মাহে রমাদ্বানী চাঁদ ঐ গগনে
সাজবো নতুন করে এ মাস ক্ষনে
রহমত,মাগফিরাত আর নাজাতে
হাসবো নবায়নে আলোক বানে ।
সাহরী ক্ষণে খোদায়ী রিযিক গ্রহণ
প্রতি লোকমাতে জান্নাতী সাধ আস্বাদন
খুরমা দানায় পূর্ণতা পায় সুন্নাহ বাধন
অপার নেয়ামতে বান্দার নছীব জাগরণ
রোযার নিয়তে বরকতে ঐ জনে জনে
মাহে রমাদ্বানী চাঁদ ঐ গগনে
গুনাহ থেকে পরহিজ রাখেন রমাদ্বানে
প্রতি পলক জুড়ে যেন নববীসোপান
নফছ কে শেকল পরিয়ে ইছলাহতে সাজান
রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে যায় হক্বের আযান।
ইলাহা সাথে বান্দার নিছবত গোপনে
মাহে রমাদ্বানী চাঁদ ঐ গগনে
প্রতি নফলের বদলাতে ফরজের সওয়াব
ন বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার সঙ্গে পবিত্র যাকাত উনার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কেননা রোযা হচ্ছে দেহের জন্য পবিত্র যাকাতস্বরূপ। সম্পদের যেরূপ পবিত্র যাকাতের হুকুম রয়েছে, তদ্রƒপ শরীরের পবিত্র যাকাত হিসেবে রোযাকে গণ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মানব হৃদয়ে যাবতীয় রোগ তথা বদ খাছলতসমূহের মধ্যে কৃপণতা বা ধনাসক্তি সর্বাপেক্ষা জঘণ্যতম রোগ। এটা যত ক্ষতি সাধন করতে পারে অন্য কোন কিছু তত ক্ষতি করতে পারে না। (কিমিয়ায়ে সাআদাত)
একবার সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ তাওয়াফ করছিলেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে পবিত্র কা’বা শরীফের বেষ্টনীর উপর হাত রেখে বলতে লাগলেন, “হে দয়াময় মহান আল্লাহ পাক! এই পবিত্র ঘরের উছীলায় আপনি আমার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিন।”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
নফসের অনুসারী এবং মন্দ আমলের কারণে সকলের নিকট নিন্দনীয় হওয়া সত্ত্বেও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উনাকে ইন্তেকালের পর মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ ওলী হিসেবে ঘোষণা এবং সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ বিশেষ সম্মান লাভ
কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন-
اِنَّهٗ كَانَ فِـىْ زَمَانِ اَمِيْـرِ الْـمُؤْمِنِيْـنَ هَارُوْنَ الرَّشِيْدِ شَابٌّ فِـى الْبَصْرَةِ مُسْرِفٌ عَلٰى نَفْسِهٖ وَكَانَ اَهْلُ الْبَلَدِ يَنْظُرُوْنَ اِلَيْهِ بِعَيْنِ التَّحْقِيْرِ لِاَجْلِ اَفْعَالِهِ الْـخَبِيْثَةِ غَيْرَ اَنَّهٗ كَانَ اِذَا قَدِمَ شَهْرُ رَبِيْعِ الْاَوَّلِ غَسَّلَ ثِيَابَه وَتَعَطَّرَ وَتَـجَمَّلَ وَعَمِلَ وَلِيْمَةً و বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এটি দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, রজবুল হারাম মাসের ২৭ তারিখ ইছনাইনিল আযীম শরীফ রাতে পবিত্র বরকতময় মি’রাজ শরীফ হয়েছে। কিন্তু কিছু উলামায়ে ‘সূ’, নামধারী আলেম বিভিন্ন সম্প্রচারমাধ্যম, পত্র-পত্রিকা ও বই-পুস্তকের মাধ্যমে প্রচার করে থাকে যে, মি’রাজ শরীফের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তাদের আপত্তি হলো, ২৭শে রজবের রাতেই মি’রাজ শরীফ হয়েছে এ কথা সঠিক নয়। নাউযুবিল্লাহ!
