SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কুরআন%' OR titleBn LIKE '%কুরআন%' OR descriptionEn LIKE '%কুরআন%' OR descriptionBn LIKE '%কুরআন%' OR slug LIKE '%কুরআন%' OR metaTag LIKE '%কুরআন%' OR metaDescription LIKE '%কুরআন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
إِلاَّ الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبٰى
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিয়েছেন যে, আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যারা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহব্বত মুবারক হাছিল করার মাধ্যম দিয়ে তোমাদেরকে কামিয়াবী হাছিল করতে হবে, এছাড়া তোমাদের কামিয়াবী হাছিল করার কোন ব্যবস্থা নেই। একটাই ব্যবস্থা রয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
أُذَكِّرُكُمُ اللهَ فِي أَهْلِ بَيْتِي، أُذَكِّرُكُمُ اللهَ فِي أَهْلِ بَيْتِي، أُذَكِّرُكُمُ اللهَ فِي أَهْلِ بَيْتِ বাকি অংশ পড়ুন...
(৪০৩)
والشيخُ اولو الامر على الـمريد، وامامُ كل طائفة ذو الامر عليهم.
অর্থ: শায়েখ তথা মুর্শিদ কিবলা মুরীদদের মাঝে উলিল আমর অর্থাৎ আদেশদাতা। তেমনি প্রত্যেক গোত্রে ইমাম হচ্ছেন উলিল আমর। (লাতায়িফুল ইশারাত অর্থাৎ তাফসীরুল কুশাইরী লেখক: হযরত আব্দুল করীম বিন হাওয়াযিন বিন আব্দুল মালিক কুশাইরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, ওফাত: ৪৬৫ হিজরী, পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৫৯)
(৪০৪)
وقال جابرُ بن عبدِ الله والحسنُ والضحَّاك ومجاهدُ رحمة الله علهيم: هُمُ الْفُقَهَاءُ وَالْعُلَمَاءُ اَهْلُ الدِّيْنِ وَالْفَضْلِ الَّذِيْنَ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ مَعَالِمَ دِيْنِهِمْ؛ وَيَاْمُرُونَهُمْ بالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ، فَاَوْجَبَ اللهُ عَلَى الْ বাকি অংশ পড়ুন...
যেমন পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার “পবিত্র সূরা হাদীদ শরীফ উনার মধ্যে” বর্ণিত আছে-
وَهُوَ مَعَكُمْ اَيْـنَمَا كُنْـتُمْ
আল্লামা ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ “তাফসীরে কবীর” ২৯/২১৫ পৃষ্ঠায় লিখেন-
(وَهُوَ مَعَكُمْ.......) قَالَ الْمُتَكَلِّمُوْنَ هٰذِهِ الْمَعِيَّةَ اَمَّا بِالْعِلْمِ وَاَمَّا بِالْحِفْظِ وَالْحَرَاسَةِ مَا عَلَى التَّـقْدِيْرِيْنَ فَـقَدْ اِنْـعَقَدَ الْاِجْمَاعُ عَلٰى اَنَّهٗ سُبحَانَهٗ لَيْسَ مَعَنَا بِالْمَكَانِ وَالْجِهَةِ وَالْحِيْزِ
অর্থ: “আকাইদ তত্ত্ববিদগণ বলেন, “তিনি তোমাদের সাথে রয়েছেন” এখানে সাথে থাকাটা ইলম, হিফাযত ও তত্ত্বাবধান দ্বারা। তিনি নির্দিষ বাকি অংশ পড়ুন...
ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা শূরা শরীফ উনার ২৩নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদর্শ মুবারক উনার অনুসরণ করবে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহাব্বত লাভ করবে এবং ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে। এছাড়া আরো অসংখ্য নিয়ামত লাভে ধন্য হবে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিন বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা কাশিম নানুতুবীর লিখিত ‘তাহযীরুন নাস” কিতাবের ২৫ পৃষ্ঠায় লিখিত আছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আগে বা সর্বশেষে আসার মধ্যে কোন ফযীলত নেই। উনার পরে যদি এক হাজার নবীরও আগমন মেনে নেয়া হয় তাতেও উনার খতমে নবুওয়াতের কোনরূপ বেশ-কম হবে না। নাউযুবিল্লাহ!
উক্ত বক্তব্য শরীয়তসম্মত হয়েছে কিনা, দলীলসহ জানতে চাই।
জাওয়াব: (২য় অংশ)
ছহীহ বুখারী শরীফ ও ছহীহ মুসলিম শরীফ কিতাবদ্বয়ের মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, হযরত জুবাইর ইবনে মুতয়িম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত-মা’রিফত ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের প্রধান ও একমাত্র মহান মাধ্যম হচ্ছেন মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক।
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এ সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: “আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্ বাকি অংশ পড়ুন...
(৪০১)
وفى أولى الأمر أربعة أقوال. أحدها: أنهم الأمراء، قاله أبو هريرة وابن عباس في رواية وزيد بن أسلم والسدي ومقاتل. والثانى: أنهم العلماء، رواه ابن أبى طلحة عن ابن عباس وهو قول جابر بن عبد الله والحسن وأبي العالية وعطاء والنخعي والضحاك ورواه خصيف عن مجاهد. والثالث: أنهم أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم، رواه ابن أبي نجيح عن مجاهد وبه قال بكر بن عبد الله المزني. والرابع: أنهم أبو بكر وعمر، وهذا قول عكرمة.
অর্থ: উলিল আমর উনার তাৎপর্য উনার ব্যাপারে চারটি মতামত পাওয়া যায়। এক: উনারা হলেন- উমারা অর্থাৎ আমীর বা আমীরুল মু’মিনীন বা খলীফা। অথবা ইনসাফগার সুলতান বা শাসক। যা বর্ণনা করেন হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়া বাকি অংশ পড়ুন...
‘মাকামে মাহমুদ’ বিষয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অভিমত:
(১)
عَنْ حَضْرَتَ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَلَامٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ اِنَّ مُـحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلٰى كُرْسِىِّ الرَّبِّ بَـيْنَ يَدَىِ الرَّبِّ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। “নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরতী আসন মুবারক উনার পাশে আসন মুবারকে অবস্থান করবেন। (তাফসীরে তাবারী ১৭/৫৩২, ফতহুল বারী ১১/৪২৭)
(২)
عَنْ حَضْرَتْ اِ বাকি অংশ পড়ুন...
‘তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম’ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
يَـقُوْلُ لَا تَسُمُّوْهُ اِذَا دَعَوْتُـمُوْهُ يَا مُحَمَّدُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا تَـقُوْلُوْا يَا اِبْنَ عَبْدِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلكِنْ شَرَّفُـوْهُ فَـقُوْلُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا نَبِىَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করবে তখন উনার সম্মানিত নাম মুবারক ধরে এভাবে ইয়া মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে সম্বোধন করবে না। এমনকি এ বাকি অংশ পড়ুন...












