SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কুরবানী%' OR titleBn LIKE '%কুরবানী%' OR descriptionEn LIKE '%কুরবানী%' OR descriptionBn LIKE '%কুরবানী%' OR slug LIKE '%কুরবানী%' OR metaTag LIKE '%কুরবানী%' OR metaDescription LIKE '%কুরবানী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
উটের গোশ্তকে আরবীতে لَـحْمُ الْبَعِيْرِ اَوْ لَـحْمُ الْبُدْنَةِ (লাহমুল বা‘য়ীর বা লাহমুল বুদনাহ্) বলা হয়। উটের গোশ্ত খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভূক্ত। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার মধ্যেই রয়েছে সর্বপ্রকার ভালাই। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে খইরে কাছির অর্থাৎ সর্বপ্রকার ভালাই হাদিয়া মুবারক করেছেন। আর তিনি যে সমস্ত খাদ্যসমূহ গ্রহণ করেছেন সেই খাদ্যসমূহ উনাদের মধ্যেই রয়েছে সর্বপ্রকার শিফা। সুবহানাল্লাহ!
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আন বাকি অংশ পড়ুন...
ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে গতকাল জুমুয়াবার এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ও কুফরী শক্তির নানামুখী চক্রান্তের প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশে উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা দেশ ও দ্বীন সুরক্ষায় সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১০ দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্ত্বরে গতকাল জুমুয়াবার এক বিশাল প্রতিবাদী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী ও কুফরী শক্তির নানামুখী চক্রান্তের প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহাসমাবেশে উপস্থিত সর্বস্তরের জনতা দেশ ও দ্বীন সুরক্ষায় সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি পেশ করেন এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন। মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত ১০ দফা দাবিগুলো তুলে ধরা হলো:
১. নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রসূ বাকি অংশ পড়ুন...
এবারও ঈদের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একই দৃশ্য দেখা গেছে। কোথাও চামড়া রাস্তায় পড়ে আছে, কোথাও খোলা মাঠে নষ্ট হচ্ছে, কোথাও আবার নদী বা খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ক্রেতা না পাওয়ায় অনেককেই রাস্তা-মাঠে চামড়া ফেলে রেখে চলে যেতে দেখা গেছে। দুর্গন্ধের হাত থেকে বাঁচতে বিভিন্ন স্থানে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলার খবরও পাওয়া গেছে। এছাড়া, মহাসড়কের পাশে চামড়া ফেলে গেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জেলা শহর ও গ্রামে চামড়া শিল্পের এই করুণ দৃশ্য দেখা গেছে।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশি বাকি অংশ পড়ুন...
কুরবানীর ঈদ এলেই বেড়ে যায় কসাইদের কদর। এ সময় পেশাদার কসাইয়ের পাশাপাশি মৌসুমি কসাইদের কদরও বেড়ে যায়। অনেকে ভালো কসাই না পেয়ে মৌসুমি কসাইদের কাজে নিতে বাধ্য হন।
ঈদের ছুটিতে সবাই যখন রাজধানী ছেড়ে বাড়ি যাচ্ছেন, তখন এসব কসাই ছুটে আসছেন ঢাকায়। তাদের কারণে দিন দিন নগরবাসীর ভোগান্তি দূর হচ্ছে বলে মনে করেন সেন্ট্রাল রোডের বাসিন্দা করিম শেখ। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কসাইদের কারণে আমরা দ্রুত পশু কুরবানীর কাজ শেষ করতে পারছি। এসব কাজে তারা নিজেরাও কুরবানীর আনন্দ পেয়ে থাকেন। পাশাপাশি পান পারিশ্রমিক এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে গোশতও বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ” উনার মধ্যে সামর্থ্যবান বান্দা-বান্দীকে উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের লক্ষ্যে পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ঈদের নামাযের পদ্ধতি স্বাভাবিক নামাযের মতো নয়। যেমনঃ ঈদের দুই রাকায়াত নামাযে কোনো আযান, ইক্বামাত নেই। এতে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবীর রয়েছে। সেগুলো আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিম্নে সেই নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো :
পবিত্র ঈদের নামায আদায় করার পদ্ধতিঃ
পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নিয়ত-
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلهِ تَعَالى رَكْعَتَىْ صَلوةِ الْعِيْدِ الْاَضْحى مَعَ سِتَّةِ تَكْبِيْرَاتٍ وَاجِبُ اللهِ تَعَالى اِقْتَدَيْتُ بِهذَا الْإِمَامِ مُتَوَجِّهًا اِلى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَرُ.
বাংলায় নিয়ত করলে এভাবে করবে: মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দিনের শুরুটা হয় সূর্যের আলো দ্বারা। রাতের শুরুটা হয় চাঁদ উঠার দ্বারা। চাঁদ ও সূর্য উভয়ের অবস্থানই আসমানে। আসমান থেকেই বৃষ্টি হয়। কি পার্থিব জীবনে কী মানবীয় জীবনে, আসমানের গুরুত্ব অত্যাধিক। আসমান ছাড়া জীবন অকল্পনী বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حضرت عَبْدِ اللَّهِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰـى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ وَالْجَزُورُ عَنْ سَبْعَةٍ فِي الأَضَاحِيِّ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র ঈদুল আদ্বহায় একটি গরু সাতজনের পক্ষ থেকে এবং একটি উটও সাতজনের পক্ষ থেকে (কুরবানী করবে)। বাকি অংশ পড়ুন...
৩য় দলীল
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, একবার সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি একখানা ফলক উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার কিছু সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ এবং কিছু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ লিখে টাঙ্গিয়ে দিলেন; যার শিরোনামে লিখা ছিলো- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালাম মুবারক’। ঐ ফলকখানা দেখে একজন হাফেযে কুরআন বিশিষ্ট তাবেয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি যে এখানে শিরোনাম লিখে বাকি অংশ পড়ুন...
১) পবিত্র হারাম মাসসমূহ উনাদেরকে।
২) পবিত্র কুরবানী উনার পশুগুলোকে।
৩) পবিত্র হজ্জ সম্পাদনকারীগণ উনাদেরকে।
বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...












