SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পরকাল%' OR titleBn LIKE '%পরকাল%' OR descriptionEn LIKE '%পরকাল%' OR descriptionBn LIKE '%পরকাল%' OR slug LIKE '%পরকাল%' OR metaTag LIKE '%পরকাল%' OR metaDescription LIKE '%পরকাল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে খেলাধুলা হারাম। সুতরাং এখন হারাম বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা (পাগলামি) চলছে এবং তার স্রোতে মুসলমান নামধারীরা ভেসে বেড়াচ্ছে, তা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী কাট্টা হারাম ও কবীরা গুণাহ। যারা খেলাধুলা দেখছে, সমর্থন করছে, টাকা পয়সা খরচ করছে সবই হারাম ও কবীরা গুণাহ হচ্ছে। শুধু তাই নয় সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী এ সকল মুসলমানদের হাশর নশরও কাফেরদের সাথেই হবে। নাউযুবিল্লাহ!
এখন প্রশ্ন হচ্ছে- কাফির মুশরিকদের যে সকল দেশগুলোকে মুসলমান নামধারীরা সমর্থন জানাচ্ছে, তাদেরকে মহব্বত করছে, খেলোয়াড়দের প্রশংসা করছে, তারা কি দ্বী বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেভাবে পবিত্র ঈমান এনেছেন, জিন-ইনসান যদি সেভাবে পবিত্র ঈমান আনে তাহলে তারা অবশ্যই হিদায়েত লাভ করবে।” হযরত ছাহাবা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “যার সাথে মহব্বত, পরকালে তার হাশর-নশর তার সাথেই হবে।” (সহীহ বুখারী, হাদীছ নং- ৬১৬৯)
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে কোনো হারাম বা অন্যায় কাজ সমর্থন করার অর্থ হলো সেই পাপের অংশীদার হওয়া। ইসলামে কোনো অপরাধের প্রতি অন্তরের সন্তুষ্টি বা আসক্তিকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৩৪৫)
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে খেলাধুলা হারাম। সুতরাং এখন হারাম বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা (পাগলামি) চলছে এবং তার স্রোতে মুসলমান নামধারীরা ভেসে বেড়াচ্ছে, তা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী কাট্টা হারাম ও কবীরা গুণাহ। যা বাকি অংশ পড়ুন...
لَئِن لَّمْ يَنتَهِ الْمُنَافِقُون
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন, এটা মানুষতো বলেনি মহাসম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে। যদি মুনাফিকরা বিরত না হয় এগুলো থেকে, এই অপবাদ দেয়া থেকে বিরত না হয়
وَالَّذِينَ فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ
যাদের অন্তরে রোগ আছে, কুফরী শিরকীর রোগ আছে, কাফির মুশরিকদের গোলামীর রোগ যে আছে। এরা
وَالْمُرْجِفُونَ فِي الْمَدِينَةِ
আর যারা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে এবং অন্যান্য শহরে অপবাদ ছড়ায় এরা যদি বিরত না হয় তাহলে কি করা হবে?
لَنُغْرِيَنَّكَ بِهِمْ ثُمَّ لا يُجَاوِرُونَكَ فِيهَا إِلاَّ قَلِيلاً
যদি এরা বিরত না হয় ত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُه‘ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا اُولٰئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ اَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْاٰخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ.
অর্থ: ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত মসজিদসমূহে উনার যিকির মুবারক করতে, উনার সম্মানিত নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজাড় বা বিরাণ করতে চেষ্টা করে। তাদের জন্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় অর্থাৎ খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করা ব্যতীত মসজিদসমূহে প্রবেশ করা জায়ি বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত সুমাইয়্যাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন,
أَنَّ سيدتنا حضرت سُمَيَّةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا أُمَّ حضرت عَمَّارٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَذَّبَهَا هَذَا الْحَيُّ مِنْ بَنِي الْمُغِيرَةِ عَلَى الْإِسْلَامِ وَهِيَ تَأْبَى حَتَّى قَتَلُوهَا وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمُرُّ بحَضْرَتْ عَمَّارٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَأُمِّهِ وَأَبِيهِ وَهُمْ يُعَذِّبُونَ بِالْأَبْطَحِ فِي رَمْضَاءِ مَكَّةَ فَيَقُولُ صَبْرًا يَا آلَ يَاسِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَإِنَّ مَوْعِدَكُمُ الْجَنَّهُ
অর্থ: “সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার কা বাকি অংশ পড়ুন...
