এ পর্যন্ত আলোচনায় তাহলে আমরা যে ধারণা পেলাম তা হচ্ছে-
১. ইনজেকশন কত প্রকার এবং কত রকম পদ্ধতিতে দেয়া হয়।
২. তা কিভাবে রক্ত স্রোতের মাধ্যমে শরীরের সর্বাংশে ছড়ায়।
৩. বিশেষত মগজের অভ্যন্তরে কি করে ইনজেকশনের পর ওষুধ প্রবেশ করে।
এতক্ষণের আলোচনায় এটাই দেখা যাচ্ছে যে, যত প্রকারের ইনজেকশন হোক না কেন, তা এক সময় রক্ত স্রোতে মিশবে এবং মগজে পৌঁছে যাবে।
অতএব চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্যবহুল আলোচনা দ্বারা স্পষ্টই প্রমাণিত হলো যে, ইনজেকশন ইত্যাদি মগজে পৌঁছে। সুতরাং রোযা অবস্থায় ইনজেকশন নিলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। কারণ, ফিক্বাহের কিতাবে উল্লেখ রয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
মূলতঃ ইনজেকশন সম্পর্কে ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্য শুদ্ধ হয়নি। কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফ, ফিক্বাহর কিতাবে বর্ণিত উছূল ও বর্তমান আধুনিক বিশ্বের উন্নততর চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভালরূপে তাহ্ক্বীক বা গবেষণা করার পর এটাই প্রমাণিত হয় যে, ইনজেকশন নিলে অবশ্যই রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। অতএব, ইনজেকশন সম্পর্কিত ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে ভুল, তাই তা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।
ইনজেকশন ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্যের খন্ডনমূলক জাওয়াব:
আমরা ইনজেকশন সম্পর্কে ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্য জানতে পেরেছি। আমরা পবিত্র কুরআ বাকি অংশ পড়ুন...
(দ্বিতীয় ভাগ)
মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব:
নিম্নে উক্ত মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের সম্পর্কে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অভিমত তুলে ধরা হলো-
হাফিয মুফাসসির হযরত ইমাম আবুল হাসান উছমান ইবনে আবী শাইবাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অভিমত:
হাফিয মুফাসসির হযরত ইমাম আবুল হাসান উছমান ইবনে আবী শাইবাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ২৩৯ হিজরী শরীফ) তিনি নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর আল খায্যায সম্পর্কে বলেন,
كَانَ اِبْنُهٗ اَيْضًا كَذَّابًا
অর্থ: “তার ছেলেও ছিলো কায্যাব অর্থাৎ চরম মিথ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(দ্বিতীয় ভাগ)
মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব:
নিম্নে উক্ত মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের সম্পর্কে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অভিমত তুলে ধরা হলো-
হাকিমুল হাদীছ হযরত ইয়াহ্ইয়া ইবনে মুঈন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অভিমত:
তাহ্যীবুত তাহ্যীব, তাহ্যীবুল কামাল, আল জারহু ওয়াত তা’দীলসহ আরো অন্যান্য কিতাবে এসেছে,
عَنْ حَضْرَتْ يَحْيَى بْنِ مُعِيْنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَنَّهٗ قَالَ لَا يَحِلُّ لِاَحَدٍ اَنْ يَّرْوِىْ عَنِ النَّضْرِ اَبِىْ عُمَرَ الْخَزَّازِ
অর্থ: “হযরত ইয়াহ্ইয়া ইবনে মুঈন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ বাকি অংশ পড়ুন...
(দ্বিতীয় ভাগ)
মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব:
নিম্নে উক্ত মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের সম্পর্কে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অভিমত তুলে ধরা হলো-
আল হাফিযুল কাবীর হযরত ফযল ইবনে দুকাইন আবূ নু‘আইম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অভিমত:
আল হাফিযুল মুতক্বিন আল্লামা হযরত জামালুদ্দীন মিয্যী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৭৪২ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘তাহ্যীবুল কামাল’ উনার মধ্যে বলেন,
قَالَ حَضْرَتْ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ كَثِيْرٍ اَلْحَرَّانِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ سَمِعْتُ حَضْرَتْ اَبَا نُعَ বাকি অংশ পড়ুন...
