সৌন্দর্যের অন্যতম নিদর্শন আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ। যা রূপ নিয়েছে যমুনাপাড়ের সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ঐতিহ্যে। মসজিদটির সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন দূর-দূরান্তের মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা। এটি সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কের মুকন্দগাঁতী নামক স্থানে অবস্থিত।
মসজিদটির আধুনিক নির্মাণশৈলী এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল নির্মাণ কৌশল আর দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যের কারণে মসজিদটি এখন পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
জানা যায়, ২০২১ সালের ২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়া মসজিদটি গড়ে উঠেছে আড়াই বিঘা জমির ওপর। রহমত গ্রুপের চেয়ারম বাকি অংশ পড়ুন...
* সেদিন জনৈক হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন মুশরিককে পিছনে জোরে ধাওয়া করছিলেন। এ সময় তিনি তার উপর দিক থেকে বেত্রাঘাতের শব্দ ও অশ্বারোহীর আওয়াজ শুনতে পান। অশ্বারোহী বলছিলেন, “হে হায়যূম (ফেরেশতার ঘোড়ার নাম) সম্মুখে অগ্রসর হও।’ তখন তিনি দেখতে পেলেন উনার সম্মুখে ওই মুশরিক চিৎ হয়ে পড়ে আছে। এরপর তিনি লক্ষ্য করে দেখলেন যে, তার নাক ফাটা ও মুখম-ল ক্ষত-বিক্ষত। যেন কেউ তাকে বেত্রাঘাত করেছে। বেতের আঘাতে তার সমস্ত দেহ নীল হয়ে গিয়েছে। এরপর ওই ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত উসমানীয় ইতিহাসবিদ মুস্তাফা আলী’র মতে, ‘সুলতান সুলাইমান শুধুমাত্র একজন বিখ্যাত শাসকই ছিলেন না, সমভাবে উনার ছিলেন একজন প্রখ্যাত নির্মাতা, যিনি মুসলিম বিশ্বের কিছু চিত্তাকর্ষক, শ্বাসরুদ্ধকর ও অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নিজের দীপ্ত চিহ্ন রাখতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ছিলেন’। তাই সুলতান ‘সুলাইমানিয়াহ মসজিদ কমপ্লেক্স’কে বিশ্বের সবচেয়ে নয়নমনোহর, অভিজাত ও মার্জিত ভবনগুলির মধ্যে একটি বানাতে চেয়েছিলেন। উনার এই মহান কর্মের শুরু থেকে শেষ অবধি কাজের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে গভীর য বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মার্কিন বিশেষ দূত হিসেবে কর্মরত কুশনার একটি ‘নিউ গাজা’ বা নতুন গাজার পরিকল্পনা উন্মোচন করেছে। যেখানে থাকবে ঝকঝকে আকাশচুম্বী ভবন, উপকূলীয় পর্যটন কেন্দ্র এবং ব্যবসার জন্য নির্ধারিত বিশাল সব এলাকা। সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে কুশনার বিশ্বনেতাদের বলে, গাজা চলবে ‘মুক্ত বাজার অর্থনীতি’র নীতিতে, যা হবে ট্রাম্পের আমেরিকার মতোই।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই পরিকল্পনা যুদ্ধ এবং গণহত্যার ওপর ভিত্তি করে মুনাফা লোটার এক বড় উদাহরণ। ব্রিটিশ-ইসরায়েলি বিশ্লেষক ড্যানিয়েল লেভি বলে, ‘মানুষ এই গণহত্যা থেকে টা বাকি অংশ পড়ুন...
চুলের যত্নে: চুলে শ্যাম্পু করার পর তেজপাতার পানি ব্যবহার করুন। কয়েকটি তেজপাতা দিয়ে পানি চুলায় গরম করতে হবে। ঠান্ডা হওয়ার পর এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে চুলের খুশকি দূর হয়। একইসঙ্গে চুল পড়াও ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
উকুননাশক হিসেবে: ৫০ গ্রাম তেজপাতা এবং ৪০০ মি.লি. পানি একসাথে করে চুলায় গরম করতে হবে, যতক্ষণ না কমে ১০০ মি.লি. পানি হয়। তারপর ঠান্ডা করে মাথার তালুতে লাগাতে হবে। ৩-৪ ঘণ্টা রাখার পরে মাথা ধুয়ে ফেলতে হবে।
ডায়াবেটিস: তেজপাতার পানি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে; যা আমাদের শরীরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইনসুলিন তৈরি কর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
চীনের পশ্চিম মরুভূমির সবচেয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের গভীরে, যেকোনো শহর বা বসতি থেকে অনেক দূরে এবং নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমার আড়ালে, এমন একটি স্থান রয়েছে যা নীরবে চীনের সবচেয়ে গোপন সামরিক উচ্চাকাক্সক্ষার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। উপর থেকে দেখলে এটি বিশাল ভূখ-ের পটভূমিতে কংক্রিট এবং ধাতুর একটি ঝকঝকে মরীচিকা বলে মনে হয়। চীনা কর্মকর্তারা এর বিষয়ে প্রায় কোনো তথ্য না দেওয়ায় গোপনীয়তায় মোড়া রয়েছে এটি।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলে প্রকাশিত একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রাজধানী বেইজিংয়ের কাছাকাছি একটি বিশাল সামরিক বাকি অংশ পড়ুন...
