SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বাদশাহ%' OR titleBn LIKE '%বাদশাহ%' OR descriptionEn LIKE '%বাদশাহ%' OR descriptionBn LIKE '%বাদশাহ%' OR slug LIKE '%বাদশাহ%' OR metaTag LIKE '%বাদশাহ%' OR metaDescription LIKE '%বাদশাহ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পর্যটন নগরী নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা। বিদ্যমান অসংখ্য পুরাকীর্তির মাঝে উল্লেখ যোগ্য হলো- উপজেলার সাচিলাপুর এলাকায় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আ’যম শাহের মাজার, ঐতিহাসিক পাঁচ পীরের মাজার ও মসজিদ, মোগরাপাড়ায় দানেশ মান্দ ইব্রাহিম ও মুন্না শাহের মাজার, গোয়ালদীতে আলাউদ্দিন হোসেন শাহী মসজিদ, দমদমা ও পানাম নগরীতে নীলকুঠি, টাকশাল বাড়ী, পানাম পঙ্খীরাজ খালের ওপর সেতু ইত্যাদি।
সুলতান গিয়াস উদ্দিন আ’যম শাহের মাজার:
উপজেলার শাচিলাপুর গ্রামের খালের পাড়ে কালো পাথরে নির্মিত যে মাজার তা সুলতান গিয়াস উদ্দিন আ’যম শাহের মাজার নামে পরিচিত। ১০ à বাকি অংশ পড়ুন...
মোঘল সালতানাতের ১৮তম শাসক হলেন আবুল মুজাফফার সিরাজুদ্দীন মুহম্মদ বাহাদুর শাহ গাজী। উপমহাদেশের ইতিহাসে তিনি সমধিক পরিচিত বাহাদুর শাহ জাফর নামে। তিনি ছিলেন মোঘল সালতানাতের শেষ শাসক, যিনি স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতার।
তিনি দিল্লীর লাল কেল্লায় ১৭৭৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যখন শাসক হিসেবে ক্ষমতায় আসেন তখন ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের আগ্রাসন চরম মাত্রা ধারণ করেছিলো। ফলে একসময় প্রবল প্রতাপশীল মোঘলদের প্রভাব লাল কেল্লার মধ্যেই আবদ্ধ হয়ে পড়েছিলো। মোঘলরা পেনশনভোগী হয়ে পড়েছিলো ব্রিটিশদের কাছে। ইংরেজরা ধীরে ধীরে তাদের কর্তৃত্ব ঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ শহরের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত হানার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বাহিনী। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এএফপির এক প্রতিবেদনে সামরিক বাহিনীর বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে সৌদি আরবে একাধিক হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার কথা স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি স্বীকার করার পর এবং রিয়াদ সমর্থিত ইয়েমেন সরকার হুথিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের পাল্টা অভিযানের ঘোষণা দেওয়ার একদিন পরই এই নতুন হামলার খবর এলো।
হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যà বাকি অংশ পড়ুন...
২০১৫ সালের কথা। তখন এক অজ্ঞাত ক্রেতা ২৩ কোটি ডলার খরচ করে একটি শ্যাটো বা আবাসিক বাড়ি কিনে বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছিলো। কিন্তু সে সময় এই ক্রেতার নাম গোপন করা হয়েছিলো। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের পশ্চিমে ওই বাড়িটির অবস্থান। তখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া বাড়ি ছিলো এটি। বছর দুয়েক পর খবরে বলা হয়েছে- ৩৪ বছর বয়সী সৌদি রাজপুত্র মোহাম্মদ বিন সালমানই কিনে নিয়েছিলো ওই বাড়ি।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদকরী বা ইয়টের একটির নাম সেরিন। রাশিয়ার ভদকা ধনকুবের হিসাবে পরিচিত ইউরি শেলফারের কাছ থেকে সৌদি রাজপুত্র ২০১৫ সালে এই সুপার ইয়ট কেনà§ বাকি অংশ পড়ুন...
(৫ম পর্ব)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার যেমন অসংখ্য ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। ঠিক বাস্তবেও পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার বিস্ময়কর অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। নিম্নে সেখান থেকে কতিপয় ঘটনা বর্ণনা করা হলো-
৫. আমার হামিদকে গিয়ে বলো:
পবিত্র জুমুআর দিন শাহী মসনদে বসে আছেন উসমানী সালতানাতের ৩৪ তম সুলতান দ্বিতীয় আব্দুল হামিদ খান। উনার হাতে শাহী লাঠি, পরনে বাদশাহী পোশাক সামনে দাঁড়িয়ে আছেন উনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত তাহাসিন পাশা।
পবিত্র জুমুয়াবার সালতানাতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আশা আবেদন পত্র গুলো তাহা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, আত্বা, আবুল্ আলিয়াহ ও মুজাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উলিল্ আমর হচ্ছেন- হযরত উলামা তথা আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। এ মতটি হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা পছন্দ করেছেন।
হযরত মাইমূন, মুক্বাতিল ও কালবী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উনারা হলেন সেনাপতি। অথবা হযরত আহলু বাইত শরীফ উনাদের ইমাম আলাইহিমুস্ সালাম উনারা, অথবা এককভাবে হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম।
প্রকাশ্য কথা হলো, প্রত্যেক ঐ অভিভাবক যিনি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন কর বাকি অংশ পড়ুন...
“হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ক্বিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তি সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে, যে তার ইলিমের দ্বারা উপকৃত হয়নি।” (দারেমী শরীফ)
অতএব, যারা ইলিম অনুযায়ী আমল করবে না অর্থাৎ যারা জানে ছবি তোলা হারাম, তারপরও ছবি তোলে। যারা জানে গণতন্ত্র-হরতাল ইত্যাদি হারাম বা বিজাতীয় পন্থা, তারপরও তারা দ্বীন ইসলামের নামে গণতন্ত্র চর্চা করে। মূলতঃ উপরোক্ত হাদীছ শরীফের মিছদাক তারাই অর্থাৎ তারà বাকি অংশ পড়ুন...
খোদায়ী আযাব-গযবের কারণে ইহুদীরা কখনই কোনো ভূখন্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারেনি। যার কারণে এরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ইহুদীরা স্থানীয় ভাষায় কথা বলা ও স্থানীয় রীতিনীতিতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। তবে যে দেশেই বা ভূখন্ডে এরা বসবাস করতো সেই ভূখন্ডের মানুষদের প্রতি এদের কোনো আন্তরিকতা ছিলো না। এদের মূল লক্ষ্যই ছিলো কিভাবে অধিক সম্পদ উপার্জন করা যায়। তাই বিভিন্ন দেশের বিপদের সময় এরা কখনোই সেই দেশের পক্ষে হয়ে কাজ করতো না। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই দেশের বিপক্ষে অবস্থান নিতো। তাই বিভিন্ন দেশ থেকে বারবার এদের বিতাড়িত করা হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...












