SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জীবনধারা%' OR titleBn LIKE '%জীবনধারা%' OR descriptionEn LIKE '%জীবনধারা%' OR descriptionBn LIKE '%জীবনধারা%' OR slug LIKE '%জীবনধারা%' OR metaTag LIKE '%জীবনধারা%' OR metaDescription LIKE '%জীবনধারা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে গতকাল জুমুয়াবার এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ও কুফরী শক্তির নানামুখী চক্রান্তের প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশে উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা দেশ ও দ্বীন সুরক্ষায় সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১০ দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে গতকাল জুমুয়াবার এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ও কুফরী শক্তির নানামুখী চক্রান্তের প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশে উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা দেশ ও দ্বীন সুরক্ষায় সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১০ দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
জাহাজগুলো থাকতো অতিরিক্ত যাত্রীতে ঠাসা:
জাহাজগুলো যথাযথভাবে পরীক্ষা করার মতো পর্যাপ্ত সম্পদ ও জনবলও ছিলো না। তার ওপর জাহাজগুলো থাকতো অতিরিক্ত যাত্রীতে ঠাসা। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া-র মতো পত্রিকাগুলোতে হাজিদের দুরবস্থার বর্ণনা করে নানা রকম চাঞ্চল্যকর সংবাদ প্রকাশিত হতো তখন।
এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ভারত সরকার ১৮৮৬ থেকে ১৮৯৩ সাল পর্যন্ত টমাস কুক কোম্পানিকে হজের জন্য সরকারি ভ্রমণ এজেন্ট হিসেবে নিযুক্ত করে। তবে হজ ভ্রমণে মুনাফা না থাকার অভিযোগ তুলে কোম্পানিটি এ সেবা বন্ধ করে দেয়। এরপর ভারতীয় হাজিরা আবার ব্রিটিশ ও ভারতীয় বাকি অংশ পড়ুন...
সু-প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার এই ভূখন্ড অভাবনীয় সমৃদ্ধশীল একটি অঞ্চল ছিলো। যার কারণে বিশে^র বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এই অঞ্চলে আগমন করতো। বিশেষ করে তৎকালীন সময়ে যে সকল পর্যটক বাংলার এই অঞ্চলে আগমন করেছেন তাদের সবাই এ অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি, মানুষ, মুসলিম শাসন, সমাজ ও সাংস্কৃতিক অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো ইতিহাসবিখ্যাত মুসলিম পর্যটক ইবনে বতুতার ‘আল রিহলা’ গ্রন্থে বাংলা নিয়ে বর্ণিত বর্ণনাগুলো।
ইবনে বতুতার প্রকৃত নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ। ইবনে বতুতার আগমন ১৩৪৬ খ্রি:। তিনি সিংহল (বর্তমান শ্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
অমুসলিম বিদেশি বাসিন্দাদের অ্যালকোহল কেনার অনুমতি দিয়ে মদ বিক্রির বিধিনিষেধ আরও শিথিল করেছে সৌদি আরব।
শুধু আয়ের প্রমাণপত্র দেখিয়ে এখন রিয়াদের একমাত্র মদের দোকানে প্রবেশ করতে পারবে বিদেশিরা।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাসিক আয় ৫০ হাজার রিয়াল (১৩ হাজার ৩০০ ডলার) বা তারও বেশি এমন অমুসলিম বিদেশি বাসিন্দারা সৌদি আরবে অ্যালকোহল কিনতে পারবে।
গত বছর এই দোকানটি প্রথমে বিদেশি কূটনীতিকদের জন্য খোলা হয়েছিলো। সম্প্রতি ‘প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি’ থাকা অমুসলিমদের জন্যও এর প্রবেশাধিকার বাড়ানো হয়েছে।
এই পরিবর্তন বাকি অংশ পড়ুন...
শামুককে আমরা ধীরগতির প্রাণী হিসেবে চিনি। কিন্তু তাদের ঘুমের অভ্যাস আরও বিস্ময়কর। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রয়োজন হলে শামুক টানা তিন বছর পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকতে পারে। মূলত জীবন বাঁচানোর কৌশল হিসেবেই তারা এ দীর্ঘ ঘুমে যায়।
শামুকের বেঁচে থাকার জন্য ভেজা ও আর্দ্র পরিবেশ খুব জরুরি। আবহাওয়া অতিরিক্ত শুকনো হয়ে গেলে তাদের শরীরের পানি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। তখন মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে শামুক ‘হাইবারনেশন’ (শীতনিদ্রা) বা ‘এস্টিভেশন’ (গরমে বাঁচার জন্য দীর্ঘ ঘুম) অবস্থায় যায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, এ সময় শামুক সম্পূর্ণভাবে নিজের খোলসে বাকি অংশ পড়ুন...
