আরেকজন মহিলা মারইয়াম বিনতে ইমরান।
وَمَرْيَمَ ابْنَةَ عِمْرَانَ الَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهِ مِنْ رُّوحِنَا وَصَدَّقَتْ بِكَلِمَاتِ رَبِّهَا وَكُتُبِهٖ وَكَانَتْ مِنَ الْقَانِتِينَ
এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, আরেকজন হচ্ছেন কে? মারইয়াম বিনতে ইমরান, হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম উনার শানে বলা হচ্ছে। তিনি বিশেষ ব্যক্তিত্ব ছিলেন মারইয়াম বিনতে ইমরান।
الَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا
অত্যন্ত তিনি সতী-সাধ্বী ছিলেন। কোন ক্রটি ছিলো না। মানুষ উনার প্রতি অপবাদ দিয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ!
فَنَفَخْنَا فِيهِ مِنْ رُّوحِنَا
তিনি এতো পবিত্রা বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আবার বলে দিচ্ছেন, সাবধান হয়ে যাও কাফিরেরা।
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ وَمَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আবার বলতেছেন, আয় আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ
আপনি কাফির এবং মুনাফিক্বদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করুন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ
এদের প্রতি অত্যন্ত কঠ বাকি অংশ পড়ুন...
জাহান্নামে তোমাদেরকে পৌঁছে দেয়াই হবে। এবং উনারা কখনও যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যা আদেশ মুবারক করেন তার খিলাফ করেন না। যা আদেশ মুবারক করেন তাই উনারা পালন করে থাকেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম! এতোক্ষণ বলা হলো ঈমানদারকে।
এরপর কাফিরদেকে বলা হচ্ছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! তোরা জেনে রাখ, আজ তোদের কোন ওজর গ্রহণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর তা’খীর শরীফের পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ নাযিল হলো। ফায়ছালা হলো। এটা হচ্ছে, পবিত্র ছফর শরীফের পহেলা তারিখের কথা। তা’খীর শরীফের যে পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো। এরপর পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফের বাকি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো। মুসলমান কাফির সবাইকে সতর্ক করার জন্য এবং আরো কতগুলি বিষয় মুসলমানদেরকে জানানোর জন্য। সেই সাতখানা পবিত্র আয়াত শরীফের প্রথম পাঁচখানা আর দু’খানা একই রুকু শরীফে। বলা হচ্ছে, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছয় নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ বাকি অংশ পড়ুন...
(১১তম পর্ব)
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قَالَت طَّائِفَةٌ مِّنْهُمْ يَا أَهْلَ يَثْرِبَ لَا مُقَامَ لَكُمْ فَارْجِعُوا ۚ وَيَسْتَأْذِنُ فَرِيقٌ مِّنْهُمُ النَّبِيَّ يَقُولُونَ إِنَّ بُيُوتَنَا عَوْرَةٌ وَمَا هِيَ بِعَوْرَةٍ ۖ إِن يُرِيدُونَ إِلَّا فِرَارًا.
