SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%গাছেও%' OR titleBn LIKE '%গাছেও%' OR descriptionEn LIKE '%গাছেও%' OR descriptionBn LIKE '%গাছেও%' OR slug LIKE '%গাছেও%' OR metaTag LIKE '%গাছেও%' OR metaDescription LIKE '%গাছেও%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
চোখের পলক ফেলে যে মাছ!
বেশিরভাগ মাছের চোখ মাথার দুই পাশে থাকলেও মাডস্কিপারের চোখ থাকে মাথার ঠিক ওপরের দিকে-সাবমেরিনের পেরিস্কোপের মতো। চোখ দুটি পরস্পরের ওপর নির্ভর না করে স্বাধীনভাবে নড়াচড়া করতে পারে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এরা মানুষের মতো চোখের পলক ফেলতে পারে!
স্বাভাবিকভাবে হাত-পা থাকা মেরুদ-ী প্রাণীদের বাইরে মাছের মধ্যে এমন বৈশিষ্ট্য বিরল। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান সাময়িকী প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস (পিএনএএস)-এ প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, চোখ আর্দ্র রাখা, কাদামাটি পরিষ্কার করা এবং ধেয়ে আসা à বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কদুর বাগানে ফলন হয়েছে প্রচুর, পেঁপে গাছেও ঝুলছে পাকা ফল। কিন্তু কৃষকের মুখে হাসি নেই। বাজারে ক্রেতার তুলনায় সরবরাহ বেশি হওয়ায় এসব সবজির দাম নেমেছে তলানিতে। কোথাও চারটি কদু বিক্রি হচ্ছে মাত্র এক টাকায়, আবার কোথাও এক কেজি পেঁপের দাম দুই থেকে তিন টাকা। এমন পরিস্থিতিতে ফসল তোলা, শ্রমিকের মজুরি ও পরিবহন খরচ মেটানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। লোকসান কমাতে কোনও কৃষক কদুর গাছ কেটে ফেলছেন, কেউবা পেঁপে না তুলেই নষ্ট হতে দিচ্ছেন।
অথচ রাজধানীর খুচরা বাজারে একটি কদুর দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত। পেঁপিও বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি প্রাà বাকি অংশ পড়ুন...
উভচর প্রকৃতির এমনই এক অদ্ভুত ও বিস্ময়কর মাছ ‘মাডস্কিপার’। আমাদের দেশে ‘চিড়িং মাছ’ হিসেবে পরিচিত।
বাংলায় ‘ডাঙার মাছ’ বাগধারাটি চরম অসহায় বা বিপন্ন পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও প্রকৃতির রাজ্যে চিত্রটি সবসময় এক নয়। প্রাণিজগতে এমন কিছু মাছ রয়েছে, যারা পানি ছেড়ে ডাঙায় উঠে আসার কৌশল চমৎকারভাবে রপ্ত করেছে।
উভচর ব্যাঙের মতোই এদের জীবন। যেমন, বহু বছর আগের আদিম ‘লাংফিশ’-যাদের ফুসফুস রয়েছে এবং পানির নিচে বেশি সময় থাকলে উল্টো ডুবে মারা যায়। আবার কাদার পানাশয় থেকে ছিটকে ডাঙায় উঠে পোকা শিকার কতে পারে ‘ইল ক্যাটফিশ’। কিংবা ক্যালিফোর্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
নাটোর গুরুদাসপুরের মশিন্দা ইউনিয়নের শাহাপুর গ্রামের গাছগুলো বক, বাদুর, শামুকখোলসহ কয়েক হাজার পাখির আবাসস্থল। গ্রামটিতে সকাল হয় সন্ধ্যা নামে পাখিদের কিচিরমিচিরে। প্রায় বছর তিনেক ধরে গ্রামটিতে পাখিদের অবাধ বিচরণ। গাছগুলো পরিণত হয়েছে অভয়াশ্রমে।
ইতিমধ্যে গ্রামটির নাম শাহাপুর পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে ‘পাখি গ্রাম’। দিনে দিনে গ্রামে পাখির সংখ্যাও বাড়ছে। সকালে ঝাঁক ধরে খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে বিকালে আবার নীড়ে ফিরে পাখিরা। গাছে গাছে শুরু হয় কলকাকলি।
‘পাখি গ্রামের’ বাসিন্দারা জানান, তিন বছর আগের শীতে সাদা বক আর শামুকখোল পাখিà বাকি অংশ পড়ুন...
পাবনা সংবাদদাতা:
লিচু উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত পাবনার ঈশ্বরদীতে এবার লিচুর ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। মাত্র ৪০ থেকে ৫০ ভাগ গাছে মুকুল এসেছে। মুকুলশূন্য গাছের ডালগুলোর ডগায় গজিয়েছে কচি পাতা।
সাধারণত ফাল্গুনের শুরু থেকে উপজেলার প্রতিটি গ্রামে লিচুর মুকুলের মো মো সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় উপজেলার ছোট-বড় সব রাস্তার দুই পাশেই চোখে পড়ে সোনালী মুকুল। কিন্তু চলতি মৌসুমে ঈশ্বরদীতে সেই চিরচেনা রূপ আর নেই। বৈরী আবহাওয়ায় লিচুর মুকুল অর্ধেকেরও কম এসেছে।
এরইমধ্যে লিচুর বাগান আগাম বেচাকেনা শুরু হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা লিচুর মুকুল দেঠবাকি অংশ পড়ুন...












