পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকের বেজোড় সংখ্যক রাতে পবিত্র ক্বদর শরীফ তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক। মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-ফযীলতপূর্ণ দিবস মুবারক।
সকলকেই এই মহামান্বিত ‘লাইলাতুল ক্বদর’ উনার পরিপূর্ণ নি’য়ামত, রহমত-বরকত অর্জন করতে হবে। এই বরকতময় রাত্রিতে অবহেলা-অলসতা আর খোশগল্পে কাটানো কোনোক্রমেই নেককারদের কাজ হবে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও ইখলাছের সাথে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার বাকি অংশ পড়ুন...
বোঝে না মন বোঝে না মন
আর কতকাল থাকবো এমন
বদলে দিন হে শাহযাদাজান
এই পাপী জীবন (নবায়ন)
ছলনাময়ী ইশারাতে সাড়া দিয়ে-ই হয় ভুল
সইতে পারিনা আজও তার বেহিসাব মাশুল
কেন এতো এতো গালিজে দিলটা খুব বেহাল
গুনাহ জমে পাহাড়সম তবে তওবা কেন কাল?
জানি আপনি তো পারেন সবি দয়ালু বিস্তর
করুন পরিশুদ্ধ কলবী ঘর ইছলাহ করুন অন্তর (বেখবর)
সারা দেহ মনে রোগ জখম তবুও নেই অনুতাপ
হাজারো নিয়ত মুখে মুখে নেই দিলে কোনো ছাপ
স্বপ্ন দেখায় দুনিয়াবী নফস করবে সে সর্বনাশ
যিকির ফিকির বিহীন প্রাণে হরদম দুঃখী নিঃশ্বাস
জানি আপনি তো পারেন সবি দয়ালু বিস্তর
করুন পরিশুদ্ধ কলবী ঘর ই বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত ইসম বা নাম মুবারক হচ্ছেন: সা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
সকলকেই এই মহামান্বিত ‘লাইলাতুল ক্বদর’ উনার পরিপূর্ণ নি’য়ামত, রহমত-বরকত অর্জন করতে হবে। এই বরকতময় রাত্রিতে অবহেলা-অলসতা আর খোশগল্পে কাটানো কোনোক্রমেই নেককারদের কাজ হবে না।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও ইখলাছের সাথে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মহাসম্মানিত সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্য পবিত্র লাইলাতুল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা মু’মিনূন শরীফ উনার ৯৯, ১০০নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন,
حَتّٰى إِذَا جَاءَ أَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ رَبِّ ارْجِعُوْنِ ﴿٩٩﴾ لَعَلِّيْ أَعْمَلُ صَالِحًا فِيْمَا تَرَكْتُ ۚ كَلَّا ۚ إِنَّهَا كَلِمَةٌ هُوَ قَائِلُهَا ۖ وَمِنْ وَرَائِهِمْ بَرْزَخٌ إِلٰى يَوْمِ يُبْعَثُوْنَ
অর্থ: যখন তাদের কারো মৃত্যু আসে তখন তারা বলে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে পুনরায় পাঠিয়ে দিন আমরা সেই আমলই করবো যা দুনিয়াতে ছেড়ে দিয়েছি বা তরক করেছি। মহান আল্লাহ পাক বলেন, কখনই নয়, এটা কথার কথা। পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত তার পিছনে একটা পর্দা দেয়া হবে।
অর্থাৎ যারা দুনিয়ার ধোঁকায় পরে নেক আম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
চতূর্থ নম্বর আয়াত শরীফে বলা হচ্ছে, এখানে এরা আবার ঠিক একই ফিতনা সৃষ্টি করেছে।
إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, তারা এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অনেক অর্থ করে থাকে। পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অনেক রকম অর্থ করা যায়।
إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ
যদি আপনারা দু’জন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে তাওবা করেন।
فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا
আপনাদের অন্তরটা রুজু হয়ে গেছে। এখানে এটার অর্থ অনেক। এরা এদের অন্তরে গালিজ থাকার কারণে তারা বলে থাকে, আপনারা যে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
উনাদের যিন্দেগীর গুনাহখতা ক্ষমা করা হবে।
উনাদের জন্য জাহান্নাম হারাম করা হবে।
উনাদের জন্য জান্নাত ওয়াজিব করা হবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ই’তিকাফ উনার গুরুত্ব এবং তা শেষ দশকেই করার দলীল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রতি বছর পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার শেষ দশকে সম্মানিত ই’তিকাফ মুবারক করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الْاَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ.
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...












