SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বছরী%' OR titleBn LIKE '%বছরী%' OR descriptionEn LIKE '%বছরী%' OR descriptionBn LIKE '%বছরী%' OR slug LIKE '%বছরী%' OR metaTag LIKE '%বছরী%' OR metaDescription LIKE '%বছরী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
اَلْـحَاصِلُ (উপসংহার)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সমস্ত কায়িনাতবাসীসহ আমরা ‘পবিত্র কুদরত মুবারক’ সম্পর্কে এক বিশেষ নিয়ামত ও নিসবতপূর্ণ ইলিম মুবারক লাভ করতে পারলাম। যা সৃষ্টির কারো জানা ছিলো না, কুল কায়িনাতের কারো জানা ছিলো না।
উল্লেখ্য যে, ‘পবিত্র কুদরত মুবারক’ উনার বিষয়টি ‘ইস্তাওয়া’ থেকেও অনেক কঠিন। বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খলীল বিন আহমদ বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, মানুষ ৪ প্রকার। যথা: (১) এমন মূর্খ লোক যে কিছুই জানে না, সে যে জানে না তাও বুঝে না। এমন লোক আহমক তথা গন্ড মূর্খ, তাই তার থেকে দূরে থাকবে। (২) এমন মূর্খ লোক, যে জানে যে সে মূর্খ, এমন লোক জাহিল, তাই তাকে ইলিম শিক্ষা দিবে। (৩) এমন জ্ঞানী লোক, যে জানে না যে সে জ্ঞানী। এমন ব্যক্তি ঘুমন্ত, তাই তোমরা তাকে জাগিয়ে দাও। (৪) এমন জ্ঞানী লোক, যিনি জানেন যে তিনি জ্ঞানী। এমন ব্যক্তি আলিম, তাই তোমরা উনাকে অনুসরণ করো।
অর্থাৎ যেই উলিল আমর উনার পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দলীল বেশি সেই উলিল আমর উনাক বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৫ম অংশ) :
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
قَالَ رَسُول اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَأَمَّلَ خَلْفَ امْرَأَةٍ مِنْ وَرَاءِ ثِيَابِهَا حَتَّى تَبَيَّنَ لَهُ حَجْمُ عِظَامِهَا لَمْ يَرِحْ رَائِحَةَ الْجَنَّةِ-
অর্থ: মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি কোন পর-নারীকে দেখতে গিয়ে তার কাপড়ের উপর দিয়ে শরীরের গঠন অনুভব করলো সে বেহেস্তের অর্থাৎ জান্নাতের সুবাস পর্যন্ত পাবেনা। (বাহরুর রায়িক শরহু কানযিদ দাকায়িক, আদ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত আলিম ও বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ হযরত ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি, যাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন হযরত শায়েখ সা’দী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত শায়েখ নিযামী ও হযরত মোল্লা জামী রহমতুল্লাহি আলাইহি। সেই মহান ব্যক্তিত্ব হযরত ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত বিশ্বখ্যাত ও বহুল পরিচিত তাযকিরাতুল আউলিয়া কিতাবে। এছাড়াও আরো অনেকের দ্বারা প্রণিত তাযকিরাতুল আউলিয়া নামক কিতাবে বর্ণিত- হযরত হাবীব আযমী রহমতুল্লাহি আলাইহি নামে বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ উনার কথা, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে হাবীব নামে অভিহিত হয়েছিলেন। উ বাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
وَلَنْ تَـرْضٰى عَنكَ الْيَـهُوْدُ وَلَا النَّصَارٰى حَتّٰى تَـتَّبِعَ مِلَّتَـهُمْ
“ইহুদী ও নাছারারা কখনোই তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হবে না; যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তাদের ধর্ম অনুসরণ ন বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৭৯)
المسألة الحادية عشرة: قد دللنا على أن قوله: وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ يدل على أن الإجماع حجة فنقول: كما أنه دل على هذا الأصل فكذلك دل على مسائل كثيرة من فروع القول بالإجماع.