(দ্বিতীয় ভাগ)
মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব:
নিম্নে উক্ত মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের সম্পর্কে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অভিমত তুলে ধরা হলো-
হযরত ইমাম আবূ দাঊদ সিজিস্তানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অভিমত:
হযরত ইমাম আবূ বকর মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ আল আর্জুরী আল বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৩৬০ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
سَاَلْتُ حَضْرَتْ اَبَا دَاوٗدَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ نَّضْرٍ اَلْخَزَّازِ قَالَ لَا يُرْوٰى عَنْهُ اَحَادِيْثُهٗ بَوَاطِيْلُ قَاَل وَقَالَ لِىْ حَضْرَتْ عُثْمَانُ بْنُ اِبِىْ شَيْ বাকি অংশ পড়ুন...
(দ্বিতীয় ভাগ)
মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব:
‘মুস্তাদরাকে হাকিম’ কিতাবে এসেছে,
৭৩৫৬ - حَدَّثَنَا حَضْرَتْ اَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوْبَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ ثَنَا حَضْرَتْ الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ اَلدُّوْرِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ ثَنَا حَضْرَتْ اَبُوْ يَحْيَى الْحَمَّانِىُّ عَبْدُ الْحَمِيْدِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ ثَنَا اَلنَّضْرُ اَبُوْ عُمَرَ اَلْخَزَّازُ عَنْ حَضْرَتْ عِكْرِمَةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كَانَ اَبُوْ طَالِبٍ يُعَالِجُ زَمْزَمَ وَكَانَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِـمَّنْ يَنْقُلُ الْحِجَارَةَ وَهُوَ يَوْمَئِذٍ غُلَامٌ فَاَخَذَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَل বাকি অংশ পড়ুন...
(দ্বিতীয় ভাগ)
ভূমিকা:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট মওযূ হাদীছগুলোকে ৩ ভাগে বিভক্ত করা হয়। ১টি হলো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কা’বা শরীফ পুনর্নির্মাণ করার সময়ের ঘটনা, যখন দুনিয়াবী দৃষ্টিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বয়স মুবারক ৩৫ বছর। যেটা ‘বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মুসনাদে আহমাদ, মুছান্নাফে আব্দুর রায্যাক্ব, ছহীহ ইবনে হিব্বান, মুসনাদে আবী ইয়া’লা ও বিভিন্ন সীরাতগ্রন্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ক্বওমী মাদরাসার মুখপত্রের জুমাদাল উখরা ১৪৪৬ হিজরী সংখ্যায় এক সুওয়ালের জাওয়াবে বলা হয়েছে, কদমবুছি নিষেধ হওয়ার পক্ষে শরীয়তে কোন নস তথা প্রমাণ নেই। তবে সেজদার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যেনো না হয়ে যায় সেজন্য সতর্কতা হলো- কদমবুছি থেকে বিরত থাকা।
জাওয়াব (২য় অংশ):
عَنْ حَضْرَتْ بُـرَيْدَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ فَائْذَنْ لِّى اُقَبِّلُ يَدَيْكَ وَرِجْلَيْكَ فَاَذِنَ لَهٗ اَىْ فِى تَـقْبِيْلِ يَدَيْهِ وَرِجْلَيْهِ فَـقَبَّـلَهُمَا
অথ: হযরত বুরাইদাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (গাছের সিজদা দেয়ার ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর) আমি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামু বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দায়িমীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক ব্যতীত কোনো কথা মুবারক বলেননি, কোনো কাজ মুবারক করেনন বাকি অংশ পড়ুন...












