রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় ‘মসজিদের শহর’। নগরীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মসজিদ- যার প্রতিটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাংলার সংস্কৃতির একেকটি জীবন্ত দলীল। প্রাচীন কারুকার্যম-িত স্থাপত্যশৈলীর মসজিদের পাশাপাশি বর্তমানে আধুনিক ও নান্দনিক নকশায় নির্মিত মসজিদও শোভা পাচ্ছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। তেমনই এক আলো ঝলমলে মসজিদের নাম- ‘মসজিদ আল মুস্তফা’।
মসজিদটি রাজধানীর ১০০ ফিটে মাদানি এভিনিউয়ে ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত। মসজিদ আল মুস্তফার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সামনের দিকে কালো রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পবিত্র কা’বা শরীফের আকৃতি। দেও বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বইমেলার পরিসর বাড়লেও গবেষণামূলক বই বের হচ্ছে কি না, তা নিয়ে ভাবা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে বইমেলাকে আগামীতে আন্তর্জাতিক পরিসরে আয়োজনের সুযোগ রয়েছে কি না এবং মানুষের বই পড়ার অভ্যাস বাড়ছে কি না, এসব বিষয় নিয়েও বর্তমানে চিন্তাভাবনা করার অবকাশ আছে বলেও তিনি মনে করেন।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) (বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বই পড়ার গুরুত্ব, ইন্টারনেটের কারণে বই পড়ার হার কমে যাওয়া এবং মানুষের ম বাকি অংশ পড়ুন...
৭ম শতাব্দীতে পারস্য শাসকের জন্য উইন্ডমিল বা বায়ুকল আবিষ্কার করা হয়। শস্য চূর্ণ এবং সেচের জন্যে পানি উত্তোলনে তা ব্যবহার করা হতে থাকে। এ বিষয়টা পার্সিয়ান ভূগোলবিদ Estakhri এর বর্ণনা থেকে পাওয়া যায়। তিনি নবম শতাব্দীতে খোরাসানের (পূর্ব ইরান এবং পশ্চিম আফগানিস্তান) বায়ুকলগুলি পরিচালনা করতেন।
গ্রীষ্মকালে পানির উৎস গুলো শুকিয়ে গেলে আরব দেশের বিশাল মরুভূমিতে শক্তির একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়াতো বাতাস। কয়েক মাস পর্যন্ত একদিক থেকে অন্যদিকে দ্রুত বেগে বাতাস প্রবাহিত হতো। এই বাতাসের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে উইন্ডমিল সচল থাকতো।
তৎকালীন প্রত বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আ বাকি অংশ পড়ুন...
শিক্ষা জাতির মেরুদ-। কোন জাতির শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা মানে তার মেরুদ- ধ্বংস করা। কোন ব্যক্তির মেরুদ- ক্ষতিগ্রস্ত হলে যেমন সে আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তেমনি কোন জাতির শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হলে সে জাতি আর মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারে না। নুয়ে থাকে।
ব্রিটিশরা এ অঞ্চলে আসার আগে এ অঞ্চলে মুসলমান প্রবর্তিত শিক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত উঁচু স্তরের ছিলো। সেই সময় মুসলমান প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থা ছিলো আরবী ও ফারসী ভাষার উপর নির্ভর। মুসলমানরা তো অবশ্যই হিন্দুরাও সেই ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করতো। কিন্তু উঁচু স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা থাকলে তো বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি (মহান আল্লাহ পাক) আপনার আলোচনা মুবারক তথা মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনাকে বুলন্দ করেছি।” অর্থাৎ খ্ বাকি অংশ পড়ুন...
ইউরোপের বুকে সম্মানিত ইসলামের পদচিহ্নের কথা বললেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে স্পেনের আন্দালুস কিংবা উসমানীয় সাম্রাজ্যের বলকান বিজয়ের ছবি। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় প্রায়ই অনালোচিত থেকে যায় ভূমধ্যসাগরের তীরে ইতালির দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত সিসিলি দ্বীপের কথা।
দীর্ঘ ২০০ বছরের বেশি সময় এই দ্বীপ মুসলিম শাসনের অধীন ছিলো, যা কেবল সামরিক বিজয় নয়, বরং জ্ঞানবিজ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিলো।
সিসিলি বিজয়ের সূচনা:
সিসিলি বিজয়ের ইতিহাস শুরু হয় উত্তর আফ্রিকার আঘলাবি রাজবংশের হাত ধরে। আব্বাসীয় খলীফা হারুনুর রশিদের সময় ইব্র বাকি অংশ পড়ুন...