অর্থ: একাদশ মাসয়ালা: উলিল আমর সম্পর্কিত মহাপবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা দলীল নেয়া হয় যে, ইজমাউল উম্মাহ মহাসম্মানিত শরীয়ত উনার অকাট্য দলীল। প্রমাণিত আছে যে, পবিত্র ইজমাউল উম্মাহ দ্বারা অসংখ্য শাখামূলক মাসয়ালা বের করা হয়েছে।
(৩৮০)
المسألة الثانية عشرة: ذكرنا أن قوله: فَإِنْ تَنازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُولِ يدل على صحة العمل بالقياس، فنقول: كما أن هذه الآية دلت على هذا الأصل، فكذلك دلت على مسائل كثيرة من فروع القول بالقياس.
অর্থ: দ্বাদশ মাসয়ালা: আমরা আ বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৫)
চতুর্থ বর্ণনা:
হযরত আবূ নাঈম ইস্পাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘আত্ব ত্বিব্বুন নববী’ কিতাবে বর্ণনা করেন-
أخبرنا أحمد في كتابه حَدَّثَنا محمد بن جرير، حَدَّثَنا أحمد بن الحسن الترمذي، عَن موسى بن محمد النسائي، حَدَّثَنا دفاع بن دغفل السدوسي، عَن عَبد الحميد بن صيفي بن صهيب، عَن أبيه، عَن جَدِّه صهيب الخير رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صَلَّى الله عَليْهِ وَسلَّم عليكم بألبان البقر فإنها شفاء وسمنها دواء ولحومها داء
অর্থ: (আমাদের নিকট) আহমদ তিনি উনার কিতাবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুহম্মদ ইবনে জারীর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আহমদ ইবনুল হাসান আত তিরমিযী তিনি মূসা ইবনে ম বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৬৭)
المسألة الثانية: اعلم أن هذه الآية آية شريفة مشتملة على أكثر علم أصول الفقه، وذلك لأن الفقهاء زعموا أن أصول الشريعة أربع: الكتاب والسنة والإجماع والقياس، وهذه الآية مشتملة على تقرير هذه الأصول الأربعة بهذا الترتيب.
অর্থ: দ্বিতীয় মাসয়ালা: জেনে রাখুন! নিশ্চয়ই অত্র মহাপবিত্র আয়াত শরীফ খানা উছূলুল্ ফিক্হ ইল্মের সংশ্লিষ্ট উৎস। যেহেতু সকল ফুকাহা কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মনে করেন নিশ্চয়ই মহাসম্মানিত শরীয়ত উনার উছূল হলো চারখানা। কিতাবুল্লাহ তথা মহাপবিত্র কুরআন মাজীদ, মহাপবিত্র সুন্নাহ তথা হাদীছ শরীফ, মহাপবিত্র ইজমাউল উম্মাহ ও মহাপবিত্র ছহীহ কিয়াস। অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
সনদ পর্যালোচনা:
এই হাদীছের একজন রাবী হচ্ছেন- সাঈফ ইবনে মিসকীন। তার সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ বিশারদ উনাদের কিছু বক্তব্য দেখা যাক।
হযরত ইমাম দারা কুত্বনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং হযরত আবূ হাতিম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অর্থাৎ উনারা বলেন-
وَسَيفُ بن مِسكِينٍ هَذا لَيس بِالقَوِيِّ
অর্থ: সাঈফ ইবনে মিসকীন তিনি শক্তিশালী নন। (আল ইলাল লিদ দারা কুত্বনী ১/২১৯, তাহক্বীকু জুযইম মিন ইলালি ইবনে আবী হাতিম ১/৬১)
হযরত মুহম্মদ ইবনে আলী ইবনে মুহম্মদ শাওক্বানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
سيف بن مسكين وهو واه
অর্থ: সাঈফ ইবনে মিসকীন তিনি জারাহগ্রস্ত, ভিত্ত বাকি অংশ পড়ুন...












