কারাগারের সেই স্যাঁতসেঁতে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আজ হাজার হাজার বনী আদম বন্দি হয়ে আছে, যাদের রূহ আজ এক অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ। অপরাধী হোক কিংবা নির্দোষ- প্রতিটি মানুষের ভেতরেই রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার দেওয়া এক নূরী সত্তা, যা উপযুক্ত তালিম ও তালক্বীন পেলে পুনরায় হিদায়াতের পথে ফিরে আসতে পারে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আধুনিক কারাগারগুলো আজ কেবল শাস্তির গুদামে পরিণত হয়েছে, যেখানে মানুষের আত্মিক সংশোধনের চেয়ে শারীরিক লাঞ্ছনাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজাতীয় ইহুদীবাদি দ-বিধির প্রভাবে আমরা ভুলে গেছি যে, কারাগার হওয়া উচিত ছিল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র জানাযার নামাযের নিয়মঃ
জানাযার নামায পড়ার পূর্বে মাইয়্যিতের ওলী বা অভিভাবককে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে, মাইয়্যিতের কোন ঋণ আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে সেগুলো কে এবং কিভাবে পরিশোধ করবে তা জানতে হবে। নামায ও রোযা কাযা আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে তার কাফফারা দিতে হবে। সেটা কে বা কিভাবে আদায় করবে তা জানতে হবে।
(বিতরসহ দৈনিক ছয় ওয়াক্ত নামাযের কাফ্ফারা দিতে হবে। যত ওয়াক্ত নামায কাযা থাকবে তার প্রতি ওয়াক্তের জন্য এক ফিতরা পরিমাণ কাফফারা দিতে হবে। একইভাবে প্রতিটি রোযার জন্য এক ফিতরা। তবে প্রতি রোযা বা নামাযের জন্য ২ কেজি আটা বা ময়দা কিংবা ত বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বেশি কষ্ট দিয়েছিলো কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন, ইহুদী নাছারারা। কিন্তু ইহুদী-নাছারা, কাফির, মুশরিকদের থেকেও বেশি কষ্ট দিয়েছিলো মুনাফিকরা। কারণ কাফির-মুশরিকরা যে মুসলমানদের শত্রু এটা স্পষ্ট; কিন্তু মুনাফিকরা মুসলমানদের মধ্যে অবস্থান করে চু-চেরা করা, ওয়াসওয়াসা দেয়া ও চুপেচুপে ষড়যন্ত্র করা ইত্যাদি আরো বেশি কষ্টদায়ক। এজন্য এদেরকে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট বলা হয়েছে এবং এদের শাস্তি জাহান্নামে বাকি অংশ পড়ুন...
শুধু উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্যই না; বরং পূর্ববর্তী সকল উম্মতের জন্যই পবিত্র কুরবানীর বিধান ছিলো। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَى مَا رَزَقَهُمْ مِنْ بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ
অর্থ: আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য পবিত্র কুরবানী নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার দেয়া চতুস্পদ জন্তু যবেহ করার সময় মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করে। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা হজ্জ : আয়াত শরীফ ৩৪)
মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ১৪ই মুহররমুল হারাম শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “কালকে একটা ঘটনা মুবারক ঘটেছেন। বুঝতে পারলে? বললে ঈমান থাকবে তোমাদের? বলো দেখি। হ্যাঁ? ঈমান থাকবে?
(আরযী: অব বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
হাক্বীক্বী ইছলাহ অর্জন করতে হলে কি ফয়েজ তাওয়াজ্জুহ হাছিল করা জরুরী?
জাওয়াব:
ইছলাহ হাছিল করতে হলে এবং হক্বের উপর ইস্তিকামত থাকতে হলে অবশ্যই ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করতে হবে। ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ছাড়া ইছলাহ হাছিল যেমন সম্ভব নয়, তেমনি হক্বের উপর ইস্তিক্বামত থাকাও সম্ভব নয়। মূলত একজন কামিল শায়েখ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহন করে সবক্ব নিয়ে যিকির-আযকার করার সাথে সাথে পবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে এবং উনার আদেশ-নিষেধসমূহ যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে উনার ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক হাছিল করতে হবে। তাহলে ইছলাহ হাছিল করা সহজ সম্ভব হবে।
‘ফাই বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
হরমুজ প্রণালীতে মাইন অপসারণ অভিযানের জন্য নৌযান মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। তবে পেন্টাগনের এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার বিপরীতে খোদ মার্কিন নৌবাহিনীর সক্ষমতা নিয়েই এখন বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মুখে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন আধিপত্য এখন খাদের কিনারে।
মার্কিন নৌবাহিনীর একমাত্র মাইন অপসারণকারী হেলিকপ্টার ‘এমএইচ-৫৩ই’ বর্তমানে উভচর যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ত্রিপোলি’তে (এলএইচএ-৭) অবস্থান করছে। কিন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশজুড়ে ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোটের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এ ধরনের নোট গ্রহণ ও বিনিময়মূল্য দেওয়া সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এ নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত রোববার (১২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জনসাধারণের স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে ব্যাংকের সব শাখায় বিধি অনুযায়ী ছেঁড়া-ফাটা ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি ও এর ফলে সৃষ্ট বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি ঘাটতি মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে পরিচালন ব্যয় সংকোচনের লক্ষ্যে মোট নয়টি সুনির্দিষ্ট খাতে খরচ কমানোর বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সাশ্রয়ী নীতি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে একটি আনুষ্ঠানিক পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠক। ওই সভার আলোচনার প্রেক্ষিতেই মূলত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ সংশোধনের মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংকের আগের শেয়ারধারীদের জবাবদিহি ছাড়াই পুনরায় মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়াকে ‘দুর্নীতি ও লুটপাটে সহায়ক’ এবং ‘আত্মঘাতী’ সিদ্ধান্ত মনে বলে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, এতে ব্যাংকিং খাত আবারও লুটপাটের অভয়ারণ্যে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নতুন আইনের ১৮(ক) ধারার মাধ্যমে দায়ী ব্যক বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের সাধারণ কিছু কারণ যেমন রয়েছে তদ্রুপ মূল বা প্রধান কিছু কারণও রয়েছে।
যানজটের কিছু সাধারণ কারণ:
২০) বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব:
ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ৫০টিরও বেশি সংস্থা কাজ করে। এই সংস্থাগুলোর মধ্যে কাজের কোনো সুনির্দিষ্ট ও একক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো না থাকায় সমস্যাগুলো জটিলতর হয়।
অনেক সময় দেখা যায় একটি সংস্থা যেমন, সিটি কর্পোরেশন রাস্তা মেরামত বা কার্পেটিং শেষ করার পরপরই অন্য একটি সংস্থা যেমন: ওয়াসা, তিতাস বা ডিপিডিসি পাইপলাইন বা তার বসানোর জন্য রাস্তাটি আবার খনন করছে বাকি অংশ পড়ুন...
সন্ধিচুক্তি এবং সন্ধির শর্তসমূহ:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنِّيْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَإِنْ كَذَبْتُمُوْنِيْ
‘তোমরা মিথ্যা প্রতিপন্ন করলেও এটা এক মহা সত্য যে, আমি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
অতঃপর ‘রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনার স্থলে ‘মুহম্মদ বিন আব্দুল্লাহ’ আলাইহিমাস ছলাতু ওয়াস সালাম লিখার জন্য তিনি হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে নির্দেশ মুবারক দিলেন।
কিন্তু হযরত কাররামাল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...