সৌরজগৎ একটা বিশাল পরিবারের মতো। সূর্যকে ঘিরে ঘুরছে বুধ, শুক্র, পৃথিবীসহ আটটি গ্রহ। আর এই গ্রহগুলোরও আছে নিজস্ব কক্ষপথ, নিজেদের চাঁদ। তবে সৌরজগতের সব গ্রহের চাঁদ নেই। যেমন বুধ বা শুক্র গ্রহের চাঁদ নেই। আবার পৃথিবীর একটাই উপগ্রহ চাঁদ। সবচেয়ে বেশি চাঁদ আছে শনি গ্রহের ২৭৪টি। আর বৃহস্পতির আছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯৫টি চাঁদ।
সৌরজগতের এমন আরেক সদস্য হলো ইউরেনাস। এই গ্রহটি বরফের মতো শীতল। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা এই গ্রহে এক নতুন সদস্যকে খুঁজে পেয়েছে। অর্থাৎ, ইউরেনাসের আরও একটি চাঁদের খোঁজ পাওয়া গেছে! টেলিস্কোপের সাহায্যে এই চাঁদ খু বাকি অংশ পড়ুন...
খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে চিনি একটি অতীব প্রয়োজনীয় পণ্য। আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন খাদ্যে চিনির প্রয়োজন পড়ে। বাংলাদেশের বাজারে প্রধানত দুই ধরণের চিনির দেখা মেলে। সাদা চিনি ও লাল চিনি। লাল চিনি মূলত দেশীয় আখ থেকে তৈরী করা।
দেশে আখের চিনি সরবরাহকারী রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) আওতাভুক্ত ১৬টি চিনিকল। আর বিটনির্ভর আমদানিকৃত ও পরিশোধিত চিনি সরবরাহ দিচ্ছে গুটিকয়েক বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলে উৎপাদিত চিনির চাহিদা সাম্প্রতিক সময়ে বাড়লেও এখনও সার বাকি অংশ পড়ুন...
সাভারের আমিনবাজারে অবস্থিত আঠারো শতকের দেওয়ানবাড়ি ও জামে মসজিদ। ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক থেকেও পরিষ্কারভাবে মসজিদটিকে দেখা যায়। এই মসজিদটির পাশেই দেওয়ানবাড়ি নামে একটি প্রাচীন ভবন রয়েছে।
ধারণা করা হয়, এই প্রাচীন ভবন ও মসজিদটি একই সময় নির্মাণ করা হয়েছিলো।
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ধরে নিয়মিত যাদের চলাচল, দেওয়ানবাড়িতে তাদের চোখে পড়ে পুরোনো একটি ইমারত। ঢাকা থেকে সাভারের দিকে যেতে মহাসড়কের ডান পাশে পড়ে বাড়িটি। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) প্রণীত নগরের ঐতিহ্যবাহী ভবনের তালিকায় ওই বাড়ির নাম ‘দেওয়ানবাড়ি কমপ্লেক্স ও মসজিদ’।
অর্থাৎ বাড়ি বাকি অংশ পড়ুন...
* সেদিন জনৈক হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন মুশরিককে পিছনে জোরে ধাওয়া করছিলেন। এ সময় তিনি তার উপর দিক থেকে বেত্রাঘাতের শব্দ ও অশ্বারোহীর আওয়াজ শুনতে পান। অশ্বারোহী বলছিলেন, “হে হায়যূম (ফেরেশতার ঘোড়ার নাম) সম্মুখে অগ্রসর হও। ’ তখন তিনি দেখতে পেলেন উনার সম্মুখে ওই মুশরিক চিৎ হয়ে পড়ে আছে। এরপর তিনি লক্ষ্য করে দেখলেন যে, তার নাক ফাটা ও মুখম-ল ক্ষত-বিক্ষত। যেন কেউ তাকে বেত্রাঘাত করেছে। বেতের আঘাতে তার সমস্ত দেহ নীল হয়ে গিয়েছে। এরপর ওই ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...
খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে চিনি একটি অতীব প্রয়োজনীয় পণ্য। আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন খাদ্যে চিনির প্রয়োজন পড়ে। বাংলাদেশের বাজারে প্রধানত দুই ধরণের চিনির দেখা মেলে। সাদা চিনি ও লাল চিনি। লাল চিনি মূলত দেশীয় আখ থেকে তৈরী করা।
দেশে আখের চিনি সরবরাহকারী রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) আওতাভুক্ত ১৬টি চিনিকল। আর বিটনির্ভর আমদানিকৃত ও পরিশোধিত চিনি সরবরাহ দিচ্ছে গুটিকয়েক বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলে উৎপাদিত চিনির চাহিদা সাম্প্রতিক সময়ে বাড়লেও এখনও সার বাকি অংশ পড়ুন...
খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে চিনি একটি অতীব প্রয়োজনীয় পণ্য। আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন খাদ্যে চিনির প্রয়োজন পড়ে। বাংলাদেশের বাজারে প্রধানত দুই ধরণের চিনির দেখা মেলে। সাদা চিনি ও লাল চিনি। লাল চিনি মূলত দেশীয় আখ থেকে তৈরী করা।
দেশে আখের চিনি সরবরাহকারী রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) আওতাভুক্ত ১৬টি চিনিকল। আর বিটনির্ভর আমদানিকৃত ও পরিশোধিত চিনি সরবরাহ দিচ্ছে গুটিকয়েক বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলে উৎপাদিত চিনির চাহিদা সাম্প্রতিক সময়ে বাড়লেও এখনও সার বাকি অংশ পড়ুন...