উত্তর কুয়েতের সুবিয়া এলাকার ঐতিহাসিক বাহরা-১ প্রতœতাত্ত্বিক স্থানে মিলেছে যুগান্তকারী আবিষ্কার। জাতীয় সংস্কৃতি, শিল্প ও পত্র পরিষদ (এনসিসিএএল) জানায়-এ স্থানে পাওয়া গেছে ৭,৭০০ বছরেরও বেশি পুরনো ২০টির বেশি প্রাচীন ভাটি এবং বহু দুষ্প্রাপ্য নিদর্শন, যা আরব উপদ্বীপের প্রাচীন জীবনযাত্রার ওপর নতুন আলোকপাত করছে।
সাম্প্রতিক খননে বেরিয়ে এসেছে ডানাওয়ালা পেঁচার অর্ধেক মডেল, স্থানীয়ভাবে জন্মানো প্রায় ৭,৫০০ বছর পুরনো বার্লির অবশেষ, ভাঙা মৃৎপাত্র, ছোট আকৃতির মানবমাথার মডেল, প্রাচীন জাহাজের মডেল এবং খাদ্য প্রস্তুতির মাটির পাত্রসহ বেশ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সন্ত্রাসী ইসরায়েলের হামলায় গাজায় পুরো এলাকা ধ্বংসের পাশাপাশি পরিবারগুলো বহুবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলো তছনছ হয়ে গেছে। তবে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর প্রভাব দেখা দিয়েছে মাটির ও পানির উপর, যা স্থানীয়দের জীবনধারার প্রধান উৎস।
চার সপ্তাহের এক ভঙ্গুর স্থগিত যুদ্ধের পর পরিবেশগত ক্ষতির চিত্র ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যদিও সন্ত্রাসী ইসরায়েল প্রতিদিন এই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে।
গাজা সিটির শেখ রাদওয়ান এলাকায় আগে যেখানে এক জীবনোজ্জ্বল সম্প্রদায় বসবাস করতো, আজ সেখানে ধ্বংসস্তূপ আর দূষিত পানি ছাড়া কিছুই অবশি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের প্রায় ২ কোটি মানুষের জীবনধারায় গুরুত্বপূর্ণ তিস্তা নদী। এই নদীকে ঘিরেই এই অঞ্চলের লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা চলে। অথচ উত্তরাঞ্চলের প্রাণ তিস্তা নদী মৃতপ্রায়।
একসময়ের খরস্রোতা এ নদী এখন বছরের অধিকাংশ সময় শুকনো থাকে। বর্ষায় ভাসে, আবার শীতে পরিণত হয় মরুভূমির মতো ফেটে যাওয়া বালুচরে। নদীভাঙন, চর গঠন ও তীব্র পানিসঙ্কটে তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবনে নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগ।
অক্টোবরের শেষ ভাগেই পানি শুন্য হয়ে পড়েছে খরস্রোতা তিস্তা। বুক থেকে নেমে গেছে পানি, ফলে মরে গেছে তিস্তা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
হেমন্তের সকাল ও সন্ধ্যা যেন শীতের প্রারম্ভিক সৌন্দর্য। এই সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। হেমন্তের এই দিনে মূলত বাড়িতে বাড়িতে চলছে আসন্ন শীতের প্রস্তুতি। অগ্রহায়ণে নতুন ধান আসবে কৃষকের উঠানে। গৃহস্থের উঠোনে চলছে নতুন ধান বরণের আয়োজন।
ঝিনাইদহ জলা শহরের পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, শহরের পাশেই আমার গ্রামের বাড়ি। আমি গ্রামীণ জীবনধারা ও শহুরে জীবনাচার দেখেছি। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ জীবনাচার বাংলার ছয়টি ঋতুর সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত। বাংলা ঋতু ও পঞ্জি বাকি অংশ পড়ুন...
বিশেষ করে পার্বত্য এলাকা থেকে বাঙালীদেরই তাড়িয়ে দেয়ার জোর দাবী তুলেছে।
সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় ওরা স্বাধীন জুমল্যান্ড গড়ার ষড়যন্ত্রে বিভোর কিনা? সমালোচক মহলে সে প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে
জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র ২০০৭- স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।
পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা যে আদিবাসী নয় তাও ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে জোরদার হচ্ছে আদিবাসী অপপ্রচার।
সঙ্গতকারণেই প্রত্যাহারকৃত ১৫৯টি সেনাক্যাম্প পূন:স্থাপনই কেবল নয় বরং পার্বত্য এলাকায় সেনাক্যাম্প আরো বেশী স্থাপন করা জরুরী দ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতে ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য দেখা গেছে। ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর মধ্যে নারীর সংখ্যা বেশি হলেও, মৃত্যুর হার পুরুষদের মধ্যে বেশি। দেশটির সবশেষ ক্যান্সার রেজিস্ট্রির তথ্য অনুযায়ী, নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীদের অর্ধেকের বেশিই নারী। তবে, মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে পুরুষরা এগিয়ে। খবর বিবিসি।
ভারতে নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় স্তন, জরায়ুমুখ (সার্ভিকাল) ও ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার। মোট শনাক্তের ৪০ শতাংশই শুধু স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত।
অন্যদিকে, পুরুষদের মধ্যে মুখগহ্বর, ফুসফুস ও প্র বাকি অংশ পড়ুন...