অতএব, এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব তুলে ধরে এর বিভ্রান্তি নিরসন প্রয়োজন।
জাওয়াব: (২য় অংশ)
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘সূরা কাহাফ’ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
ولا تطع من اغفلنا قلبه عن ذ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَثَلُ كَلِمَةٍ خَبِيثَةٍ كَشَجَرَةٍ خَبِيثَةٍ اجْتُثَّتْ مِن فَوْقِ الْأَرْضِ مَا لَهَا مِن قَرَارٍ
অর্থ: “মন্দ কথা মন্দ গাছের মত যা মাটির উপর থেকে তুলে ফেলা হয়, তার কোন স্থায়িত্ব থাকেনা।”
এই আয়াত শরীফ উনার দ্বারা মহান আল্লাহ পাক তিনি মন্দ কথার মেছাল দিয়েছেন, মন্দ গাছের যেরূপ কোন স্থায়িত্ব নেই তদ্রুপ মন্দ কথার দ্বারা মানুষের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে এবং পরকালে নাজাতও পাবে না।
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
وَيُضِلُّ اللَّـهُ الظَّالِمِينَ ۚ وَيَفْعَلُ اللَّـهُ مَا يَشَاءُ
অর্থ: “যার বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
বান্দা যদি যমীন থেকে আসমান পরিমাণ গুনাহ করে তারপর মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে ক্ষমা করে দেন। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللهُ تَـعَالَى يَا ابْنَ آدَمَ إِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِي وَرَجَوْتَنِي غَفَرْتُ لَكَ عَلَى مَا كَانَ فِيْكَ وَلَا أَبَالِي يَا ابْنَ آدَمَ لَوْ بَلَغَ ذُنُوبُكَ عَنَامَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَـغْفَرْتَنِي غَفَرْتُ لَكَ وَلَا أُبَالِي يَا ابْنَ آدَمَ إِنَّكَ لَوْ لَقِيتَنِي بِقُرَابِ الْأَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيتَنِي لَا تُشْرِكْ ب বাকি অংশ পড়ুন...
তাওবাতুন নাছূহা উনার পরিচিতি
তাওবাতুন নাছূহা ঐ তওবাকে বলা হয় যা অন্তর থেকে একাগ্রতার সহিত ও একনিষ্ঠভাবে করা হয়। তবে তাওবাতুন নাছূহা হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত থাকা আবশ্যক।
(১) গুনাহ্ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকা এবং তা পরিপূর্ণরূপে পরিত্যাগ করা।
(২) কৃত গুনাহের জন্য অন্তর থেকে অনুতপ্ত হওয়া এবং অনুশোচনা প্রকাশ করা।
(৩) আগামীতে গুনাহ্ না করার প্রতি দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হওয়া।
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ‘তাওবাতুন নাছূহা’:
যিনি খালিক্ব, মালিক্ব, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উন বাকি অংশ পড়ুন...
(২৫৫)
وَإِنْ تُطِعْ أَكْثَرَ مَنْ فِي الْأَرْضِ يُضِلُّوكَ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ إِنْ يَتَّبِعُونَ إِلَّا الظَّنَّ وَإِنْ هُمْ إِلَّا يَخْرُصُونَ.
অর্থ: আর যদি আপনি অর্থাৎ আপনার উম্মত পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনার উম্মতকে মহান আল্লাহ তায়ালা উনার পথ থেকে বিপথগামী করে দিবে। তারা শুধু জল্পনা-কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমানভিত্তিক কথা-বার্তা বলে থাকে। (পবিত্র সূরা আনয়াম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৬)
বুঝাই যাচ্ছে যে, অধিকাংশ লোকই গোমরাহ বা পথভ্রষ্ট থাকবে আর অল্পসংখ্যক লোক হিদায়াত উনার উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবেন। গোমরাহদের নিদর্শন হলো- দলীল বিহীনভাবে বাকি অংশ পড়ুন...
অধিক কথা বলার মধ্যে কোন বুযুর্গী ও সম্মান নেই। বরং প্রয়োজনীয় অল্প কথা বলার মধ্যে সম্মান নীহিত। যবান দ্বারা যা কিছুই বলা হয় তা এমনিতেই হওয়ায় উড়ে যায় না। তা আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হয়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ اِلَّا لَدَيْهِ رَقِيْبٌ عَتِيْدٌ
অর্থ : মানুষ যবান দ্বারা যা কিছুই বলে তা লিপিবদ্ধ রাখার জন্য তার কাছে প্রহরী নিযুক্ত রয়েছে। (পবিত্র সূরা ক্বাফ : আয়াত শরীফ ১৮)
অর্থাৎ যবান দ্বারা ভাল-মন্দ যা কিছুই বলা হোক অবশ্যই তার হিসাব নিকাশ হবে এবং তার সাথে ক্ষতি ও উপকারের বিষয়টিও জড়িত রয়েছে। দুনিয়া ও আখির বাকি অংশ পড়ুন...












