SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%চক্রান্তের%' OR titleBn LIKE '%চক্রান্তের%' OR descriptionEn LIKE '%চক্রান্তের%' OR descriptionBn LIKE '%চক্রান্তের%' OR slug LIKE '%চক্রান্তের%' OR metaTag LIKE '%চক্রান্তের%' OR metaDescription LIKE '%চক্রান্তের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
দেশের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের চেতনা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে রাজধানীতে এক ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার এই মহাসমাবেশ সম্পন্ন হয় গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর মালিবাড় মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্বরে।
মহাসমাবেশ থেকে দেশের বর্তমান ক্রান্তিকালীন পরিস্থিতি, বৈদেশিক সামরিক ও বাণিজ্যিক চুক্তি, শিক্ষা ব্যবস্থার বিজাতীয়করণ, জাতীয় সম্পদ রক্ষা, এবং জননিরাপত্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তীব বাকি অংশ পড়ুন...
ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে গতকাল জুমুয়াবার এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ও কুফরী শক্তির নানামুখী চক্রান্তের প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশে উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা দেশ ও দ্বীন সুরক্ষায় সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১০ দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে গতকাল জুমুয়াবার এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ও কুফরী শক্তির নানামুখী চক্রান্তের প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশে উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা দেশ ও দ্বীন সুরক্ষায় সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১০ দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে মানহানির শরঈ শাস্তি মৃত্যুদ- আমেরিকার সাথে গোলামির বাণিজ্য চুক্তি বাতিল, এবং দেশের স্বার্থবিরোধী সকল চক্রান্তের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা। গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই ১০ দফা দাবি পেশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আলোচকগণ বলেন, লাওওয়াত্ব ইউনুস সরকারের মত বর্তমান সরকারও আমেরিকার তোষামোদে দেশের স্বার্থ এবং ঈমান নবতর কৌশলে বিকিয়ে দিচ্ছে। প্রাণপ্র বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে দেশটির পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছিলো। সে ঘটনার প্রায় চার বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর এক গোপন কূটনৈতিক তারবার্তা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তদন্ত সংস্থা ‘ড্রপ সাইট’।
এই বার্তা থেকে বেরিয়ে এসেছে -ইমরানকে অপসারণের পেছনে ওয়াশিংটনের ‘ভূমিকা’ ছিলো।
পাকিস্তানে এ ধরনের বার্তা ‘সাইফার’ নামে পরিচিত। ইমরান খান তার সরকারের বিরুদ্ধে বিদেশি চক্রান্তের উদাহরণ হিসেবে বারবার এই সাইফারের উল্লেখ করেছেন।
কেবল আই-০৬৭৮ নামে পরিচিত এই নথিতে ওয়াশিংটনে ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দ্বীন ইসলাম এবং এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলিম জনতার আবেগ-অনুভূতির কেন্দ্রবিন্দু 'ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়' (ইবি)-এর নাম পরিবর্তন করে ‘ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণের যে ন্যাক্কারজনক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা কেবল একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়; বরং এটি এদেশের মুসলিম পরিচয়ের ওপর এক ভয়াবহ আঘাত। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, ক্ষমতার মসনদে বসে তথাকথিত গণতান্ত্রিক সরকার মাত্র দুই মাসেই এমন মুসলিম বিদ্বেষী ও হিন্দুত্ববাদী এক এজেন্ডা বাস্তবায়নে নেমেছে, যা সরাসরি এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দ্বীনি চেতনার পরিপন্থী।
ইসলামী বিশ্বব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধি আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হওয়ার পর থেকে সুন্দর সুন্দর কথা বলেছেন। কিন্তু কাজ করেছে ঠিক উল্টো। অর্থ পাচার নিয়ে রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলো, কিন্তু স্বীকৃত অর্থ পাচারকারীদের সঙ্গে গোপন সমঝোতা করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তৎকালীন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এদের সঙ্গে গোপন এবং অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ পাচারের ইস্যু ধামাচাপা দেয়। প্রতিটি ঘটনায় সে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। বাং বাকি অংশ পড়ুন...
ক্স ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
“বাণিজ্যের নামে শোষণ ও রক্তপাত; উন্নয়নের নামে দখল”:
আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রহসনগুলোর একটি হলো-‘উন্নয়ন’ ও ‘বিনিয়োগ’-এর নামে ধ্বংসযজ্ঞের বৈধতা প্রতিষ্ঠা। বিশ শতকের শেষভাগ থেকে শুরু করে একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দুই দশক পর্যন্ত, পৃথিবীজুড়ে কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদের এক বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও প বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় মসজিদের মেহরাবে দাঁড়িয়ে খ্রিষ্টধর্ম প্রচারের যে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, তা নিছক বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধ নয় বলে মনে করছেন অনেকে। এর পেছনে একটি সুসংগঠিত ‘ইনসাইডার মুভমেন্ট’ কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পশ্চিমা মিশনারিদের তৈরি এই গোপন কৌশল অনুযায়ী, প্রচারকারীরা মুসলিম নাম ধারণ করে, দাড়ি-টুপি ও জুব্বা পরে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সাধারণ মুসলিমদের মাঝে মিশে যায়।
ছদ্মবেশী প্রচারকদের চেনার উপায় সম্পর্কে ইসলামী বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি ধারণা দিয়েছেন।
১. কুরআন শরীফের অপব্যাখ্যা: এদের প্রধান কৌশল হ বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও প বাকি অংশ পড়ুন...
বাগেরহাট সংবাদাদতা:
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাগেরহাটের চারটি আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে চারটির মধ্যে দুটি আসনে দলটির মনোনয়ন পেয়েছে সাবেক দুই আওয়ামী লীগ নেতা। বিএনপিতে যোগ দিয়ে এক বছরের মধ্যে দুটি আসনের মনোনয়ন পাওয়ায় বেশিরভাগ নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে নারাজ অনেকে।
দলীয় সূত্র জানায়, বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট-মোল্লহাট-চিতলমারী) আসনে মনোনয়ন পেয়েছে হিন্দুত্ববাদী মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক কপিল কৃষ্ণ ম-ল। সে একই সঙ্গে বিশ্ বাকি অংশ পড়ুন...












