SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ছওয়াব%' OR titleBn LIKE '%ছওয়াব%' OR descriptionEn LIKE '%ছওয়াব%' OR descriptionBn LIKE '%ছওয়াব%' OR slug LIKE '%ছওয়াব%' OR metaTag LIKE '%ছওয়াব%' OR metaDescription LIKE '%ছওয়াব%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৩৬। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা কোন বিষয়ে তলব করলে তৎক্ষনাৎ উনার ডাকে সাড়া দিবে।
“ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন” কিতাবে উল্লেখ আছে, “হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নফল নামায ত্যাগ করে মুর্শিদ কিবলা উনার ডাকে সাড়া দেয়া কল্যাণকর এবং তার ছওয়াব অনেক বেশী।
কেননা একবার আমি নফল নামাযে রত থাকাকালীন আমার মুর্শিদ কিবলা, সুলতানুল হিন্দ, হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে নামায ছেড়ে দিয়ে উনার ডাকে সাড়া দিলাম। তিনি বললেন, আসুন! আমি উনার খিদমতে হাযির হলাম। বাকি অংশ পড়ুন...
চলো ভাই চলো! সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদে মীলাদি মাহফিলে,
জান্নাতি মায়ায় মিলবে তোমায় শান্তিটা শৃংখলে।
দলীলসমৃদ্ধ, কিতাব পত্রের, অসংখ্য সমাহার,
রয় তৈজসপত্র, সুন্নাহ সামগ্রী রকমারি উপহার ॥
বাজারি বয়ান, দিয়ে সুরখান, বহুদা দলীলহীন,
শুনবে এখানে সঠিক ওয়াজ, ঠকবে না কস্মিন।
নেইকো হেথায় হাসি-কান্নার কৌতুকি সমাচার,
ছাহাবী যুগের শুনতে তালিম চলো হে সমঝদার ॥
নেই কল্পিত সব গুজবি গপ্পের তর্জন গর্জন,
মার্জিত ভাষায় হচ্ছে বয়ান সালিনে অনুক্ষণ।
পাবে জান্নাতি, মানুষের সেথা, মধুময় ব্যবহার,
দেখতেই চলো রাজারবাগ শরীফ সুন্নতি দরবার ॥
ভাই ভাই সব মুসলমানেরা এক বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র জানাযার নামাযের পর দাফনের পূর্বে আর দোয়া-মুনাজাত করার প্রয়োজন নাই। এটা বিদয়াত। জানাযার নামাযই পরিপূর্ণ দোয়া। উক্ত বক্তব্য সঠিক কিনা?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
আল্ মাবসূত লিস্ সারাখসী ২য় খ- ৬৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
رُوِيَ عَنْ حَضْرَتِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُمَا، وَحَضْرَتِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ، أَنَّهُمَا فَاتَتْهُمَا الصَّلَاةُ عَلَى الْجَنَازَةِ، فَلَمَّا حَضَرَا مَا زَادَا عَلَى الْاِسْتِغْفَارِ لَهُ.
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা ও হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। উনাদের দু’জনে বাকি অংশ পড়ুন...
রোযাদারের শৌচ করার নিয়ম:
রোযাদার হলে বড় ইসতিন্জার রাস্তা (পায়খানার রাস্তা) ঢিলা করে ফারাগাত মত শৌচ করবে না, চাপাভাবে বসে শৌচ করবে। ইহ্তিয়াত বা সতর্কভাবে পানি ব্যবহার করবে যেন মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) বড় ইসতিন্জার রাস্তা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ না করে। রোযাদার ব্যক্তি শৌচকালে জোরে জোরে শ্বাস-প্রশ্বাস নিবে না। কারণ এতে করে মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) ভিতরে প্রবেশ করার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। শৌচ করার পর পাক নেকড়া দিয়ে বড় ইসতিন্জার রাস্তা মুছে ফেলবে। নেকড়া না থাকলে টিসু দিয়ে, টিসু না থাকলে হাত দিয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলবে যেন বিন্দুমাত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلْتَكُنْ مِنْكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُوْنَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوْفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ.
অর্থ: “তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল থাকা আবশ্যক যারা (অন্যান লোকদেরকে) নেক কাজ ও কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে। নেক কাজ করার জন্য বলবে এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখবে। এবং উনারাই কামিয়াব হবেন।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ; ১০৪)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مُرُوا بِالْمَعْرُوفِ وَانْهَوْا عَنِ الْمُنْكَرِ
অর্থ: “তোমরা ভালো কাজেঠবাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীনী দাওয়াত দেয়ার ফযীলত মুবারক ঃ
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম এবং হক্ব পথের দাওয়াত দেয়া মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। উম্মতের জন্য এটা গুরত্বপূর্ণ একটি ইবাদত মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِّمَّن دَعَا إِلَى اللَّهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَقَالَ إِنَّنِي مِنَ الْمُسْلِمِينَ ﴿٣٣﴾
অর্থ: “আর উনার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে, যিনি মানুষকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে ডাকেন, নেক আমল করেন এবং বলেন নিশ্চয়ই আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।” (পবিত্র সূরা হা-মীম সাজদাহ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ; ৩৩)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবাঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত : প্রতি হরফে রয়েছে কমপক্ষে দশ নেকী
পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াতের গুরুত্ব-ফযীলত অতুলনীয়। মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি এই সম্মানিত কিতাব মুবারক নাযিল হয়। সমস্ত আসমানী কিতাব মুবারকের সাইয়্যিদ বা প্রধান হলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ। কায়িনাতের মাঝে পবিত্র কুরআন শরীফ শরীফ-ই মহান কিতাব মুবারক, যার তিলাওয়াতে রয়েছে প্রতিটি হরফে হরফে নেকী। সুবহানাল্লাহ!
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসঠবাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার নির্দেশ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا اَيُّهَا الَّذِينَ امَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে পবিত্র ছলাত বা পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করেন। হে ঈমানদার ব বাকি অংশ পড়ুন...
৪) কমপক্ষে একশত শহীদ উনাদের সমপরিমাণ ছওয়াব লাভ করা যায়।
একখানা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করলে, কমপক্ষে একশত শহীদ উনাদের সমতুল্য ছওয়াব লাভ করা যায়। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِيْ عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِيْ فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيْدٍ
অর্থ: “যে ব্যক্তি ফিতনা-ফাসাদের যুগে আমার একটি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক কায়িম করবেন, ধারণ করবেন এবং দৃঢ়তার সহিত পালন করবেন তিনি একশত শহীদ উনাদের সমপরিমাণ ছওয়াব লাভ করবেন।” (মিশকাত শরীফ, আয যুহ্দ লিল বাইহাক্বী ১/২২১, ২০৭, আল কামিল লিইবনে ‘আদী ৪৬০, আল আমালী)
প বাকি অংশ পড়ুন...












