SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কিতাবুল%' OR titleBn LIKE '%কিতাবুল%' OR descriptionEn LIKE '%কিতাবুল%' OR descriptionBn LIKE '%কিতাবুল%' OR slug LIKE '%কিতাবুল%' OR metaTag LIKE '%কিতাবুল%' OR metaDescription LIKE '%কিতাবুল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কদু একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদের ফল। সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি যেখানে মাছের পেট থেকে বের হয়েছেন সেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি একটি কদু গাছ উদগত করে দিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ. وَأَنبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِّن يَقْطِينٍ.
অর্থ: “অতঃপর আমি (সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম) উনাকে এক বৃক্ষলতা শূন্য উপকূলে (মাছের পেট থেকে) বের করলাম, তখন তিনি ছিলেন মারিদ্বী শান মুবারকে। আমি উনার (ছাউনী হিসেবে) এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ (কদু গাছ) উদà§ বাকি অংশ পড়ুন...
আবু মারওয়ান আবদুল মালিক ইবনে আবীল আলা ইবনে যুহর (হিজরী ৪৮৭-৫৫৭; ১০৯৪-১১৬২ খ্রি.) ছিলেন আল আন্দালুসিয়ার বিশিষ্ট চিকিৎসক, শল্যবিদ ও কবি। তিনি ছিলেন ইবনে রুশদ ও ইবনে তুফাইলের সমসাময়িক।
কাফের-মুশরিকরা উনার নামকে বিকৃত করে ‘এভেনযোর’ হিসেবে প্রকাশ করে মুসলমান বিজ্ঞানী হিসেবে উনার অবদানকে আড়াল করার চেষ্টা করে থাকে।
উনাকে উনার সময়ে সেরা চিকিৎসক গণ্য করা হয়। উনার চিকিৎসার মূল বৈশিষ্ট্য ছিল উনি খুব ভাল ঔষধ নির্বাচন করতে পারতেন, যা উনার অভিজ্ঞতার আলোকে করতেন। তিনি বিশেষ কিছু রোগের লক্ষণ ও তার প্রতিবিধান করে চিকিৎসা ও শল্যবিদ্যাকেও নতà§ বাকি অংশ পড়ুন...
বিখ্যাত ও প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিছ আল্লামা হাকীম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “নাওয়াদিরুল উছূল” কিতাবে পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন, হযরত হাকীম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “নাওয়াদিরুল উছূল” কিতাবে হযরত যাকওয়ান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণনা করেন, “নিশ্চয়ই সূর্য ও চাঁদের আলোতেও সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া দেখা যেতো না।”
ইমামুল মুহাদ্দিছীন, সুলতানুল আরিফীন, হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাà বাকি অংশ পড়ুন...
(৪২২)
اختلفوا في اولى الامر: قال ابن عباس وجابر رضى الله عنهما وهو قول جماعة: هم العلماء والفقهاء، وقال ابو هريرة رضى الله عنه: هم الولاة والسلاطين، وقيل: هم امراء السرايا الذين بعثهم رسول الله صلى الله عليه وسلم في الحروب. وقال عكرمة رحمة الله عليه: اراد به ابا بكر وعمر عليهما السلام.
অর্থ: উলিল্ আমর উনার ব্যাপারে ইখতিলাফ রয়েছে। হযরত ইবনু আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা, হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও একদল মুফাসসিরীন কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উনারা হলেন হযরত উলামা ও ফুকাহা কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম।
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনি বলেন, উনারা হলেন খলীফার তরফ থেকে দায়িত্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি, আত্বা, আবুল্ আলিয়াহ ও মুজাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উলিল্ আমর হচ্ছেন- হযরত উলামা তথা আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম। এ মতটি হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা পছন্দ করেছেন।
হযরত মাইমূন, মুক্বাতিল ও কালবী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, উনারা হলেন সেনাপতি। অথবা হযরত আহলু বাইত শরীফ উনাদের ইমাম আলাইহিমুস্ সালাম উনারা, অথবা এককভাবে হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম।
প্রকাশ্য কথা হলো, প্রত্যেক ঐ অভিভাবক যিনি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন কর বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: জনৈক ওহাবী মালানার বক্তব্য হচ্ছে, দিবস পালন করা জায়িয নেই। এ বক্তব্য কতটুকু শরীয়তসম্মত?
