ন জায়গায় আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক দেওয়া হয়েছে। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীদের নিন্দা করা হয়েছে।
আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার অনেক গুরুত্ব ও ফযীলত মুবারক রয়েছে। যা দুনিয়া ও আখিরাত অর্থাৎ উভয় জাহানের কল্যাণকেই শামিল করে; যা সম্মানিত শরীয়ত উনার আলোকে বিভিন্ন দলীল-আদিল্লাহর দ্বারা সাব্যস্ত।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُم مّ বাকি অংশ পড়ুন...
বঙ্গ বা বাংলা, বাঙ্গালী বা বাংগালী শব্দের উৎপত্তি মুসলমানদের মাধ্যম দিয়েই এবং বাঙালি তাহযীব তামাদ্দুন (সংস্কৃতি) মানেই মুসলমানদের তাহযীব তামাদ্দুন (সংস্কৃতি):
আমরা বাংলাদেশী। আমাদের ভাষা বাংলা। বাংলাদেশের অতি প্রাচীন ইতিহাস রয়েছে। হাজার হাজার বছরের প্রামাণ্য ইতিহাস রয়েছে বাংলাদেশের। প্রকৃতপক্ষে মুসলমানরাই প্রকৃত বাঙালি। মুসলমানরাই প্রকৃত আদিবাসী। মুসলমানরাই এই ভূমিতে প্রাচীনকালে আবাদ করেছেন। মুসলমানরাই এর রক্ষণাবেক্ষণকারী। বাংলা ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এসব সকলই মুসলমানদের অবদান। স্বাধীন বাংলা ও বাংলাদেশ মুসলমা বাকি অংশ পড়ুন...
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রণীত সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আলোকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং তাদের মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তা অধিকতর জোরদার করার লক্ষ্যে সরকার এই ভাতা ও অনুদান বৃদ্ধি করেছে।
নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বীর উত্তম খেতাবধারীরা মাসিক ৩০ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা পাবেন। এ ছাড়া উৎসব ভাতা হিসেবে ১০ হাজার টাকা, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ৫ হাজার টাকা ও বাংল বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের মালদহ জেলায় রয়েছে হযরত পান্ডুয়া মসজিদ, আদিনা মসজিদের মতো ঐতিহাসিক স্থান। ভারতের স্বাধীনতা লাভের আগে মালদহ ছিলো রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত। র্যাডক্লিফ রোদেদাদেও এক রায়ে এই জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাচোল ও গোমস্তাপুর থানা বাদে বাকি অংশ ১৯৪৭ খৃ: ১৭ আগস্ট ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। মালদার উত্তরে বিহারের পূর্ণিয়া জেলা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা, পূর্বে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। দক্ষিণে মুর্শিদাবাদ জেলা ও রাজশাহী। পশ্চিমে বিহার ও ঝাড়খন্ড রাজ্য।
তাঁতীপাড়া মসজিদ পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায় মাটির বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: ক্বওমী মাদরাসার মুখপত্রের জুমাদাল উখরা ১৪৪৬ হিজরী সংখ্যায় এক সুওয়ালের জাওয়াবে বলা হয়েছে, কদমবুছি নিষেধ হওয়ার পক্ষে শরীয়তে কোন নস তথা প্রমাণ নেই। তবে সেজদার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যেনো না হয়ে যায় সেজন্য সতর্কতা হলো- কদমবুছি থেকে বিরত থাকা।
জাওয়াব:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বহু সংখ্যক বর্ণনার মধ্যে রয়েছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কদমবুছি করেছেন। আর তিনি উনাদের কদমবুছী গ্রহন করেছেন। অনুরূপভাবে একজন ছাহাবী আরেকজন ছাহাবী র বাকি অংশ পড়ুন...
‘ছলাতুল খওফ’ উনার হুকুম আহকাম নাযিল:
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে-
عَنْ حضرت جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضى الله تعالى عنهما، قَالَ شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْخَوْفِ فَصَفَّنَا صَفَّيْنِ صَفٌّ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالْعَدُوُّ بَيْنَنَا وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ فَكَبَّرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَكَبَّرْنَا جَمِيعًا ثُمَّ رَكَعَ وَرَكَعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ وَرَفَعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ انْحَدَرَ بِالسُّجُودِ وَالصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ وَقَامَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ فِي نَحْرِ الْعَدُوِّ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم السُّجُودَ وَقَامَ الصَّفُّ الَّذِي يَلِيهِ انْحَدَرَ الصَّفُّ الْمُؤَخَّرُ بِالس বাকি অংশ পড়ুন...
বাল্যকাল:
হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বাল্য বয়স থেকেই নির্জনতা অবলম্বন করতেন এবং কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার চিন্তা-ভাবনা করতেন। উনার শৈশবকাল মুবারক সম্পর্কে “সাওয়ানেহ আহমদী” নামক কিতাবে তিনি নিজেই বলেন, বাল্যকাল হতেই আমার মনে এই ধারণা বা ভাব উদয় হতো যে, একদিন আমি কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবো। তাই শৈশবেই দেখা যায় তিনি উনার সঙ্গী-সাথীদের দুই দলে বিভক্ত করে দু’টি পরস্পর সৈন্যবাহিনী দাঁড় করিয়ে দিতেন। একটি দলের আমির হয়ে তিনি উনার নাম দিতেন “মুজাহিদে ইসলাম” অন্য দলটির নাম দেওয়া হতো “কাফির বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
বিটিশরা বিদায় নিলেও মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান যাতে প্রতিষ্ঠিত না হতে পারে সে বিষয়ে গান্ধী ও নেহরুর নেতৃত্বে কংগ্রেস এবং ভারতীয় হিন্দুরা শেষ পর্যন্তও চেষ্টা করেছিল।
পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় দলের ভেতরে-বাইরে তীব্র নিন্দা-সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিলো গান্ধী ও নেহরু। অমন এক অবস্থার মধ্যেই নেহরু তার ভিসন বা স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলো। বলেছিলো ‘তার ভারত মাতার’ এই বিভক্তি নিতান্তই সাময়িক ব্যাপার। ভারতকে আবারও পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। অর্থাৎ এক রাষ্ট্রে পরিণত করা হবেÑ ‘তার ভারত মাতা’ অখন্ডই থাকবে। নেহর বাকি অংশ পড়ুন...