অর্থ: “এবং তোমাদের মধ্যে একদল যখন বলেছিলো, হে পবিত্র মদীনাবাসী! এখানে আপনাদের কোন স্থান নেই, অতএব আপনারা ফিরে চলুন এবং তাদের মধ্যে একদল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট অ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
مَّا لَهُم بِهٖ مِنْ عِلْمٍ
এদের এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম নেই।
وَلَا لِآبَائِهِمْ
এদের বাপ-দাদা, চৌদ্দ পুরুষেরও এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, এদেরতো ইলিম-কালাম নেই। যারা অপব্যাখ্যা করে থাকে, চূ-চেরা, কীল-কাল কওে, এদের বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষেরও কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। কাজেই এদেরকে অনুসরণ করা যাবে না।
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলছেন-
كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ
এদের মুখ থেকে বের হচ্ছে কঠিন, নি বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর কিছু হুকুম-আহকাম বলেছেন এবং উনাদের বৈশিষ্ট্য মুবারক কিছু বর্ণনা করেছেন।
إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهٖ مَرَضٌ وَّقُلْنَ قَوْلاً مَّعْرُوفًا
উনাদের কিছু খুছূছিয়াত মুবারক বলতেছেন যে, আপনারাতো সৃষ্টির কারো মতো নন, আপনারা ব্যতিক্রম। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি একক, উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একক, আপনারাও একক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهٖ مَرَضٌ وَّقُلْنَ قَوْلاً বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুরপূজারীদের কুফরী আক্বীদার দলীলভিত্তিক খন্ডনমূলক জবাব:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
৩য় দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
مَا يُؤْذِيْكَ فَلَكَ اِذَايَتُهٗ قَبْلَ اَنْ يُّؤْذِيَكَ
অর্থ : যে সমস্ত প্রাণী তোমার ক্ষতি বা যন্ত্রণার কারণ হবে, তার ক্ষতি তোমার উপর আসার আগে তুমি তার ক্ষতি করো। (আল ফাওয়াকিহ্ ২/৩৫২)
৪র্থ দলীল:
এজন্য সম্মানিত শরীয়ত উনার একখানা উছূল হচ্ছেন-
اُقْتُلُ الْمُؤْذِىَ قَبْلَ اَنْ يُّؤْذِىَ
অর্থ : তুমি কষ্টদায়ক প্রাণীকে কষ্ট দেয়ার পূর্বেই হত্যা করো।
কাজেই, যে সকল কুকুরের কার বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে: বাগদাদ শরীফে কিছু লোক ছিলো যারা ছিনতাই, মারা-মারি, কাটা-কাটি, লুটপাট করতো, নানা রকম অপকর্মে লিপ্ত ছিলো এবং মানুষ নিয়েও তারা ব্যবসা করতো। নাউযুবিল্লাহ! এখন পুরুষ যারা তারা ছিনতাই, খুন-খারাবি, মাল-সামানা আত্মসাৎ ইত্যাদি করতো। আর যারা মহিলা ছিলো তাদের দায়িত্ব ছিলো নানান মেয়েদেরকে ধোঁকা দিয়ে এনে তাদের মাধ্যমে তারা ব্যবসার কোশেশ করতো। নাউযুবিল্লাহ!
একদিন একটা ঘটনা ঘটলো। যে এলাকায় তাদের আস্তানা ছিলো, তা ছিল রাস্তার শেষ প্রান্ত। যার পরে বাড়ি ঘর নেই, সেখানে বড় ময়দান খোলামেলা জায়গা ঝোপঝাড় জঙ্গল। তারা লোকদেরকে ধো বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ وَأُسَرِّحْكُنَّ سَرَاحًا جَمِيلاً
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথমে বললেন। আসলে মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ বুঝে না এজন্য তারা চূ-চেরা করে। তিনি কিন্তু নিজেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে সমস্ত কিছুর জাওয়াব দিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! প্রথমে বললেন, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ম বাকি অংশ পড়ুন...
এখন কাফির মুশরিকদের চূ-চেরা বৃদ্ধি পেতে থাকলো। নাউযুবিল্লাহ! এটাকেই বলা হয় ইলা। আসলে এটা ইলা হয় না। ইলা শব্দের অর্থ হচ্ছে কোন ব্যক্তি তার আহলিয়া থেকে দূরে থাকা। সেই অর্থেই এটা ইলা। কিন্তু হাক্বীক্বী ইলা যে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে-
لِّلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِنْ نِّسَآئِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন যে, ইলা হচ্ছে কোন আহাল তার আহলিয়া থেকে চার মাস দূরে থাকবে। সেটাই হচ্ছে ইলা, অন্যথায় ইলা হয় না। ইলা হতে হলে চার মাস জুদা থাকতে হবে। যদি জুদা হয় তাহলে সে তালাক্ব হয়ে যায়। আর যদ বাকি অংশ পড়ুন...
বলা হয় যে, তওবার মাক্বামের মূল হচ্ছেন হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ক্বদম মুবারকের নিচে, তওবার মাক্বাম। হ্যাঁ, এসবের মালিক হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরপরে
عَابِدَاتٍ
আব্দিয়াতের মাক্বাম। ইলমুত্ তাছাওউফের পরিভাষায় বান্দার সর্বোচ্চ মাক্বাম হচ্ছে, আব্দিয়াতের মাক্বাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই মাক্বামেরও উনারা মালিক হবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এ বাকি অংশ পড়ুন...












