একবার হযরত নাসিরুদ্দীন মাহমুদ চেরাগে দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পীরভাই হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, ‘আমি যখন অযোধ্যায় গমণ করি তখন মানুষের ভীড়ের কারণে ইবাদতে মশগুল থাকতে পারি না। তাই আপনি দয়া করে সুলতানুল মাশায়িখ, হযরত খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট সুপারিশ করুন, তিনি যেন আমাকে জঙ্গলে একাকি থেকে ইবাদতে মশগুল হওয়ার অনুমতি প্রদান করেন।’
উল্লেখ্য, হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আদত ছিলো, তিনি প্রত্যহ ইশার নামাজের পর নিরিবিলি সময়ে সুলত্বানুল মাশায়িখ, হযরত খাজা নিজামু বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার সঙ্গে পবিত্র যাকাত উনার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কেননা রোযা হচ্ছে দেহের জন্য পবিত্র যাকাতস্বরূপ। সম্পদের যেরূপ পবিত্র যাকাতের হুকুম রয়েছে, তদ্রƒপ শরীরের পবিত্র যাকাত হিসেবে রোযাকে গণ্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, দুনিয়াতে কেউ যদি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘মুহম্মদ’ নাম মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আহমদ’ নাম মুবারক রাখে তাহলে ওই ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন পোড়াবে না। অর্থাৎ সে জান্ন বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার সঙ্গে পবিত্র যাকাত উনার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কেননা রোযা হচ্ছে দেহের জন্য পবিত্র যাকাতস্বরূপ। সম্পদের যেরূপ পবিত্র যাকাতের হুকুম রয়েছে, তদ্রƒপ শরীরের পবিত্র যাকাত হিসেবে রোযাকে গণ্ বাকি অংশ পড়ুন...
খন্দক খননকালে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَفِي رِوَايَةٍ قَالَ جَابِرٍ رضي الله تعالى عنه: لَمَّا حُفِرَ الخَنْدَقُ رَأيْتُ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم خَمَصاً، فَانْكَفَأْتُ إِلَى امْرَأتِي، فَقُلتُ: هَلْ عِنْدَكِ شَيْءٌ؟ فَإنّي رَأيْتُ بِرَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم خَمَصاً شَديداً، فَأخْرَجَتْ إلَيَّ جِرَاباً فِيه صَاعٌ مِنْ شَعِيرٍ، وَلَنَا بَهِيمَةٌ دَاجِنٌ فَذَبَحْتُهَا، وَطَحَنتِ الشَّعِيرَ، فَفَرَغَتْ إِلَى فَرَاغي، وَقَطَعْتُهَا فِي بُرْمَتِهَا، ثُمَّ وَلَّيْتُ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَت: لاَ تَفْضَحْنِي بِرَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ مَعَهُ، فَجِئتُهُ فَسَارَرْتُهُ، فَقُلْتُ: يَا বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রোযার পরিচয় :
সাধারণত সম্মানিত রোযা বলতে ছুবহি ছাদিক্ব থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্জন অবস্থান ও পানাহার থেকে বিরত থাকাকে বুঝায়। তবে এর সাথে সাথে মিথ্যা, গীবত, চোগলখোরী, ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি-কাটাকাটি, গালি-গালাজ, অশ্লীল-অশালীন, ফাসিক্বী ও নাফরমানিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মধ্যে খারাপ কাজ করে, শরাব পান করে, বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সম্মানিত মাস সমূহের মাঝে পবিত্র শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাত হচ্ছেন ‘পবিত্র শবে বরাত’। এ রাতের ফযীলত, নাযাত ও বরকতের কথা, দোয়া কবুলের বা দোয়া দ্বারা স্বীয় তাক্বদীর পরিবর্তন করার কথা প্রায় সকলেই অবগত।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফের এক কিশোর; তিনি তখনও যৌবনে পদার্পণ করেননি। কুরাইশ গোত্রের এক সর্দার, উকবা ইবনে আবূ মুয়ীতের একপাল ছাগল তিনি মক্কা শরীফের গিরিপথগুলোতে চরাতেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন সকালে উঠে উকবার ছাগলের পাল নিয়ে বের হয়ে যেতেন, আবার সন্ধ্যায় ফিরতেন।
একদিন এ কিশোর ছেলেটি দু’জন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন; চেহারায় বুযূর্গীর ছাপ বিরাজমান। উনারা দূর থেকে ছেলেটির দিকেই এগিয়ে আসছেন। উনারা পরিশ্রান্ত ও পিপাসার্ত ছিলেন। নিকটে এসে উনারা ছেলেটিকে সালাম জানিয়ে বললেন, “বৎস! এ ছাগলগুলো থেকে কিছু দুধ দোহন করে আমাদেরকে দিন। আমরা বাকি অংশ পড়ুন...
উনার পিতামহ:
আল্লামা সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “আমার পিতা কয়েকদিন যাতুল জানব তথা নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে শাহাদাতের ওফাত লাভ করেছেন।”
আল্লামা সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি আরো বলেন, “উনার পিতা (অর্থাৎ আমার দাদা) সাইয়্যিদুনা আবু বকর কামালুদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ওফাতের পর উনার প্রতিপালিত হযরত মুযাক্কেউল হাকাম আজীজ তুলুনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনাকে স্বপ্নে দেখে বললেন, হে আমার সর্দার! এ দুনিয়ার মধ্যে আল্লাহ তায়ালা আপনাকে এ দুনিয়ায় বিপদ দিয়েছেন আপনাকে প্রশান্তি দেয়ার জন্য। আমার পিতা (সত্যায়ন করে) বললেন, ঠিক এ বাকি অংশ পড়ুন...












