SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পাথরে%' OR titleBn LIKE '%পাথরে%' OR descriptionEn LIKE '%পাথরে%' OR descriptionBn LIKE '%পাথরে%' OR slug LIKE '%পাথরে%' OR metaTag LIKE '%পাথরে%' OR metaDescription LIKE '%পাথরে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম তিনি প্রকাশ্যে মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পর উম্মু আবীহা আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রায় দেড় বছর দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন,উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্ বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র-০১: পবিত্র মসজিদে জুমুয়ার ঐতিহাসিক ছবি
আল জুমুয়া মসজিদ (আরবি: مسجد الجمعة), এছাড়াও মসজিদটি বনী সেলিম মসজিদ, আল গুবাইব মসজিদ বা আতিকাহ মসজিদ হিসেবে পরিচিত, মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরে অবস্থিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পবিত্র মদীনা শরীফে হিজরত মুবারকের সময় প্রথমবারের মত এই স্থানে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন।
মসজিদের অবস্থান:
মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওয়াদি রানুনার বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইতালির বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ইতালির ভেনেতো অঞ্চলের শহর ও গ্রামে বৃষ্টিপাতের সময় আকাশ থেকে পড়তে থাকে শিলা। তবে এই শিলা বৃষ্টি দেখে অনেকে অবাক হয়ে যায়। কারণ মাটিতে যেসব শিলা পড়ছিলো সেগুলো একেকটির আকার ছিল বড় বড় পাথরের সমান।
শিলা বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর দেশটির জরুরি পরিষেবার কাছে কমপক্ষে ৫০০টি কল আসে। তাদের সবাই জানায়, শিলার আঘাতে তাদের বাড়ি-ঘর বা অন্যান্য জিনিসপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এবং আহত হওয়ার খবরও আসে অনেক।
শিলার এমন অস্বাভাবিক আকার দেখে অনেকে ভিডিও করে সামাজিক যোগ বাকি অংশ পড়ুন...
আগ্রা লাল কেল্লার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ঐতিহাসিক মতি মসজিদ। বাদশাহ আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার শাসনামলের শুরুর ভাগে এটি নির্মাণ করেন। ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। তিনি উনার শাসনকালের প্রথম ২৩ বছর দিল্লিতে অবস্থান করেন।
এ সময় মতি মসজিদ ছিলো উনার ব্যক্তিগত মসজিদ। ১৬৮১ খ্রিস্টাব্দে বিদ্রোহ দমনের জন্য তিনি দিল্লি ত্যাগ করেন। এরপর আর কখনোই উনার দিল্লি ফেরা হয়নি। মসজিদটি নির্মাণ করতে ৫ বছর সময় এবং এক লাখ ৬০ হাজার রুপি ব্যয় হয়েছিলো।
এটাই ছিলো আগ্রা কেল্লার অভ্যন্তরে নির্মিত প্রথম মসজিদ। ঐতিহাসিকরা লেখেন, ব বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, কুরবানী কেমন পশু দিয়ে করতে হবে সে বিষয়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কুরবানী করবে মোটা-তাজা পশু দেখে। কারণ এটা (কুরবানীর পশু) পুলসিরাত পারের বাহন হবে।” সুবহান বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত উম্মতের পক্ষ থেকে কুরবানী করেছেন
১ম দলীল
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছেন- “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত রয়েছেন, একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এমন একটি শিংওয়ালা দুম্বা আনতে যা কালোতে হাঁটে, কালোতে শোয় ও কালোতে দেখে অর্থাৎ যার পা, পেট ও চোখ সবই কালো। অতঃপর সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক উনার প্রতিটি মুহূর্তেই রয়েছে হিকমত, শিক্ষা ও উম্মতের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। কখনো জীব জন্তু, কখনো জড় বস্তু উনার পবিত্র সান্নিধ্যে এসে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মেতে ওঠে যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা ও মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত বিশেষ সম্মানের স্বাক্ষ্য বহন করে। একই সঙ্গে এসব পবিত্র ই’জায শরীফ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিপাইনের মায়োন আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাতে ছড়িয়ে পড়া ছাই, পাথর ও কাচের মতো পদার্থ এক কিলোমিটার পর্যন্ত উঁচুতে উঠে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচের দিকে নেমে আসে। এতে করে ৮৭টি গ্রামের প্রায় এক লাখ বিশ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স অফিস (ওসিডি)।
সিভিল ডিফেন্স অফিস (ওসিডি) আরও জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে ১,৪৩৮টি পরিবার বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে। এছাড়া ২৬টি পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রের বাইরে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ওসিডি আরও জানিয়েছে, দেশের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি থেকে ব বাকি অংশ পড়ুন...