জাওয়াব (২য় অংশ):
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِى الدَّرْدَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّهٗ مَرَّ مَعَ النَّبِىّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِلٰى بَيْتِ عَامِرِ الاَنْصَارِىّ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَكَانَ يُعَلِّمُ وَقَائِعَ وِلَادَتِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِاَبْنَائِهٖ وَعَشِيْرَتِهٖ وَيَقُوْلُ هٰذَا الْيَوْمَ هٰذَا الْيَوْمَ فَقَالَ عَلَيْهِ الصَّلٰوةُ وَالسَّلامُ اِنَّ اللهَ فَتَحَ لَكَ اَبْوَابَ الرَّحْـمَةِ وَالْمَلائِكَةُ كُلُّهُمْ يَسْتَغْفِرُوْنَ لَكَ مَنْ فَعَلَ فِعْلَكَ نَـجٰى نَـجٰتَكَ.
অর্à বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করার পূর্বে অর্থাৎ আহত অবস্থায় হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুমগণ উনারা আরজ করলেন উনার পরবর্তী খলীফা মনোনীত করার জন্য। তখন তিনি বললেন, আমি ছয় জনের সম্মানিত নাম মুবারক ঘোষণা করে যাচ্ছি। উনাদের মধ্য হতে যে কোনো একজনকে তিন দিনের মধ্যে খলীফা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।
উল্লেখিত ছয়জন হচ্ছেন- আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনঠবাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কেউ কেউ বলে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া মুবারক ছিলো না, আবার কেউ কেউ বলে, উনার ছায়া মুবারক ছিলো। কোনটি সঠিক?
জাওয়াব:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছায়া মুবারক ছিল না। এটাই সঠিক।
এ প্রসঙ্গে বিখ্যাত ও প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিছ আল্লামা হাকীম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “নাওয়াদিরুল উছূল”কিতাবে পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন, হযরত হাকীম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “ঠবাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খাবারের পাত্র ঢেকে রাখার মহাসম্মানিত আদেশ মুবারক দিয়েছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে -
غَطُّوا الإِنَاءَ وَأَوْكُوا السِّقَاءَ فَإِنَّ فِى السَّنَةِ لَيْلَةً يَنْزِلُ فِيهَا وَبَاءٌ لاَ يَمُرُّ بِإِنَاءٍ لَيْسَ عَلَيْهِ غِطَاءٌ أَوْ سِقَاءٍ لَيْسَ عَلَيْهِ وِكَاءٌ إِلاَّ نَزَلَ فِيهِ مِنْ ذَلِكَ الْوَبَاءِ.
অর্থ: “তোমরা পাত্র ঢেকে রাখো এবং পান পাত্রের মুখ বন্ধ করে রাখো। কেননা বছরে এমন একটি রাত রয়েছে, যাতে বিভিন্ন প্রকার রেসূ ও মহামারি অবতরণ করে। সেই রেসূ বা মহামারি যখনই কোন ঢাকনা বিহীন পাত্রের কাছ বাকি অংশ পড়ুন...
(৪০৮)
{فَرُدُّوهُ إِلَى اللهِ وَالرَّسُول} أي: إلى كتاب الله وإلى رسوله صلى الله عليه وسلم ما دام حيا وبعد وفاته إلى سُنّته، والرُّد إلى الكتاب والسنة واجب إن وُجد فيهما، فإن لم يُوجد فسبيله الاجتهاد.
অর্থ: (তোমরা মহান আল্লাহ পাক ও উনার সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করো) অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী হায়াতে তাইয়্যিবা মুবারকে উনাকে আর উনার পর্দা মুবারক করার পর উনার সুন্নাহ শরীফ উনার দিকে প্রত্যাবর্তন করো। এমতাবস্থায় কিতাবুল্লাহ ও সুন্নতে রসূলিল্à বাকি অংশ পড়ুন...
এ বিষয়ের উপর চমৎকার একটা স্বপ্নের দলীল রয়েছে। হযরত মুহম্মদ বিন আলী সিরাজ রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে স্বপ্নের মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দীদারে ধন্য হয়ে এ বিষয়টা ফায়সালা এসেছে এভাবে-
أَخْبَرَنِـي الْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ اَلْعَطَّارُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ السِّرَاجِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي النَّوْمِ فَقُلْتُ إِنَّ فُلَانًا التِّرْمِذِيَّ يَقُوْلُ إِنَّ اللهَ لَا يُقْعِدُكَ مَعَهٗ عَلَى الْعَرْشِ وَنَحْنُ نَقُوْلُ بَلْ يُقْعِدُكَ فَأَقْبَلَ عَلٰى شِبْهِ الْمُغْضِبِ وَهُوَ يَقُوْلُ بَلٰى وَاللهِ بَلٰى وÙ বাকি অংশ পড়ুন...