وَيُبَيِّنُ اللهُ لَكُمُ الآيَاتِ وَاللهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সব হুকুম স্পষ্ট করে বর্ণনা করে দিলেন। তিনি সব জানেন, শুনেন। তিনি আলিম তিনি হাকীম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যদি করো তাহলে কি হবে?
لُعِنُوا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ
তাহলে কি হবে? ইহকাল পরকালে লা’নত বর্ষণ করা হবে। নাউযুবিল্লাহ!
وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
কঠিন শাস্তি তোমাদের জন্য রাখা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
ইবলিস সম্পর্কে বলা হয়েছে-
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِي إِلَى يَوْمِ الدِّينِ
ইবলিস তোর জন্য অনন্তকালের জন্য লা’নত। এদেরও প্রতি অনন্ বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা ও বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
لَا تَجِدُ قَوْمًا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ يُوَادُّونَ مَنْ حَادَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَوْ كَانُوا آبَاءَهُمْ أَوْ أَبْنَاءَهُمْ أَوْ إِخْوَانَهُمْ أَوْ عَشِيرَتَهُمْ أُولَئِكَ كَتَبَ فِي قُلُوبِهِمُ الْإِيمَانَ وَأَيَّدَهُمْ بِرُوحٍ مِنْهُ
অর্থ: “(আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি ওই ক্বওমকে যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল, বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাই পবিত্র রিযামন্দি-সন্তুষ্টি, মুহব্বত-মা’রিফাত মুবারক হাছিলের একমাত্র উছীলা। উনাদের মুবারক উছীলা বা মধ্যস্থতা ব্যতীত কস্মিনকালেও কোন নিয়ামত মুবারক হাছিল করা সম্ভব নয়। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَةْ جَعْفَرَ الصَّادِقِ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّهُ قَالَ نَـحْنُ اٰلُ بَيْتِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَـحْنُ الْوَسِيلَةُ اِلَى اللهِ وَلَا وَسِيلَةَ اِلَى اللهِ اِلَّا عَنْ غَيْرِ طَرِيقِنَا اَوْ مِنْ سِوَانَا
অর্থ: ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কাঠের তৈরি বাটিতে ঠান্ডা পানি, মধু, নবীয, দুধ, ছাতু ইত্যাদি পানীয় পান করেছেন। উনার সেই মুবারক পান পাত্রটি ছিল প্রশস্ত। উনার দৈর্ঘ্য থেকে প্রস্থ বেশি ছিল। উনার কিনারায় লোহার, অপর বর্ণনায় রুপার পাত বা বেড়ী লাগানো ছিল। পাত্রটি মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য সে পাত বা বেড়ী স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লাগিয়েছেন। অন্য বর্ণনায় উনার বিশিষ্ট খাদিম হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি লাগিয় বাকি অংশ পড়ুন...
মানব রচিত শাসন ব্যবস্থা, যার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ তরীক্বা মানুষের দ্বারা রচিত, বিশেষ করে বিধর্মীদের দ্বারা বিশেষ করে ইহুদীদের দ্বারা উদ্ভাবিত ও প্রবর্তিত- তা অনুসরণ-অনুকরণ করা ঈমানদার মুসলমানদের জন্য জায়িয নেই।
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য মতবাদ অনুসরণ করা নিষেধ, সে বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ
অর্থ : যে ব্যক্তি দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম (নিয়ম-নীতির) অনুসরণ করে, তার থেকে তা কখনই গ্রহণ করা হবে না এবং সে বাকি অংশ পড়ুন...












