SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%জিহাদের%' OR titleBn LIKE '%জিহাদের%' OR descriptionEn LIKE '%জিহাদের%' OR descriptionBn LIKE '%জিহাদের%' OR slug LIKE '%জিহাদের%' OR metaTag LIKE '%জিহাদের%' OR metaDescription LIKE '%জিহাদের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি বাহিনীর সামনে গিয়ে বললেন, “দেখ! আমি কে? আমি হলাম জান্নাতের যুবক উনাদের সাইয়্যিদ। আমি হলাম সেই হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম, যাঁকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চুম্বন মুবারক করতেন এবং ইরশাদ মুবারক করতেন, ইনি আমার ফুল মুবারক। আমি হলাম সেই হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম, যাঁর সম্মানিতা আম্মাজান সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম। আমি হলাম সেই হযরত ইমামুছ ছালিছ আলা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথীদের মধ্যে যাঁরা শাহাদাত গ্রহণ করার জন্য উদগ্রীব ছিলেন, উনারা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলেন এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুমতি মুবারক প্রার্থনা করলেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদেরকে অনুমতি দিলেন। অনুমতি পেয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ দুজানা সিমাক ইবনে খারাশা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বীরত্ব মুবারক:
হযরত আবূ দুজানা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাহসী পুরুষ এবং জিহাদের বিভিন্ন কলাকৌশলে পারদর্শী। জিহাদে অংশগ্রহণ করার সময় তিনি একটি খয়েরি রং বিশিষ্ট কাপড় মুবারক মাথায় বেঁধে নিতেন। এর দ্বারা বুঝা যেতো, তিনি সম্মানিত জিহাদের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছেন। এরপর তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাহ মুবারক থেকে তরবারি মুবারক লাভ করার পর একটি খয়েরি রং বিশিষ্ট কাপড় মুবারক মাথায় বেঁ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْرُ
অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)
বর্ণিত আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা সন্তানকে রেহেম শরীফে বহন করেন বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা:
একবার হযরত উমর ইবনে আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত নাফি’ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন? জবাবে হযরত নাফি’ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমাকে স্বয়ং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন, যখন সম্মানিত বদর জিহাদ সংঘটিত হয় তখন আমার বয়স ছিলো ১৩ বছর।
সম্মানিত উহুদ জিহাদের সময় আমার বয়স মু বাকি অংশ পড়ুন...
প্রথম শাদী মুবারক:
মহাসম্মাতি ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম উনার প্রথম শাদী মুবারক হয় স্বীয় গোত্রর মুসাফি’ ইবনে ছাফ্ওয়ান মুছত্বলিক্বী খুযা‘য়ীর সাথে। সে একজন অনেক বড় যোদ্ধা এবং প্রসিদ্ধ কবি ছিলো। সে বনূ মুছ্ত্বলিক্বের জিহাদে কাফির অবস্থায় নিহত হয়। এই সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
تزوجها قبله مسافع بن صفوان وقتل يوم المريسيع
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ আসার পূর্বে মহাসম্মাতি ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মিথ্যার একটা স্তর আছে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কা’বা শরীফ নির্মাণের সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বয়স মুবারক দুনিয়াবী দৃষ্টিতে ৩৫ বছর। লিখে যে, ‘উনি বিবস্ত্র হয়ে কাজ করেছেন।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! এটা এই বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ-এ লিখে রেখেছে না? তাহলে দুনিয়াবী দৃষ্টিতে ৩৫তম বয়স মুবারক-এ উনি বিবস্ত্র হয়ে কাজ করেছেন? না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা:
হযরত ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وَأَجَازَ رَسُولُ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ يَوْمئِذٍ حَضْرَتْ سَمُرَةَ بْنَ جُنْدُبٍ الْفَزَارِيّ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ وَ حَضْرَتْ رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، أَخَا بَنِي حَارِثَةَ وَهُمَا ابْنَا خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً وَكَانَ قَدْ رَدّهُمَا، فَقِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ إنّ حَضْرَتْ رَافِعًا رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ رَامٍ، فَأَجَازَهُ فَلَمّا أَجَازَ حَضْرَتْ رَافِعًا رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، قِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ فَإِنّ حَضْرَتْ سَمُرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ يَصْرَعُ حَضْرَتْ رَافِعًا رَضِى বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৩)
(يَا اَيُّهَا الذين امَنُواْ) عثمان بن طلحة واصحابه (اَطِيعُوا الله) فيما امركم (وَاَطِيعُوا الرسول) فيما يأمركم (وَاُولِي الامر مِنْكُمْ) امراء السرايا ويقال العلماء.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ!) হযরত উছমান বিন ত্বলহাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও উনার সঙ্গী-সাথী উনারা (তোমরা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার আনুগত্য করো) তিনি যা তোমাদেরকে নির্দেশ করেন তা মান্য করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) তিনি যা তোমাদেরকে নির্দেশ করেন তা মান্য করো (এবং তোমাদের মধ্যে যাঁরা উলিল আমর-আদেশদাতা উনাদের অনুসরণ করো।) উনারা হলেন জিহাদ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির শিবিরের প্রধান কুখ্যাত যোদ্ধা আমর ইবনে আবদে উদকে জাহান্নামে প্রেরণ:
মুসলিম বাহিনীর সমাবেশ কেন্দ্রে আমরের আস্ফালন ও দম্ভোক্তির বিপরীতে সুনসান নীরবতা বিরাজ করছিলো। তখন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছিলেন, মুসলমানদের মধ্য থেকে একজন বের হয়ে এ লোকের অনিষ্ট থেকে মুসলমানদের রেহাই দিক। কিন্তু একমাত্র আমিরুল মু’মিনীন, ইমামুল আউওয়াল, হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি ছাড়া আর কেউই জিহাদের জন্য প্রস্তুত হলেন না।
অগত্যা এ সমস্ বাকি অংশ পড়ুন...