তুলসী সবুজ রঙের গুল্মজাতীয় একটি উপকারী উদ্ভিদ। এ গাছের পাতায় বহু রোগ সারানোর উপকারী গুণ রয়েছে। তুলসীপাতার রস বা চা প্রতিদিন একগ্লাস করে পান করলে, আমাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার শঙ্কা কমে যায়। আর যদি কিডনিতে পাথর জমে তাহলে তুলসী পাতার রস টানা ৬ মাস পান করলে তা গলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।
এছাড়া সর্দি, কাশি, কৃমি, প্রস্রাবে জ্বালা কমায়, হজমকারক ও কফ গলাতে দারুণ কাজ করে তুলসীপাতা। এটি ক্ষত সারাতে এন্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে। তুলসিপাতা দিয়ে চা ও মিশ্রণ তৈরির কয়েকটি প্রস্তুত প্রণালী তুলে ধরা হলো-
তুলসী পানি:
উপকরণ: দুই কাপ পানি ও কয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্যই শুধু নয়, স্বাস্থ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে তেজপাতা। বিশেষ করে যাদের কোলেস্টেরল বেশি বা টাইপ ২ ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য তেজপাতা যেন প্রাকৃতিক ওষুধের মতো। পাশাপাশি এটি অন্ত্রের সমস্যা কমাতে ও শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। তবে শুধু রান্নায় তেজপাতা ব্যবহারে এই সুফল পাওয়া সম্ভব নয়; এজন্য তেজপাতার চা নিয়মিত পান করতে হবে।
তেজপাতার চায়ের গুণ:
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: নিয়মিত তেজপাতার চা পান করলে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। টাইপ ২ ডায়াবেটি বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক উনার অসংখ্য পবিত্র ই’জায শরীফ রয়েছেন, যা উনার সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার সত্যতা ও মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম কুদরত মুবারকের প্রমাণ। এই পবিত্র ই’জায শরীফ গুলো শুধু অতীতের ইতিহাস নয়; বরং আজকের জীবনেও পবিত্র ঈমান উনার শক্তি বৃদ্ধির উৎস। বিশেষ করে পানি সংকটের মধ্যে একটি বিস্ময়কর অলৌকিকতা ঘটেছিলো, যা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের কাছে প্রত্যক্ষ হয়ে আজও আমাদের হৃদয়ে গভীর শিক্ষা প্রদান করে। এই পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
চুলের যত্নে: চুলে শ্যাম্পু করার পর তেজপাতার পানি ব্যবহার করুন। কয়েকটি তেজপাতা দিয়ে পানি চুলায় গরম করতে হবে। ঠান্ডা হওয়ার পর এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে চুলের খুশকি দূর হয়। একইসঙ্গে চুল পড়াও ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
উকুননাশক হিসেবে: ৫০ গ্রাম তেজপাতা এবং ৪০০ মি.লি. পানি একসাথে করে চুলায় গরম করতে হবে, যতক্ষণ না কমে ১০০ মি.লি. পানি হয়। তারপর ঠান্ডা করে মাথার তালুতে লাগাতে হবে। ৩-৪ ঘণ্টা রাখার পরে মাথা ধুয়ে ফেলতে হবে।
ডায়াবেটিস: তেজপাতার পানি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে; যা আমাদের শরীরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইনসুলিন তৈরি কর বাকি অংশ পড়ুন...
বান্দরবান সংবাদাদতা:
সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীতে চর জেগে ওঠার কারণে নদী দুটি ভরাট হয়ে নাব্যতা হারাচ্ছে। যার ফলে নৌ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, জেলেরা বিপাকে পড়েছেন। এর কারণ মূলত পাহাড়ের ঢলের সঙ্গে আসা মাটি ও বালু, দখলদারদের প্রভাব এবং দীর্ঘদিন ড্রেজিং না হওয়া যা নদী অববাহিকার পরিবেশের জন্য হুমকি স্বরূপ। এ সমস্যা সমাধানে নদী অববাহিকা পুনরুদ্ধারের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া প্রয়োজন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদী ড্রেজিং হয়নি। সাঙ্গু নদীতে নৌ চলাচল বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি জেলা শহরে খাওয়ার পানিরও সংকট দে বাকি অংশ পড়ুন...












