SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%করো%' OR titleBn LIKE '%করো%' OR descriptionEn LIKE '%করো%' OR descriptionBn LIKE '%করো%' OR slug LIKE '%করো%' OR metaTag LIKE '%করো%' OR metaDescription LIKE '%করো%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছূল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন সেই যামানায় মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ লক্ষ্যস্থল। উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস থেকে পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস পর্য বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুসলমানদের বিশেষ ফযীলতপূর্ণ দিন যেমন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ, পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
ফানা-বাক্বার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মুবারক:
তরবারির পরিবর্তে কাঠের টুকরো নিয়েই সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার ময়দানে ঝাপিয়ে পড়া:
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা। বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত উক্কাশাহ্ ইবনে মিহছান রাদিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বদরের সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার দিন নিজের তরবারি দিয়ে সম্মানিত জিহাদ মুবারক করছিলেন। সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার তীব্রতা ও ক্রমাগত আক্রমণের এক পর্যায়ে উনার হাতে থাকা তরবা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, উলিল আমর হলেন হযরত ফুকাহায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম।
হযরত আতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, উলিল আমর হলেন ফকীহগণ ও বিজ্ঞ আলিমগণ।
হযরত আতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
اَطِيعُوا اللهَ وَاَطِيعُوا الرَّسُولَ وَاُولِي الاَمْرِ مِنْكُمْ
উনার ব্যাখ্যায় বলেন, উলিল আমর হলেন- বিজ্ঞ আলিম, ফকীহ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্যকারীগণ এবং কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের অনুসরণকারীগণ।
হযরত দ্বহহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
اَطِيعُوا اللهَ وَاَطِيعُوا الرَّسُولَ وَاُولِ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ قَالَ اللهُ أَنْفِقْ يَا اِبْنَ آدَمَ أُنْفِقْ عَلَيْكَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে আদম সন্তান! তুমি আমার জন্য দান করো আমি তোমাকে দান করবো। (বুখারী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
একবার পরীক্ষা করার জন্য তিনজন আলিম হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে নির্জনে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের তাফসীর জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের তাফসীর এমন সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করলেন যে, উক্ত তিনজন আলিম আশ্চর্য হয়ে গেলেন এবং শেষ পর্যন্ত উনার নিকট ক্ষমা চেয়ে মুরীদ হয়ে গেলেন। “তাওয়ারিখে আজিবার” ৩৮ পৃষ্ঠায় একথা উল্লেখ আছে।
“সাওয়ানেহ আহমদী, সীরাতে সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ ১ম খন্ড, “তাওয়ারীখে আযীবা” কিতাবের ৯-১০ পৃষ্ঠায় বর্ণিত আছে, “পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের ২১ রাত্রিতে সাইয়্যিদুল আবেদীন, হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
অতএব, পুতুল নিয়ে খেলা সম্পর্কিত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা সকলের মতেই মানসূখ। কেননা অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে মূর্তি, পুতুল, ভাস্কর্য, ছবি ইত্যাদি তৈরি করাকে সরাসরি নিষেধ করা হয়েছে এবং তৈরি করাকে কঠিন গুনাহের কারণ বলা হয়েছে।
তাই সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে পতুল তৈরি করা এবং পুতুল নিয়ে খেলা নাজায়িয ও হারাম।
এই চরম জাহিল ও কাট্টা মুনাফিক জানে না, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শুরুতে অনেক বিষয় ছিল যা পরবর্তীতে মানসুখ বা রহিত হয়ে গেছে।
উদাহরণস্বরূপ পর্দার বিধান নাযিল হয়েছে পঞ্চম হিজরী সনে। পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِن تَصْبِرُوا وَتَتَّقُوا لَا يَضُرُّكُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئًا إنَّ اللَّهَ بِمَا يَعْمَلُونَ مُحِيطٌ.
অর্থ: তোমরা যদি ধৈর্যশীল হও অর্থাৎ ইস্তিকামত থাকো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, তবে কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। তারা যা করে, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি পরিবেষ্টন করে রয়েছেন। (তাদের প্রত্যেক কাজ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্যক অবহিত, কাজেই পরকালে উনার শাস্তির হাত হতে রেহাই পাওয়ার তাদের কোনো উপায় নেই)। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান: আয়াত শরীফ ১২০)
বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
قَوْلًا كَرِيمًا
পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়ে গেছে। একজন সাধারন বাবা- মা তার সাথে সম্মান জনক কথা বলো।
فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا
তোমরা বাবা- মাকে উফ বলো না, উফ বলার সুযোগ দিও না। তোমরা এমন কথা বলো না যাতে বাবা-মা ধমক দিতে পারেন। অথবা তুমি ধমক দিয়ে কথা বলো না।
فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا
উফ বলো না, উফ বলার সুযোগ দিও না। তোমরা এমন কথা বলো না যাতে বাবা-মা ধমক দিতে পারেন। অথবা তুমি ধমক দিয়ে কথা বলো না।
قَوْلًا كَرِيمًا
এবং সম্মানজনক কথা বলো
وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ‘দ্বীন ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু অশান্তি আর অস্থিরতা। বিশেষ করে মহিলাঘটিত ফিতনায় জর্জরিত সমাজ। মহিলারা আজ সর্বত্র লাঞ্ছিত, অপমানিত ও অবহেলিত হচ্ছে এবং মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে। এর সবগুলোর পিছনে কারণ একটাই; তা হলো- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়া; অর্থাৎ অহরহ ছবি তোলা, শরয়ী পর্দার বিধান মেনে না বাকি অংশ পড়ুন...












